প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তুরস্কের পরিকল্পিত সিনোপ পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে দক্ষিণ কোরিয়া অংশীদার হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান।
রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জানান, তুরস্ক মালিকানাধীন ‘কোরিয়া ইলেকট্রিক পাওয়ার করপোরেশন’-এর সঙ্গে কৃষ্ণ সাগর পারমাণবিক প্রকল্পের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে। তবে প্রকল্পের অর্থায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ এবং তুরস্কের অর্থনীতিতে আঙ্কারার সামগ্রিক সুবিধা বিবেচনা করার আগে চূড়ান্ত অংশীদার বেছে নেওয়া হবে।
সোমবার সিউলে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের। ২০১৮ সালের পর এটি তার প্রথম সফর দক্ষিণ কোরিয়ায়। সফরকালে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে মিয়ংয়ের সঙ্গে একটি শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হবেন, যা সিউলের রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইয়োনহাপকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান উল্লেখ করেন যে, শুধুমাত্র পরমাণু শক্তি নয়, বরং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিকসও দুই দেশের সহযোগিতার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তিনি তুরস্কে আরো বেশি দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ এবং যৌথ উৎপাদনের আহ্বান জানান।
একই সময়ে, এরদোয়ান উল্লেখ করেন, দুই দেশ ১৫ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে। তবে বর্তমানে বাণিজ্য ভারসাম্য দক্ষিণ কোরিয়ার অনুকূলে থাকায় সেই ব্যবধান কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি, এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী তুরস্কের বৃহৎ পরিবহন ও লজিস্টিকস প্রকল্পগুলোতে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরীয় কম্পানিগুলোর প্রতি আমন্ত্রণ জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন