প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দশকের পর দশক ধরে ভোটদানকে অর্থহীন মনে করে আসা এবং ইসরায়েলি রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে বয়কট করার দীর্ঘ অবস্থান ভেঙে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ইসরায়েলের বহু ফিলিস্তিনি নাগরিক। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তীব্র বৈষম্য ও প্রাতিষ্ঠানিক অবহেলার বিপরীতে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা এবং কট্টর ডানপন্থী শক্তির উত্থান প্রতিহত করতেই তাদের এই নীতিগত অবস্থান বদল ঘটেছে।
ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশের বেশি) ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আরব নাগরিক। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের একটি বড় অংশ এই বিশ্বাসে নির্বাচন বর্জন করে আসছিল যে, যে রাষ্ট্রকাঠামো তাঁদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে গণ্য করে এবং অধিকৃত অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের ওপর দমনপীড়ন চালায়, সেই ব্যবস্থার নির্বাচনে অংশ নেওয়া মানে প্রকারান্তরে রাষ্ট্রের দমনমূলক নীতিকেই বৈধতা দেওয়া। তাছাড়া বিগত কোনো সরকারই আরব সম্প্রদায়ের মৌলিক নাগরিক সমতা, বাজেট বরাদ্দ বা আইনগত নিরাপত্তার প্রশ্নে কার্যকর কোনো পরিবর্তন আনেনি।
তবে সাম্প্রতিক নির্বাচনে এই বয়কটের প্রাচীর ভাঙার পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে দেশটির রাজনীতিতে কট্টর ডানপন্থী ও চরম বর্ণবাদী রাজনীতিকদের নগ্ন উত্থান। সরকারে এসব চরমপন্থীদের ক্ষমতার অংশীদার হওয়া ঠেকাতে এবং নিজেদের সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে অনেকেই এবার ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
স্থানীয় শহরগুলোতে অনিয়ন্ত্রিত অপরাধ ও সহিংসতা দমন, বাড়িঘর উচ্ছেদ ও জমি দখল রোধ এবং বাজেট বৈষম্য কমানোর শেষ আইনি হাতিয়ার হিসেবে সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করাকেই এখন সবচেয়ে বাস্তবসম্মত লড়াই বলে বেছে নিচ্ছেন দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকরা।
সূত্র: হারেৎজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন