প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিহত পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক মো. আল আমিন সৈকতের শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান এবং সৈকতের শিশু সন্তানদের সান্ত্বনা দেন।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পূর্বনির্ধারিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে গেলে সেখানে নিহত আল আমিন সৈকতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত হন। এ সময় তারা সৈকত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় তাদের প্রতি সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি নিহত আল আমিন সৈকতের শিশু সন্তানদের কাছে গিয়ে তাদের সান্ত্বনা দেন এবং পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, অপরাধী যে-ই হোক, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
নিহত আল আমিন সৈকতের পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা কোনো প্রতিশোধ চান না। তাদের দাবি, হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা হোক এবং তাদের আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বজন হারানোর এই কঠিন সময়ে প্রতিমন্ত্রী তাদের পাশে দাঁড়ানোয় তারা কৃতজ্ঞ। তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভৈরব পৌর শহরে হামলার শিকার হন সাবেক কাউন্সিলর আল আমিন সৈকত। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তিনি ভৈরব পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক ছিলেন। তার মৃত্যুতে ভৈরবে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন