প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবলে গোল ঠেকানোর দায়িত্ব যার, তাকেই গোল করার দায়িত্ব দেওয়া হলো। এমন বিপরীত কাজটি আবার দেখা গেল ক্রিকেটে। বোলার হয়ে গেলেন ওপেনার।
এই দুটি ঘটনা ভিন্ন ভিন্ন খেলার হলেও একটি জায়গায় মিল রয়েছে। অচেনা ভূমিকার এমন দৃশ্য বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে দেখা গেছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের বিপক্ষে ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলানো হলো। আর সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নামলেন স্পিনার নাঈম হাসান।
গতকাল ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ভুটানের মুখোমুখি হয়েছিল। ওই ম্যাচে কোচ থমাস ডুলি রক্ষণভাগের খেলোয়াড় বিশ্বনাথকে মূল স্ট্রাইকার হিসেবে খেলান। বাধ্য হয়ে তাকে খেলানো হয়েছে এমনটা বলা যাবে না। ফরোয়ার্ড লাইনে খেলার জন্য বাংলাদেশের স্কোয়াডে শুকি ইতোফুসা-মিনহাজুল স্বাধীনরা ছিলেন। বদলি নামা ফাহমিদুল ইসলামও শুরুর একাদশে থাকতে পারতেন।
কিন্তু কোচ ডুলি পরীক্ষা চালাতে গিয়ে বিশ্বনাথকে অচেনা পজিশনে নামালেন। ফল যা হওয়ার তাই হলো। চেষ্টা করলেও অনভিজ্ঞতার কারণে বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করলেন বিশ্বনাথ। এতে ঘরের মাঠে গোল না পাওয়ার চাপ বাংলাদেশের ঘাড়ে বাড়ছিল। শেষ পর্যন্ত বদলি নেমে বাংলাদেশকে বাঁচিয়েছেন ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ ইব্রাহিম। ৬৯ মিনিটে তার করা গোলেই বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
একই চিত্র ক্রিকেটেও দেখা গেছে। সিলেটে আজ ফিল্ডিংয়ের সময় সাদমান ইসলাম চোট পেলে নাঈমকে ওপেনার হিসেবে মাঠে নামায় বাংলাদেশের ম্যানেজমেন্ট। মিরপুর টেস্টে ফিফটি পেলেও নতুন বলের সামনে যা হওয়ার তাই হলো। ৫ রানে ড্রেসিংরুমে ফিরলেন অফস্পিনার। টেস্টে এর আগে যার আট নম্বরের ওপরে কখনো ব্যাট করা হয়নি। অথচ, ওপেনার হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজকে নামাতে পারত বাংলাদেশ। এমনকি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও খেলতে পারতেন। দুজনেরই ওপেনার হিসেবে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন