প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভেনেজুয়েলা হলো একটি ভূকম্পন বেশি সক্রিয় এলাকা, যেখানে ক্যারিবীয় ও দক্ষিণ আমেরিকান এই দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল বিদ্যমান।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) অনুযায়ী, বুধবার (২৪ জুন) দিনটি দুইটি ভূমিকম্পের আঘাতের ঘটনার সাক্ষী। এর মধ্যে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি ছিল তুলনামূলকভাবে বড় এবং এটি ঘটেছে প্লেটগুলোর সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে 'অগভীর স্ট্রাইক-স্লিপ ফল্টিং'-এর কারণে। এই তথ্য প্রকাশ করেছে বিবিসি।
প্রতিবেদন অনুসারে, এই পরিস্থিতিটি এমন, যেখানে ফল্ট বা প্লেটগুলোর মধ্যকার ফাটলগুলো অনুভূমিকভাবে গতিশীল হয়। যখন এই গতির প্রক্রিয়া দ্রুত ঘটে, তখন ভূমিকম্প তৈরি হয়।
ইউএসজিএস একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছে, আজকের এই দুটি ভূমিকম্প 'সম্ভবত একটি জটিল ভঙ্গুরতা-বিস্তার প্রক্রিয়ার ইঙ্গিত' দেয়।
তাছাড়া তারা আরো বলেছেন, পরবর্তীতে যে ধাক্কা বা আফটারশক আসতে পারে, তার মধ্যে 'কিছু ক্ষেত্রে শক্তিশালী কম্পনও থাকতে পারে', সেজন্য এখনো ঘটনার আশঙ্কা বিদ্যমান।
বিশেষজ্ঞরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন থাকতে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবিসি জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলায় বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় এক মিনিটের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। প্রথম ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২, যার কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর ঘটে আরও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প, যার মাত্রা ৭ দশমিক ৫ ছিল বলে জানান জিওলজিক্যাল সার্ভে। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
ইউএসজিএস জানাচ্ছে, ভেনেজুয়েলায় ব্যাপক হতাহত এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বিদ্যমান। দ্বিতীয় প্রধান ভূমিকম্পের পর ১০ হাজারের বেশি প্রাণহানির আশঙ্কা ৪৪ শতাংশ এবং এক লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারানোর আশঙ্কা ৩০ শতাংশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন