প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১১ বছর বয়স। কিশোর বলা যায় কি? এই বয়সের শৈশব না কৈশোরের মধ্যে বিভাজন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, কিন্তু যদি কেউ মহাদেশীয় গেমসে সোনা জিতেন, তাহলে বিষয়টি বিস্ময়কর হয়ে ওঠে।
এশিয়ান গেমসে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। জাপানের ১১ বছর বয়সী গেমার ইউকি কুরিহারা ই-স্পোর্টসের খেলা পুইও পুইও চ্যাম্পিয়নসে সোনা অর্জন করেছেন।
ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাং দং-শিনের বিরুদ্ধে তিনি প্রথমে ০-১ পিছিয়ে ছিলেন। এরপর তিনি ফিরে এসে ১০-২ ব্যবধানে জয়লাভ করেন। ইউকিকে এই গেমসের সবচেয়ে কমবয়সী খেলোয়াড় হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
জয়ের পর ইউকি বলেন, “সত্যি কথা বলতে, আমার একটু লজ্জা লাগছিল, তাই আমি আমার মুখের ভাব খুব একটা বদলাতে পারিনি।” সোনার পদক হাতে নিয়ে তিনি বলেন, “আমি খুব খুশি। পদকটা সত্যিই সুন্দর, চকচকে আর ভারী।”
পুইও পুইও চ্যাম্পিয়নস একটি পাজল গেম। এই গেমে খেলোয়াড়রা রঙিন বল জুড়ে দিয়ে স্ক্রিন থেকে সেগুলো সরিয়ে ফেলেন। ইউকি প্রথম শ্রেণিতে থাকতেই এই গেম খেলা শুরু করেন। পরে তিনি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে শুরু করেন এবং জয়ী হতে থাকেন।
এই বছরের এপ্রিলে তিনি পেশাদার লাইসেন্স লাভ করেন। এরপর থেকে নিয়মিত বড়দের হারিয়ে দিচ্ছেন। গেমসের আগে ইউকি বলেছিলেন, স্কুল এবং অতিরিক্ত ক্লাসের পাশাপাশি ই-স্পোর্টস চালিয়ে যাওয়া সহজ নয়। তবে তিনি এই কাজটি উপভোগ করেন। গ্রীষ্মের ছুটিতে তিনি আরও অনুশীলন করে নতুন দক্ষতা তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন।
এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে সবচেয়ে কমবয়সী পদকজয়ীদের নিয়ে কোনো অফিসিয়াল তথ্য নেই। তবে ২০১৮ সালে জাকার্তায় ১২ বছর বয়সী ইন্দোনেশিয়ার বুঙ্গা নিমাস মেয়েদের স্কেটবোর্ডিংয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। এর তিন বছর আগে হ্যাংজোতে ১৩ বছর বয়সী কুই চেনসি মেয়েদের স্ট্রিট স্কেটবোর্ডিংয়ে সোনা জিতেছিলেন। তাই ইউকি যে রেকর্ড গড়েছেন, তা আপাতত বলাই যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন