প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দণ্ডিত আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) তাদের পক্ষ থেকে এক তথ্য বিবরণীতে এই আহ্বান জানানো হয়।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি, ক্ষমতাচ্যুত এবং পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।
আইসিটির এই নিষেধাজ্ঞা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার বিষয়টি সামনে রেখে এবং দণ্ডিত আসামির পূর্ববর্তী সকল বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সরাতে এবং বন্ধ করতে, সেইসাথে প্রচার ও প্রকাশ না করার উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে একটি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ) দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে এই বিষয়ে আইনের যথাযথ ধারা উল্লেখ করে দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ করেছে।
তবে দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, গণমাধ্যমের একটি অংশ জুলাইয়ের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে আদালতের নির্দেশনা মানলেও কিছু গণমাধ্যম এখনো দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার করে চলেছে। এ ধরনের কার্যক্রমে সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং শহীদদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে। যারা পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত রয়েছেন, তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।
সরকার আশা করে যে, জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা ধরে রাখতে এবং আইনগত বাধ্যবাধকতা সমুন্নত রাখতে দেশের সকল প্রকার গণমাধ্যম (টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়া) পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের বক্তব্য কিংবা বিবৃতি প্রচার না করার বিষয়ে আবারও বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে।
জাতীয় ঐক্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষায় দেশের সকল গণমাধ্যম পূর্বের মতোই ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে, এ ব্যাপারে সরকার আশাবাদী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন