প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুন্দরবনে বনদস্যু দাদাভাই বাহিনীর সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা গুলি এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনীগুলো নির্মূল করার লক্ষ্যে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এই অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে, সুন্দরবনের আরপাঙ্গাসিয়া নদীর কঞ্চির খাল এলাকায় দাদাভাই বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কয়েকজন জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার মধ্যরাতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের সময় কোস্ট গার্ডের সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা অতর্কিতে গুলি চালাতে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ডের সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। একপর্যায়ে দস্যুরা জিম্মি জেলেদের রেখে সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে যায়, ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে জিম্মি থাকা পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রবিউল ইসলাম (৩৫) ও বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার আলাউল ইসলাম (৩২), নওশেন মোড়ল (৪১) ও শাহিনুর রহমান (২৮)।
জব্দ করা অস্ত্র ও গুলির বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধার হওয়া জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে বনদস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের ওই কর্মকর্তা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন