ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাস্পিয়ান সাগর কি নতুন যুদ্ধক্ষেত্র হতে যাচ্ছে?


কাস্পিয়ান সাগর কি নতুন যুদ্ধক্ষেত্র হতে যাচ্ছে?

কাস্পিয়ান সাগরে সম্প্রতি একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলা সৃষ্টি করেছে মারাত্মক ঝুঁকি যা মধ্যপ্রাচ্য-পূর্ব ইউরোপের যুদ্ধকে একসূত্রে গেঁথে ফেলেছে। এই ঘটনার পর, ২৫ জুলাই কেবল এক তরুণ নাবিকের প্রাণই কেড়ে নেওয়া হয়নি বরং এটি ইরান-ইউক্রেন সম্পর্ককে এক অভূতপূর্ব সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বহির্বিশ্বের জন্য এটি অবশ্যই শঙ্কার কারণ, কারণ সংঘাতের সীমান্ত কেবল মধ্যপ্রাচ্যের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

নিহত তরুণ ইরানি নাবিকের নাম হচ্ছে নিমা মোরাদি, যিনি মাত্র ২৩ বছর বয়সী ছিলেন। তিনি উত্তর ইরানের বন্দর নগরী বান্দারে আনজালি থেকে এসেছিলেন এবং শৈশব থেকেই নাবিক হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। আয়রন আকরিক বোঝাই 'আনা' নামক জাহাজে রাশিয়া থেকে ইরানে ফেরার প্রক্রিয়ায় ইউক্রেনীয় দূরপাল্লার ড্রোনের আঘাতের ফলে নিমা নিহত হন, আর জাহাজের অন্য একজন কর্মী গুরুতর আহত হন। নিমার এই অকাল প্রয়াণের জন্য আজ তার পরিবার এবং পুরো ইরানি সমাজ গভীর শোকে নিমজ্জিত।

ঘটনার পরপরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছিলেন, ইউক্রেনের এই পদক্ষেপ হচ্ছে জাতিসংঘের সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি অভিযোগ করেন, এই আঘাত ইউরোপকে যুদ্ধের দিকে টেনে আনতে ইসরায়েলের উসকানির ফলস্বরূপ হয়েছে। অন্যদিকে, এই হামলা নিয়ে তেল আবিব এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না করায়, ঘটনাটির পেছনে থাকা ভূ-রাজনৈতিক চাল সম্পর্কে সংশয় বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন

প্রথমত, ইরান এই হামলার উপর অত্যন্ত কঠোর সামরিক জবাব দেয়ার পরিকল্পনা করছিল ইউক্রেনের তিনটি লক্ষ্যবস্তুতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের প্রস্তুতি নিতে। তবে পরে কিয়েভের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশের পর এবং তেহরানের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে। কিন্তু বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, ইরানের এই নীরবতা বা নমনীয়তা স্থায়ী নয় বরং তেহরান নতুন কোনো ফাঁদে না পড়ার জন্য এখন সময় নিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতকে একত্রিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইউক্রেন দীর্ঘকাল ধরে রাশিয়া ও ইরানকে একই অক্ষের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাচ্ছে। তালিকাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়াশিংটনের নজর এবং সামরিক সম্পদ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে চলে যাওয়া, ফলে কিয়েভ সামরিক ও অর্থনৈতিক ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে। তাই ইউক্রেনীয় নীতি নির্ধারকরা মনে করছেন যে, ইরানকে এই সংঘাতে টেনে নিলে আমেরিকার সমর্থন ইউক্রেনের দিকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

ইউক্রেনীয় এই কৌশলের মাধ্যমে ইসরায়েলও সরাসরি লাভবান হতে পারে। এর ফলে মার্কিন-ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হবে এবং ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি এই যুদ্ধের অংশ হয়ে উঠবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ইসরায়েল বিশ্বজুড়ে তার ভাবমূর্তির সংকট কাটিয়ে উঠতে এই যুদ্ধকে নিজেদের সুরক্ষার পরিবর্তে ইউক্রেনকে রক্ষার যুদ্ধ হিসেবে বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপন করার সুবর্ণ সুযোগ পেতে যাচ্ছে।

ঐতিহাসিকভাবে, ইরান ও রাশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক সবসময় সহজ ছিল না। ঊনবিংশ শতাব্দীতে অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি এবং বিংশ শতাব্দীর বৈশ্বিক টানাপোড়েনে দুটি দেশ একে অপরকে সন্দেহের চোখে দেখেছিল। ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পরও মস্কো ও তেহরানের নীতিগত দূরত্ব বজায় ছিল। তবে সময় ও দূরদর্শী রাজনীতির কারণে তা পরবর্তীতে কৌশলগত ও সামরিক অংশীদারিত্বে পরিণত হয়েছে। যৌথ প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর তাগিদ আজ রাশিয়া ও ইরানকে এক ছাতার নিচে এনে দাঁড় করিয়েছে।

আরও পড়ুন: ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন

কাস্পিয়ান সাগরের মতো সুরক্ষিত এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির অধীন একটি অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য মারাত্মক সতর্কবার্তা। এই পানিপথটি কেবল একটি সীমান্ত বা রুট নয় বরং রাশিয়া ও ইরানের জন্য বিশ্ব নিষেধাজ্ঞার ফাঁক গলে অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। ইউক্রেনীয় এই হামলার ফলে জানানো হচ্ছে যে, বৈশ্বিক অস্থিরতার মানচিত্র ক্রমাগত নতুন নতুন পানিপথ ও ভূখণ্ডে প্রসারিত হচ্ছে, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনলে বিশ্বব্যবস্থার জন্য দীর্ঘস্থায়ী বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেহেরপুরে মানব ও ট্যাংকবিধ্বংসী ৯৬ ল্যান্ডমাইন উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


মেহেরপুরে মানব ও ট্যাংকবিধ্বংসী ৯৬ ল্যান্ডমাইন উদ্ধার

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে মাটির নিচ থেকে সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ৯৬টি ল্যান্ডমাইন উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া এসব ল্যান্ডমাইনগুলোর মধ্যে ৭৯টি মানববিধ্বংসী এবং ১৭টি ট্যাংকবিধ্বংসী।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে যশোর সেনানিবাস থেকে আসা সেনাবাহিনীর ১৯ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ধাপে ধাপে মাটি খনন করে উদ্ধার করা ৯৬টি ল্যান্ডমাইন।

পুলিশ এবং বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বেতবাড়িয়া গ্রামের কৃষক কালু মালিথা গত শনিবার জমিতে কাজ করার সময় মাটির নিচে বিস্ফোরকসদৃশ একটি বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ এবং বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জমিটি ঘিরে রাখে।

নিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকায় দুই দিন ধরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পরবর্তীতে যশোর সেনানিবাস থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহিত ল্যান্ডমাইনগুলোর উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

ধাপে ধাপে মাটি খনন করে একটির পর একটি ৯৬টি ল্যান্ডমাইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সেনাবাহিনী সদস্যরা গ্রাম থেকে বেশ দূরে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। সেখানেই নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরনের মাধ্যমে ল্যান্ডমাইনগুলো ধ্বংস করা হয়। অভিযানে সেনাবাহিনীর মেজর তরিকুল ইসলাম নেতৃত্ব দেন।

গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক ল্যান্ডমাইন উদ্ধারের পর ঘটনাস্থল নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে রাখা হয়েছে। আশপাশে আর কোনো বিস্ফোরক রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এলাকা পর্যবেক্ষণ করছে।

এদিকে, একসাথে এত বিপুলসংখ্যক ল্যান্ডমাইন উদ্ধার হওয়ার ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এলাকাবাসীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে এসব বিস্ফোরক কিভাবে ওই জমিতে এলো এবং আশপাশে আরও মাইন রয়েছে কিনা। তাঁরা পুরো এলাকায় আরেকটি তল্লাশির দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-প্রধান এখন ঢাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-প্রধান এখন ঢাকায়

ভারতের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং ‘র’-এর প্রধান পরাগ জৈন বাংলাদেশ সরকারের সফরে ঢাকায় এসেছেন। এটি বাংলাদেশ ও ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পরাগ জৈন রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে চার সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

অনলাইন গণমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে পরাগ জৈন ঢাকায় এসেছেন। প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় একটি হোটেলে অবস্থান করবে। যদিও ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সফর নিয়ে বাংলাদেশ এবং ভারত—কোনো দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

পরাগ জৈন ভারতের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের (আরএডব্লিউ বা র) সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ বা এসপিজির স্পেশাল সেক্রেটারির দায়িত্বে রয়েছেন।

এই প্রতিনিধি দলে অশ্বীন মুকুন্দ কোটনিস, রাহুল নেগি ও শৈবাল রায় চৌধুরী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। ঢাকায় আসার আগে পরাগ জৈন চীন সফর করেছেন বলেও জানা গেছে। দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার মধ্যে পরাগ জৈনের সফরকে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সফরের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, আলোচনা বিষয়বস্তু অথবা বাংলাদেশের কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক তথ্য জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম সফরে সাধারণ মানুষের হৃদয় জয় করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


চট্টগ্রাম সফরে সাধারণ মানুষের হৃদয় জয় করলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর উপলক্ষ্যে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কিছু তোরণ নির্মাণ করেছিলেন। তবে আগের দিন রাতে পুলিশ সেগুলো খুলে ফেলে।

পুলিশ জানায় যে, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো অপ্রয়োজনীয় তোরণ, ব্যানার লাগানো যাবে না এবং অযথা খরচের দরকার নেই।’

বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী বাসসকে এই কথা জানান।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও নতুন বন্দোবস্তের কথা বলেন; তা যে কেবলই কথার কথা নয় তিনি বাস্তবেও প্রমাণ করে চলেছেন। এবারের চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী তাঁর স্বভাবসুলভ সাধারণ কিছু ঘটনায় মানুষের মধ্যে অবাক করে দিয়েছেন। পুরো বাঁশখালীর মানুষের মধ্যে দু’দিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়েই আলোচনা চলছে।’

বাহারছড়া সমুদ্র উপকূল সংলগ্ন এলাকার পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বন্যায় গৃহহারা একশ’ পরিবারকে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

গণমানুষের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতানুগতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চাবি তুলে দিয়েই দায় এড়াননি। তিনি ঘরগুলো কেমন হয়েছে এবং কাদের দেওয়া হচ্ছে—সেটিও নিজেই পর্যবেক্ষণ করেন।

অনুষ্ঠানস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরত্বে এক বিধবাকে উপহারের নতুন ঘর দেওয়া হয়েছে। সেই ঘরেও যান প্রধানমন্ত্রী। সরকারিভাবে নির্মিত ঘরটি ঘুরে দেখেন এবং যাকে ঘরটি দেওয়া হচ্ছে সেই নারী ও তার সন্তানদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন। ওই নারীর স্বামী মারা গেছেন দুই বছর আগে। তাদের চার মেয়ে ও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। পরিবারের সবার খোঁজখবর নেওয়ার পর সেই ভিটাতে একটি গাছ লাগান প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য নির্মিত ঘর সরেজমিনে পরিদর্শন এবং সাধারণ মানুষের মতো করে সবার খোঁজ নেওয়া—প্রধানমন্ত্রীর এসব কর্মকাণ্ডে ওই বিধবা নারী তো বটেই, পুরো বাঁশখালীর মানুষই অবাক বনে যান।

ঘর পাওয়া নারী জানান, ‘সরকার ঘর করে দিয়েছে সেটা তো জানতাম কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নিজে আমার ঘরে এসে কথা বলবেন এটা ভাবতেই পারিনি, স্বপ্নের মতো লাগছে। আমরা সবাই অবাক হয়ে গেছি, আল্লাহ তাকে রহমত দান করুন।’

বাহারছড়ার দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা প্রবীণ কৃষক শামসুল আলম বলেন, ‘আমি জিয়াউর রহমানকে দেখেছি, বেগম খালেদা জিয়াকে দেখেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেককেও দেখতে এলাম। জিয়া পরিবারের সবাইকে আমার খুব পছন্দ।’

স্থানীয়রা বিএনপি নেতৃবৃন্দ জানান, বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর পৌঁছার কথা ছিল বেলা সাড়ে ১২টায়। কিন্তু সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুরো এলাকা লোকে লোকারণ হয়ে যায়। আশপাশের উপকূলীয় ইউনিয়নগুলো থেকে পায়ে হেঁটে এবং অন্যান্য ইউনিয়ন থেকে যানবাহনে চড়ে হাজার হাজার মানুষ স্কুল মাঠে জড়ো হন তারেক রহমানকে এক পলক দেখার জন্য।

তিনি আরও জানান, সকাল থেকে তীব্র গরম উপেক্ষা করে সবাই প্রধানমন্ত্রীর আগমনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। দলের উদ্যোগে বাঁশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৮০টি বাসে করে নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বাঁশখালী থেকে অনুষ্ঠান শেষ করে ফটিকছড়িতে যান। সেখানে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল পুরো এলাকা। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে ফটিকছড়ি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’পাশে এবং পেলাগাজী দিঘির সিএন্ডবি মাঠ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন হাজারো মানুষ। মানুষের চাপ সামলাতে নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হিমশিম খেতে হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে এক পলক দেখার আশায় সড়কের দু’পাশে ঘরের চালা এবং গাছের উপর উঠে পড়েছে অনেক মানুষ। তারেক রহমানের গাড়িবহর সড়ক অতিক্রম করার সময় প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি দেখার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

হেফাজতে ইসলামের আমিরের সাথে সাক্ষাৎ শেষে যখন প্রধানমন্ত্রী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভাস্থলে যাচ্ছিলেন তখন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অন্যরকম উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন। প্রধানমন্ত্রী কাছে গিয়ে তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

ফটিকছড়ি থেকে প্রধানমন্ত্রী হাটহাজারীতে গিয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি নির্মাণে সহায়তা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিশেষ সহায়তার অর্থ তুলে দেন। সেখানেও প্রধানমন্ত্রী তাঁর স্বভাবসুলভ সরলতায় সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যান। তিনি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সাথে আলাদাভাবে কুশল বিনিময় করে তাদের উৎসাহ প্রদান করেন।

সন্ধ্যায় তারেক রহমান চট্টগ্রাম নগরীর হোটেল রেডিসন ব্লু’র সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রামের তিনটির সাংগঠনিক ইউনিটের বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে সাংগঠনিক সভা করেন। সেখানে তিনি তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে আশার আলো ছড়িয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দেন এবং দলের দুর্নাম হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

সাংগঠনিক সভায় অংশ নেওয়া চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বাসস’কে জানান, ‘আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনেক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে বলেছেন এবং দল ও দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে কাছে ডেকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছেন এবং কুশল বিনিময় করেছেন। দলের একজন সামান্য নেতাকে তিনি যেভাবে সম্মান দিয়েছেন তাতে আমি বিমোহিত।’

একই প্রসঙ্গে তারেক রহমান রাজনৈতিক দর্শনচর্চা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আলমগীর নূর বলেন, ‘তারেক রহমান তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা করায় আমরা সবাই উজ্জীবিত। তাঁর সাথে ব্যক্তিগত সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছে। আমি তাকে নাম বলার সাথে সাথে হাত বাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছি এবং আমার সংগঠনের প্রকাশিত কয়েকটি প্রকাশনা সাদরে গ্রহণ করেছেন। এটা আমার রাজনৈতিক জীবনের বড় প্রাপ্তি।’

প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য এবং ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বাসস’কে বলেন, ‘সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার অসাধারণ গুণে গুণান্বিত আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমি ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রসা থেকে শুরু করে হাটহাজারীর প্রোগ্রাম এবং চট্টগ্রাম নগরীর প্রোগ্রামে সার্বক্ষণিক ছিলাম। তিনি যেখানেই গেছেন, তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রাণোচ্ছ্বাস ছিল অতুলনীয়। প্রধানমন্ত্রী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সাথে যেমন মিশে গেছেন, তেমনি হাটহাজারীতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রত্যেকের সাথে কথা বলেছেন। যারা তার সংস্পর্শে এসেছেন, তারা সবাই অবাক হয়ে গেছেন।’

সাংগঠনিক সভায় চট্টগ্রাম বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং দলের মূল কাঠামোর সঙ্গে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে সমন্বয় করে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি সবাইকে ‘একই পরিবারের সদস্য’ হিসেবে বর্ণনা করে পরস্পরের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকারও নির্দেশনাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভ্রান্তি ও নানা ধরনের গুজবে কান না দিতে নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছেন। সভায় অংশ নেওয়া একাধিক তৃণমূল নেতাকর্মী এসব তথ্য জানিয়েছেন।

গতকাল (রোববার) রাত সোয়া ৮ থেকে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সাংগঠনিক সভায় এসব নির্দেশনা দেন তিনি। সরকার গঠনের পর চট্টগ্রামের নেতাদের সাথে এটিই ছিল বিএনপির চেয়ারম্যানের প্রথম সাংগঠনিক সভা।

সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা জানান, তারেক রহমান দলের নেতাকর্মীদের পারস্পরিক দূরত্ব ও বিভাজন এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বিশেষ করে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে মূল বিএনপির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি। দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে পরস্পরের সহযোগী হিসেবে কাজ করার কথা বলেন।

সরকারের কার্যক্রমকে নিজেদের দায়িত্ব হিসেবে দেখার জন্য উপস্থিত সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সভায় উপস্থিত এক নেতা বলেন, ‘দলের চেয়ারম্যানের বক্তব্যের মূল বার্তা ছিল ঐক্য। তিনি সবাইকে মনে করিয়ে দেন, সরকার পরিচালনার পাশাপাশি সংগঠনকেও শক্তিশালী করতে হবে। সেজন্য নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় থাকতে হবে।’

এছাড়াও সরকারের কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিষয়েও নেতাদের সতর্ক করেছেন তারেক রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়ানো তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস বা প্রচার না করতে নেতাকর্মীদের পরামর্শ দেন।

কোনো গুজব বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় দলের নেতাকর্মীরা যেন জড়িয়ে না পড়েন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড নিয়ে জনগণের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাসের অঙ্গীকারে ঢাবিতে ছাত্রদলের শোভাযাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ পি.এম


নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাসের অঙ্গীকারে ঢাবিতে ছাত্রদলের শোভাযাত্রা

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : নিরাপদ এবং পরিচ্ছন্ন, জ্ঞানচর্চার উপযোগী ক্যাম্পাস নির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে টিএসসির সড়কদ্বীপে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের খেলার মাঠ থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। এতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স নেতৃত্ব দেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভিসি চত্বর এবং রাজু ভাস্কর্য ঘুরে টিএসসির সড়কদ্বীপে শোভাযাত্রাটি শেষ হয়।

সেখানে আয়োজন করা সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স বলেন, ‘নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন এবং জ্ঞানচর্চার ক্যাম্পাস নির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে আমরা এই শোভাযাত্রা করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ, গণতন্ত্র, জ্ঞান এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার পরিবেশ গড়ে তুলতে আমাদের সকলকেই সচেষ্ট হতে হবে। প্রাণ-প্রকৃতি এবং ক্যাম্পাসের পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে টিম ওয়ার্ক পরিচালনা করা হয়েছে।

ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন শহরে জলাবদ্ধতার জন্য প্লাস্টিক বর্জ্য এবং যত্রতত্র ময়লা ফেলার প্রবণতাকে তিনি দায়ী করেন। তিনি বলেন, ব্যবহারের পর প্লাস্টিকের কাপ, চিপসের প্যাকেটসহ বিভিন্ন প্লাস্টিক পণ্য যেখানে-সেখানে ফেলে দেওয়ার কারণে ড্রেনেজ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রিন্স বলেন, ‘আমাদের নিজেদের ক্যাম্পাস আমাদের নিজে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।’ তিনি একই সঙ্গে সকলকে একটি সুন্দর, সবুজ, পরিচ্ছন্ন এবং নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ক্যাম্পাস থেকেই সচেতনতা তৈরি করতে হবে। এ সময় তিনি দলটির পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দময়, উৎপাদনমুখী, কর্মমুখী এবং জীবনমুখী শিক্ষার পরিবেশ তৈরির গুরুত্ব আরোপ করেন।

পরে পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ এবং প্রাণ-প্রকৃতি সংরক্ষণ, শক্তি ও পানি সাশ্রয় এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য নিশ্চিতে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচিতে ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কলেজ ইউনিটের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%