প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ‘ই-ফেক্টিভ গভর্নেন্স’ কর্মসূচির টিম লিডার আরসেন স্টেপের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে।
ঢাবির জনসংযোগ দফতরের উপ-পরিচালক ফররুখ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
এসময় সাক্ষাৎকালে উচ্চশিক্ষা খাতে ডিজিটাল গভর্নেন্স, তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপদ ডিজিটাল ব্যবস্থা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আন্তঃসংযোগ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনায় ঢাবির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি, পরীক্ষা, সনদ প্রদান এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সেবা ইতোমধ্যে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোর শিক্ষার্থী ও একাডেমিক তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং সনদ যাচাইকরণ কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যভান্ডার ও ডিজিটাল সেবাসমূহকে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিত করার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী ঢাবির ডিজিটাল রূপান্তর কার্যক্রমে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সম্ভাব্য সহযোগিতাকে স্বাগত জানান এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তাবনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিবেচনার আশ্বাস প্রদান করেন।
সাক্ষাৎকালে ঢাবির আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোসাদ্দেক হোসেন কামাল, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী, ব্রিটিশ কাউন্সিলের ই-ফেক্টিভ গভর্নেন্স কর্মসূচির ই-গভর্নেন্স কো-অর্ডিনেটর মো. ইনামুল হক, সিটিজেন এনগেজমেন্ট অ্যান্ড আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর সাজিয়া শারমীনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন