প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বর্ষা বিদায়ের প্রাক্কালে কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে জেলায়। এর ফলে চলতি বছরের শুরু থেকে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫৯৮ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ৩৩ জন রোগী ছাড়পত্র নিয়েছেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নতুন কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১১৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৭ জন রোগী ভর্তি আছেন। পাশাপাশি ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ১৮ জন, ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৮ জন এবং বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জেলার অন্যান্য হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করিমগঞ্জে ৪ জন, কুলিয়ারচরে ৬ জন, তাড়াইলে ৪ জন, পাকুন্দিয়ায় ৬ জন, কটিয়াদীতে ৫ জন, নিকলীতে ৩ জন এবং হোসেনপুরে ৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। এছাড়া জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে ৫ জন এবং প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজে ৭ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫৯৮ হলেও এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৮৪ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১১৪ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা এখন পর্যন্ত শূন্য রয়েছে।
স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের মতে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালকেন্দ্রিক চিকিৎসা যথেষ্ট নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা, বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন