প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসের সেরা বিজয়ী নির্বাচন করার জন্য আয়োজিত একটি বিশেষ অনলাইন ভোটে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো লিওনেল মেসির চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ভোটে অংশগ্রহণকারী সমর্থকদের মধ্যে পর্তুগিজ তারকার ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমটি সবচেয়ে বেশি সাড়া পেয়েছে।
ব্যালন ডি’অরের একটি অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মে চলতি অক্টোবরের শুরুতে এই ভোটাভুটি শুরু হয়েছে, যা প্যারিসের স্থানীয় সময় ২৭ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত চলমান থাকবে। ইতিহাসের ১০ জন কিংবদন্তি বিজয়ীর একাধিক ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমের মধ্যে থেকে সমর্থকেরা পছন্দের একটি মৌসুম বেছে নিতে পারছেন। তালিকায় মেসি ও রোনালদোর পাশাপাশি রয়েছেন রোনালদো নাজারিও, মার্কো ফান বাস্তেন, মিশেল প্লাতিনি, কার্ল-হাইন্ৎস রুমেনিগে, কেভিন কিগান, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, ইয়োহান ক্রুইফ ও আলফ্রেডো দি স্তেফানো।
এই ভোটের অন্যতম আকর্ষণ হলো, প্রতিবার ভোট দিতে খরচ হচ্ছে এক ইউরো। এর বিনিময়ে ভোটাররা চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের দুটি টিকিট জেতার লটারিতে অংশ নিতে সক্ষম হচ্ছেন। পাশাপাশি ট্রফির একটি বিশেষ ছবিও ডাউনলোড করার সুযোগ রয়েছে। একজন সমর্থক চাইলে একাধিকবার ভোট দিতে পারবেন, এমনকি একই মৌসুমের পক্ষেও বারবার ভোট দেওয়া যাবে। ভোটের বর্তমান শতাংশও দেখা যাচ্ছে প্ল্যাটফর্মটিতে।
প্রকাশিত ভোটের হিসাব অনুযায়ী, রোনালদোর ২০০৮ সালের মৌসুমটি প্রায় ৬২ শতাংশ ভোট পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে সেবার প্রথমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে ক্যারিয়ারে মোট পাঁচবার এই পুরস্কার নিজের করে নেন পর্তুগিজ তারকা।
অন্যদিকে, মেসির ২০১২ সালের ঐতিহাসিক মৌসুমটি পেয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট। ওই ক্যালেন্ডার বছরে ৬৯ ম্যাচে ৯১ গোল করে নতুন রেকর্ড গড়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। একই সঙ্গে টানা চতুর্থবারের মতো ব্যালন ডি’অর জয়ের কৃতিত্বও অর্জন করেন তিনি। তবে মেসির আটটি ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমের মধ্যে ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ায় তার কোনো একটি মৌসুম অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেসির ২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমটি পেয়েছে প্রায় ৯ শতাংশ ভোট। কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর পর এই পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। ওই সময়ে পিএসজির হয়ে ৪১ ম্যাচে ২১ গোল করার পাশাপাশি ২০টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন এই তারকা। ক্লাবের হয়ে লিগ ওয়ান ও ফরাসি সুপার কাপও জিতেছিলেন তিনি।
ভোটের তালিকায় রোনালদোর ২০০৭ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম পেয়েছে প্রায় ৭ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, ২০১৬ সালের মৌসুমের পক্ষে ভোট পড়েছে প্রায় ২ শতাংশ। বাকি মৌসুমগুলোর কোনোটি এক শতাংশের বেশি ভোট পায়নি, আবার কয়েকটির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভোটের হারও দেখা যায়নি।
এদিকে, ক্যারিয়ারে ১,০০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার লক্ষ্যেও এগিয়ে যাচ্ছেন মেসি ও রোনালদো। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মেসি ১,১৮০ ম্যাচে ৯৩৬ গোল করেছেন। অন্যদিকে, রোনালদোর গোলসংখ্যা ১,৩৪০ ম্যাচে ৯৮১।
ভোটের ফলাফল অনুযায়ী, আপাতত রোনালদোর ২০০৮ সালের মৌসুমটি সমর্থকদের পছন্দে এগিয়ে থাকলেও মেসির বিভিন্ন ব্যালন ডি’অরজয়ী বছরগুলোতেও ভোট পড়ছে। ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ভোট চলায় শেষ পর্যন্ত ব্যবধান কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন