প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, ইসরাইলের সঙ্গে চলমান আলোচনা কোন বিশ্বাসঘাতকতা নয় এবং লেবানন তার এক ইঞ্চি ভূখণ্ডও ইসরাইলের কাছে ছেড়ে দেবে না।
আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আউন বলেন, ‘লেবাননের যুদ্ধ ও বিদেশি প্রভাবের যুগ থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে।
অধিকাংশ লেবানিজ এই পথকে সমর্থন করেন, বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ, যারা মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাসের অধিকার রাখেন।’
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েক মাসের আলোচনা শেষে গত সপ্তাহে ইসরাইল ও লেবানন একটি কাঠামোগত (ফ্রেমওয়ার্ক) চুক্তিতে সই করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এই চুক্তি ‘দীর্ঘদিনের সংঘাত থেকে বাস্তবসম্মতভাবে বেরিয়ে আসার পথ’ তৈরি করবে।
এই চুক্তিকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে হওয়া এই ফ্রেমওয়ার্ক সমঝোতা দুই দেশের সংঘাতের অবসানের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তবে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ মহাসচিব নাঈম কাসেম চুক্তিটিকে ‘অবৈধ ও অকার্যকর’ আখ্যা দিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলে সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানান।
ইসরাইলের সঙ্গে লেবানন সরকারের করা এই চুক্তি নিয়ে লেবাননে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। সমালোচকদের অভিযোগ, এই চুক্তির মাধ্যমে কার্যত ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে লেবানন।
এই চুক্তির মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার কিছু অংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করছেন অনেকেই।
তবে প্রেসিডেন্ট আউন এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তির ধারাগুলো লেবাননের অধিকার ও মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়; বরং এগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে সেই অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা সার্বভৌমত্বের নীতিকে সম্মান করেন, তাদের এই বিষয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকেও সম্মান করা উচিত।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন