আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি
০৯:২৭ পি.এম
আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগ, সন্দ্বীপ উপজেলা আয়োজিত একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা যুবসমাজকে নৈতিকতা, আদর্শ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সন্দ্বীপ উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আবু তাহের। তিনি বলেন, যুবকরাই জাতির ভবিষ্যৎ শক্তি। একটি সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে যুবসমাজকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব বিভাগ, সন্দ্বীপ উপজেলা সভাপতি মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান। এ সময় উপজেলা অফিস সম্পাদক মাওলানা সবুর খানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আন্তর্জাতিক যুব দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। আলোচনা শেষে দেশ, জাতি ও যুবসমাজের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির মালদ্বীপে বাংলাদেশিদের জন্য আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রাশীদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এই আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির।
সাক্ষাৎকালে দুই পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বিশেষ করে পর্যটন, মানবসম্পদ ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এসব ক্ষেত্রে পারস্পরিক কল্যাণমূলক সম্পৃক্ততা আরও গভীর করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
মানবসম্পদ খাতে সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে, হুমায়ুন কবির মালদ্বীপকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার অনুরোধ জানান।
দুই পক্ষই বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রযুক্তি বিনিময় ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে মিনিস্ট্রি ফর প্রাইমারি ইন্ডাস্ট্রিজের (এমপিআই) সঙ্গে বাংলাদেশের একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সম্ভাবনার কথা উল্লিখিত হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে এমপিআইয়ের দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক প্রধান ডায়না রেইচ প্রতিনিধিত্ব করেন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কৃষি ও খাদ্যপণ্যের বাণিজ্য বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি প্রযুক্তি, দুগ্ধ শিল্প, কোল্ড চেইন ব্যবস্থাপনা এবং কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্পে যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিউজিল্যান্ডের উন্নত বায়োসিকিউরিটি ব্যবস্থা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিপণ্য রপ্তানি ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও বৃহৎ ভোক্তা বাজারের বিষয়টি তুলে ধরে দুই দেশের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বৃহৎ ভোক্তা বাজারকে কাজে লাগিয়ে নিউজিল্যান্ডের কৃষি ও খাদ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে কৃষিপণ্য, তাজা ফল ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের নিউজিল্যান্ডের বাজারে প্রবেশ সহজ করার বিষয়েও আলোচনা হযেছে। এ ক্ষেত্রে আমদানি স্বাস্থ্যমান (আইএইচএস), স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি (এসপিএস) ব্যবস্থা, পণ্যের মানের পারস্পরিক স্বীকৃতি এবং সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে উন্নত খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষা, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং ইলেকট্রনিক ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেশন (ই-ফাইটো) ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের কারিগরি সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনার প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও সুসংগঠিত করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
এ সময় বাংলাদেশ রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি)-এ যোগদানের ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের সমর্থন কামনা করে। পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে উত্তরণ-পরবর্তী ট্রানজিশন সময়সীমা আরও তিন বছর বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
দুই দেশের ব্যবসায়িক ফোরাম প্রতিষ্ঠা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন, যোগাযোগের জন্য নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ এবং নিয়মিত তথ্য বিনিময়ের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল আশা প্রকাশ করে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইয়ালোভা প্রদেশে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণ চলাকালে বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে বিমানটির পাইলট নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতিতে জানায়, বিমানটি নিয়মিত প্রশিক্ষণ মিশনে অংশ নেয়ার সময় বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার আগে পাইলট নিরাপদে বিমান থেকে বের হয়ে আসেন।
বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিস্তারিত তদন্তের পর দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণ করা হবে।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম এনটিভি সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিওতে দুর্ঘটনাস্থল থেকে আগুনের গোলা ও ঘন কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক অ্যাম্বুলেন্স ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিল্লি থেকে থাইল্যান্ডের ফুকেট যাওয়া এবং ফেরার মাঝে ছিল মাত্র ২৪ ঘণ্টার বিরতি। এর মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট ক্রুদের সঙ্গে পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন।
গত ৪ তারিখে, মাঝ আকাশে বৈরী ঝাঁকুনিতে পড়া এয়ার ইন্ডিয়ার এই ফ্লাইটের পাইলটের বিরুদ্ধে পার্টি করার পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যাত্রী ও ফ্লাইটের ক্রু সদস্যদের কাছ থেকে।
এর আগে, অভিযুক্ত পাইলট দুবার ড্রাগ টেস্টে পজিটিভ হন। তার রক্তে মারিজুয়ানা ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাইলট দিল্লি থেকে ফুকেট যাওয়ার সময়ে একটি ওয়াশরুমে গিয়েছিলেন।
নিয়ম অনুযায়ী, তিনি তার জায়গায় একজন ক্রু মেম্বারকে ককপিটের জাম্প সিটে বসিয়ে রেখে যান। কিন্তু সেই নারী ক্রু ককপিটের কাজে অভ্যস্ত ছিলেন না। পাইলট ফিরে এসে তাকে তিরস্কার করেন। তবে ফুকেটে নামার পর সম্ভবত তিনি বুঝতে পারেন যে, বিষয়টি অতিরিক্ত হয়ে গেছে। তাই সমতা আনতে সবাইকে পার্টিতে নিয়ে যান।
তবে পার্টিতেও সেই ক্রু মেম্বারের মন গলেনি। ফেরার সময়, তিনি ইনচার্জের কাছে চেয়ে বিমানের পেছনের দিকে দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি ছিলেন বকার ভয়ে ককপিটের আশপাশে থাকতে চাননি।
ফ্লাইটের আগে, ভেতরে এবং নামার পরও পাইলটের আচরণ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। দিল্লিতে অবতরণের পর পাইলট সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারেননি। এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর একটি তদন্তকারী তাকে সতর্ক করে জানান যে, সিসিটিভি-র মাধ্যমে তার ওপর নজর রাখা হচ্ছে। এরপরও পাইলটকে বসানোর জন্য সাহায্য করতে হয়েছিল। এমনকি প্রস্রাবের নমুনা জমা দেওয়ার সময়ও পাইলটকে শারীরিকভাবে সাহায্য করতে হয়েছিল।
একটি সূত্র জানিয়েছে যে, অন্তত একজন কেবিন ক্রু পাইলটের বিরুদ্ধে মারিজুয়ানা সেবনের অভিযোগ এনে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
গত ৪ আগস্ট এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইট ১৩৭ জন যাত্রী ও ৮ জন ক্রু নিয়ে ফুকেট থেকে দিল্লি ফিরছিল। ওই সময় ওড়িশার আকাশসীমায় বিমানটি ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। ঘটনার সময় বিমানের প্রধান পাইলট তার আসনে ছিলেন না, এর দায়িত্বে ছিলেন কো-পাইলট।
বিমানটি তীব্র গতিতে নিচে নামার সময় ভেতরে ঋণাত্মক মাধ্যাকর্ষণ তৈরি হয়। ফলে ককপিটের জিনিসপত্র এবং সিটবেল্ট না বাঁধা যাত্রীরা শূন্যে ভেসে ওঠেন। এআই২৩৭৯ ফ্লাইটের সেই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ২০ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু আহত হয়েছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফ্লাইটের একজন যাত্রী পাইলটের সম্পর্কে বলেন, ‘আমার ভাই এবং আমি ফ্লাইটে ওঠার শেষ যাত্রী ছিলাম। পাইলটও আমাদের সঙ্গে ফ্লাইটে উঠেছিলেন। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছিলাম এবং জিজ্ঞেস করেছিলাম ফ্লাইটটি সঠিক সময়ে আছে কি না। তিনি উত্তর দিতে অনেক সময় নিচ্ছিলেন এবং তার চোখ ছিল লাল। আমি আমার ভাইকে বললাম, তাকে নেশাগ্রস্ত মনে হচ্ছে। পরে যা ঘটেছিল, তা সবাই জানেন।’
যখন ফ্লাইটটি হঠাৎ উচ্চতা হারাচ্ছিল, সেই সময়গুলোর বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর দুই ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। সকালের নাশতার পর সবাই বিশ্রামে ছিল। আমি ও আমার ভাই একসঙ্গে বসে ছিলাম। হঠাৎ একটা প্রচণ্ড শব্দ শুনলাম, যেন একটি ফাইটার জেটের মতো। অতঃপর, দেখলাম আমার ভাই তিন থেকে চারবার ছাদের সঙ্গে বাড়ি খেল। চারপাশে সব জিনিস উড়ে যাচ্ছে। যাত্রীরা রক্তাক্ত হচ্ছিল, চিৎকার করছিল, কান্নাকাটি করে সাহায্য চাইছিল এবং পাইলটকে থামাতে বলছিল।’
পাইলটের আচরণের ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এটা আমার জীবনের প্রথম কোনো পাইলটের বিষয় যেখানে ককপিট থেকে বের হয়ে গিয়ে যাত্রীদের নির্দেশ দিচ্ছেন যে ভিডিও রেকর্ড করা ঠিক হবে না। তার স্পষ্ট বক্তব্য ছিল- তিলকে তাল করবেন না। আমরা তখন জীবন-মরণের মাঝখানে ছিলাম; তার মাথায় এমন কিছু ভিডিও রেকর্ড করার বিষয় নিয়ে কত ভাবনা থাকবে? যাত্রীদের নিরাপত্তা কিংবা চিকিৎসা তার মাথায় ছিল না। তিনি শুধু দিল্লিতে ল্যান্ড করার বিষয়ে চিন্তা করেছিলেন, যাতে কোনো প্রশ্নের মুখোমুখি না হতে হয়।’
অবশ্য অভিযুক্ত পাইলট মাদক সেবনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তবে ঘুমের সমস্যায় ঔষধ সেবনের কথা জানিয়েছেন। এক ফ্লাইট সেফটি বিবৃতিতে পাইলট বলেছেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে আমি আগের কিছু সময় ধরে ঘুমের সমস্যায় ভুগছিলাম, যার জন্য ডাক্তার আমাকে ঔষধ দিয়েছিলেন।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ’আমি যাত্রাবিরতির সময় ঘুমানোর চেষ্টা করেছিলাম; কিন্তু সহজে ঘুম আসছিল না।’
তিনি জানান, ’ডিউটি রোস্টারটি আইনিভাবে নির্ধারিত বিশ্রামের সীমার মধ্যে থাকলেও, এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যা দিনের বেলার প্রাপ্য বিশ্রামের সময় কমিয়ে দিয়েছিল।’
ভারতের এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো এবং ফ্রান্সের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত সংস্থা মিলে এয়ারবাসের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনার তদন্ত করছে। তদন্ত চলাকালীন, পাইলট ও কো-পাইলটকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ