প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভারতের বিরোধী দলগুলো নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ব্যাপক সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে। ‘গণতন্ত্র রক্ষার’ দাবিতে মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল এবং পরবর্তী দিনগুলোতে দেশজুড়ে সমাবেশের আয়োজন করে তারা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ বৃদ্ধি করেছে।
বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের অভিভাবক হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে পরিচিত ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রধানের বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছেন।
নয়াদিল্লি থেকে এএফপি জানায়, নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তাদের সব সিদ্ধান্ত আইনসম্মত বলে দাবি করেছে। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেন, ‘মূল বিষয় হলো ভোট চুরি।’ সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যারা ভারতের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করব।’
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে জানান, বিরোধী দলের আইনপ্রণেতারা মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের দিকে মিছিল করবেন। এরপর দেশজুড়ে ‘গণতন্ত্র রক্ষার’ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
ভারতীয় দৈনিক ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ গত সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে দুজনের অনুমোদন ছাড়াই নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, ওই প্রতিবেদনে ‘বিষয়টির কেবল একটি দিক তুলে ধরা হয়েছে’। কমিশনের বক্তব্য, ভোটার তালিকার সংশোধনের উদ্দেশ্য ছিল একই ব্যক্তির একাধিক নামের নিবন্ধন বাদ দেওয়া এবং ‘বিদেশি অবৈধ অভিবাসীদের’ ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি ঠেকানো।
মোদির দল দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে আসা নথিবিহীন অভিবাসীরা প্রতারণার মাধ্যমে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। এসব অভিবাসীর মধ্যে অনেকেই মুসলিম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন