প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে প্রতিবেশী বেলজিয়াম, যা ফ্রান্সের পরের ঘটনা। দেশটির লিয়েজ শহরে শিক্ষাব্যয় বৃদ্ধি, শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা উপকরণ ও সুযোগ-সুবিধার সংকটের প্রতিবাদে টানা দুই দিন ধরে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। এই বিক্ষোভের ফলে পুলিশ ১০৭ জনকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার ও বুধবার লিয়েজের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বেলগা সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আটক ৮০ জনের মধ্যে ২৭ জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের মতে, কয়েকজন বিক্ষোভকারী সম্পত্তির ক্ষতি ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
ফরাসিভাষী বেলজিয়ামের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও সুযোগ-সুবিধা কমছে। এই সমস্যাগুলোর সমাধানে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় তারা আন্দোলনে নেমেছেন।
১৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থী অ্যামেলিয়া দি সালভে রয়টার্সকে জানিয়েছেন, "বিক্ষোভ ছাড়া পরিবর্তন না হওয়ায় আমরা আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।" ফ্রান্সের চলমান শিক্ষার্থী বিক্ষোভ তাদের কিছুটা প্রভাবিত করেছে। অন্য এক শিক্ষার্থী আলফ্রেড বলেছেন, "দুই দেশের শিক্ষার্থীরা প্রায় একই সমস্যার মুখোমুখি হওয়ায় আমরা একে অপরকে সমর্থন করছি।"
লিয়েজের মেয়র উইলি দেমেয়ার শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে তাদের উদ্বেগ শোনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
বেলজিয়ামে ভাষাভিত্তিক সম্প্রদায়গুলোর অধীনে শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। ডাচভাষী ফ্ল্যান্ডার্স এবং ফরাসিভাষী ওয়ালোনিয়া পৃথকভাবে শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করে, ফলে দেশটিতে একক জাতীয় শিক্ষাক্রম নেই।
ফরাসিভাষী অঞ্চলে টিউশন ফি ৮৩৫ ইউরো থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ১৯৪ ইউরো করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এর আগেও ব্রাসেলসে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ হয়েছে।
এদিকে ফ্রান্সেও শিক্ষা ব্যয়, শিক্ষক সংকট এবং শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয় কমানোর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে। দুই দেশের আন্দোলনেই শিক্ষা খাতে ব্যয় ও সুযোগ-সুবিধার সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন