প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে বহুল আলোচিত মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের শি জিনপিং এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
এবারের সম্মেলনে এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ অংশগ্রহণ করছে। তবে সকলের দৃষ্টি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের দিকে নিবদ্ধ থাকবে। ইরান চায়, সাম্প্রতিক সংঘাত ও নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত হোক। ব্রিকসের সিদ্ধান্ত সাধারণত সকলের সম্মতির ভিত্তিতে গৃহীত হয়। ফলে এই বিষয়টি নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো কঠিন হতে পারে।
এবারের ব্রিকস সম্মেলনটি বেশ বৈচিত্র্যময়। রাশিয়া ও চীন কৌশলগত মিত্র হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেছে। সৌদি আরব ও আমিরাতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সুসম্পর্ক বিদ্যমান। ইন্দোনেশিয়া, মিসর, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া এবং কিউবা সহ বেশ কিছু নতুন দেশের প্রতিনিধিরাও এতে অংশগ্রহণ করবেন।
লোহিত সাগরে যে কোনো অস্থিতিশীলতা মিসরের সুয়েজ খালের বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, উপসাগরীয় দেশগুলো জ্বালানি বাজার নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
আয়োজক দেশ হিসেবে এবারের ব্রিকস সম্মেলন ভারতের জন্য একটি বড় পরীক্ষা। বিভিন্ন মেরুর দেশগুলোকে একত্রিত করে নিজেদের স্বার্থ ও সকলের মতৈক্য বজায় রাখা তাদের মূল লক্ষ্য।
সম্মেলনে বাণিজ্য, উন্নয়ন অর্থায়ন এবং বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হবে। তবে চূড়ান্ত ঘোষণাপত্রে মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্কে কী বলা হবে, সেদিকেই সকলের নজর থাকবে। যদি বিশ্ব নেতারা সব বিভেদ ভুলে একমত হতে পারেন, তবে এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে গণ্য হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন