শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৫ পি.এম
শিল্প ও সংস্কৃতি চর্চাই আমাদের লক্ষ্য’ এবং ‘সংস্কৃতি একটি জাতির অতীত ও ভবিষ্যতের কথা বলে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মাদকবিরোধী আলোচনাসভা, গুণীজন সম্মাননা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা-২০২৬ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজধানীর কচিকাঁচার মেলা মিলনায়তনে সোনার বাংলা সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম মোজাম্মেল হক। কল্পনা মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জুয়েল হালদারের সভাপতিত্বে এবং সোনার বাংলা সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিন্স সোহাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি মীর হাসমত আলী।
আলোচনাসভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে কেবল আইনি পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়; এর জন্য প্রয়োজন জোরালো পারিবারিক সচেতনতা এবং সুস্থ বিনোদন ও সাংস্কৃতিক চর্চা। তাঁরা তরুণদের ইতিবাচক পথে পরিচালিত করতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক যুগ্ম বার্তা সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আব্দুল বারী এবং সারা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিপণন পরিচালক শেখ মো. শাহ কামাল (শ্যামল)।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সমাজকল্যাণ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, ব্যবসা ও মানবসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘সোনার বাংলা সম্মাননা-২০২৬’ প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি বিচারপতি মীর হাসমত আলী সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) ও সনদপত্র তুলে দেন।
সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ তাঁদের প্রতিক্রিয়ায় জানান, এ ধরনের স্বীকৃতি তাঁদের ভবিষ্যৎ সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে আরো অনুপ্রেরণা জোগাবে।
আলোচনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সংগঠনের শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক নান্দনিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিল্পকলা একাডেমিতে ৮ বিভাগব্যাপী ‘কবীর-লালন ভাবসংগীত উৎসব’ শুরু হলো, যা লালন বিশ্বসংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফকির লালন শাহের বাণী ‘ভক্ত কবীর জাতে জোলা প্রেমভক্তিতে মাতোয়ালা, ধরেছে সে ব্রজের কালা দিয়ে সর্বস্ব ধন তাই’-এই শিরোনামকে কেন্দ্র করে উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির মাঠে উৎসবের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমান। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এই উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
অনুষ্ঠানে কবীর-লালন বিষয়ক বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রিয়াঙ্কা গোপ, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক ড. আহসানুল হাদী।
উৎসবের শুরুতে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন লালন বিশ্বসংঘের প্রধান নির্বাহী ও কবীর-লালন গবেষক আবদেল মাননান।
দ্বিতীয় পর্বে কবীর-লালনের সংগীত পরিবেশন করেন মৌলভীবাজার জেলা থেকে আগত কবীরপন্থী সম্প্রদায়, ঢাকার রবিদাসপন্থী সম্প্রদায়, নানকপন্থী শিখ সম্প্রদায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগ এবং কবীর-লালন মিউজিক্যাল মিশনের শিল্পীরা।
এই উৎসব আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঘুরতে গিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবপ্রবাসী স্বামী ইয়াছিন আহমেদের মৃত্যুর এক মাস পর মারা গেলেন তাঁর স্ত্রী তুলি বেগম (২১)। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এর আগে গত ১২ আগস্ট বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার তিতাস নদীর তীরবর্তী ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকা থেকে ঘুরে ফেরার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মালিহাতা এলাকায় একটি ট্রাকের সঙ্গে তাঁদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ইয়াছিন আহমেদ (২৭) ও তাঁর স্ত্রী তুলি বেগম গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই ইয়াছিন আহমেদের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত তুলি বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। প্রায় এক মাস বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইয়াছিন আহমেদ প্রায় ১৭ মাস আগে সৌদি আরব যান। ২৪শে জুলাই দেশে আসেন তিনি। সেখানে তিনি ফুড ডেলিভারির কাজ করতেন। প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর আগে তুলি বেগমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের আলিফ নামে দুই বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
তুলির বোন মিতালি মিতু জানান, দুর্ঘটনার পর তুলি ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সর্বশেষ নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুরে তিনি মারা যান।
নিহত ইয়াছিন আহমেদ ভৈরব শহরের কমলপুর মুসলিমের মোড় এলাকার পূবালী ব্যাংক ভবনের মালিক প্রয়াত বাক্কী মিয়ার ছেলে। তাঁর স্ত্রী তুলি বেগম একই শহরের স্টেডিয়াম মোড় এলাকার আক্তার হোসেনের মেয়ে।
শুক্রবার বাদ এশা কমলপুর মাদরাসা মাঠে তুলি বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কমলপুর কবরস্থানে তাঁর স্বামী ইয়াছিন আহমেদের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
এক মাসের ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর এমন মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার সময় নদীতীর ধসে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মো. রাকিবের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় নিখোঁজ থাকা বিজিবি সদস্য মো. আমজাদ এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোলার ইলিশা নৌথানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান। এর আগে, সকাল ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মেঘনা নদীর তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেলে রাকিবের পরিবারের সদস্যরা গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন।
রাকিব শিবপুর ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজারসংলগ্ন সর্দার বাড়ির মো. বাবুলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলারখাল মাছঘাটসংলগ্ন মেঘনার তীরে রাকিব, আমজাদসহ পাঁচ বন্ধু আড্ডা দিচ্ছিলেন। একপর্যায়ে নদীতীর ধসে জিওব্যাগসহ একটি অংশ নদীতে তলিয়ে যায়। এ সময় পাঁচজনই খরস্রোতা মেঘনায় পড়ে যান। তাদের মধ্যে ফাহিম, সাগর ও শাওন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও রাকিব ও আমজাদ নিখোঁজ হয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধারে নদীতে তল্লাশি চালান। খবর পেয়ে ভোলা সদর উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, সদর মডেল থানা পুলিশ ও নৌপুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে সেদিন তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ইলিশা নৌথানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় জেলেরা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়দের জানান। পরে নৌপুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
খবর পেয়ে রাকিবের স্বজনরা রামগতিতে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফি ক্লাবের (বিআরইউপিসি) প্রথম আনুষ্ঠানিক কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আবুল খায়ের জায়ীদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সিবগাতুল্লাহ মোহাইমিন নীলাদ্র
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) আগামী এক বছরের (২০২৬-২৭) জন্য ৩০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি প্রকাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো: ইলিয়াস প্রামানিক, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তুহিন ওয়াদুদ, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. খাইরুল ইসলাম এবং জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের ফটোগ্রাফার এস এন শাহ্ নেওয়াজ কবিরের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি প্রকাশ করা হয়।
কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মেহরাব সিয়াম, আজিজুর রহমান, শাহনেওয়াজ সিয়াম, মো. মাহফুজুর রহমান, ইবতেশাম রহমান সায়নাভ, রাকিবুল হাসান, তাউসির আহমেদ, নাজমুল ইসলাম ও মো. নেজাজ আহমেদ।
এ ছাড়া সাজ্জাদুর রহমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মাসফিকুল হাসান ও মো. শৌরভ মিয়া সাংগঠনিক সম্পাদক, শেখ সাদ অর্ণব দপ্তর সম্পাদক এবং গোলদার কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে ইউনুচ রাতুল, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে আমিন প্রামাণিক ও মারুম্নফুজ্জামান রাতুল দায়িত্ব পেয়েছেন।
নারী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কামরুন নাহার রাতুল ও জাকিয়া সুলতানা মাওয়া, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা সম্পাদক হিসেবে প্রান্ত কুমার দাস ও মো. রেজাউল কবির এবং গবেষণা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মো. ওয়াসিম আকরাম খান ও মো. মেহেদী হাসান অনিক দায়িত্ব পেয়েছেন।
কমিটিতে নির্বাহী সদস্য হিসেবে রাকিবুল ইসলাম রিয়াদ, নিহাদুল ইসলাম রিমন, নীরব রায়, খালেদ মাহমুদ সালেহীন ও মো. হাসানুর রহমান রয়েছেন।
ক্লাবটির ২০২৪ সালে যাত্রা শুরু হলেও এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি প্রকাশ করা হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফটোগ্রাফি চর্চা, সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বিকাশে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
নবগঠিত ফটোগ্রাফি ক্লাবের সভাপতি মো. আবুল খায়ের জায়ীদ বলেন, “বেরোবি ফটোগ্রাফিক ক্লাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও ফটোগ্রাফি দক্ষতা বিকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, ফটোওয়াক ও বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে কাজ করব। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক কার্যক্রম ও সৌন্দর্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।”
সাধারণ সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ মোহাইমিন নীলাদ্র বলেন, “নতুন কমিটির মাধ্যমে ক্লাবের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করার চেষ্টা থাকবে। ফটোগ্রাফিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য শেখার সুযোগ তৈরি করা, অভিজ্ঞদের সঙ্গে নবীনদের সংযোগ ঘটানো এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে আমরা কাজ করব। সবার অংশগ্রহণে ক্লাবটিকে একটি প্রাণবন্ত ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে এগিয়ে নিতে চাই।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ