প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের ২০২৯ সালের পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে, এমন মন্তব্য করেছেন তরুণ নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তিনি দেশের সাধারণ মানুষকে কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর বরাতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) কেরালার কোচিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে এবং ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা জানান, গণতান্ত্রিক উপায়ে কেবল নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। তিনি দেশে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য জোর দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সিজেপির বিশেষ প্রচারণা কর্মসূচি ‘যন্তর মন্তর অ্যাট কোচি’-র অংশ হিসেবে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানে অভিযোগ তুলে অভিজিৎ দিপকে বলেন, ক্ষমতাসীন এনডিএ সরকার দেশের তরুণ সমাজের বিরুদ্ধে একপ্রকার ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অসৎ উদ্দেশ্যে রক্ষা করতে সরকার মরিয়া মন্তব্য করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে আড়াল করা কেন কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ?
বক্তব্যের সময় জাতীয় পতাকা হাতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন করতে গিয়ে দলের অন্যান্য নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কারের সঙ্গে নিজের গ্রেফতার হওয়ার ঘটনার কথা স্মরণ করেন তিনি। দিপকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যেকোনো মূল্যে তাঁরা জাতীয় পতাকাকে সমন্নত রাখবেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'কেবল জাতীয় ত্রিবর্ণ পতাকা প্রদর্শন ও গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলার জন্য আমাকে ও আমার দুই সহযোদ্ধা সৌরভ ও আশুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ভারতে এমন নজিরবিহীন দমনপীড়ন কেবল ব্রিটিশ শাসনামলেই দেখা গেছে।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন