০৪:০৭ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন ও বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের যৌথ উদ্যোগে থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে সচেতনতামূলক সেশন, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং দিনব্যাপী স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের মেন্টর ড. মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদান ও রক্ত সংগ্রহের মতো মানবিক কার্যক্রম তেমনই একটি মহৎ কাজ। যারা নিঃস্বার্থভাবে এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তারা সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি আরও বলেন, সমাজ পরিবর্তনের জন্য অনেক মানুষের প্রয়োজন হয় না, কার্যকর ও দায়িত্বশীল অল্পসংখ্যক মানুষও ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে পারেন। তাই এ ধরনের মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সংগঠনগুলোকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের পেছনে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তি ও সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান আলোচক ড. মল্লিকা রহমান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার নাবিলা হাসান এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রতিনিধি পিউস সাহা।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রমের পাশাপাশি থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে সচেতনতামূলক সেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। কুইজ প্রতিযোগিতায় সেরা পাঁচজন বিজয়ীকে বিশেষ পুরস্কার ও শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
স্বেচ্ছায় রক্তদানকারী ব্যক্তিদের জন্য কর্মসূচিতে বিনামূল্যে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সংক্রামক ব্যাধির পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ছিল হেপাটাইটিস-বি, অ্যান্টি-এইচবিসিএবি, হেপাটাইটিস-সি, এইচআইভি, সিফিলিস ও ম্যালেরিয়া।
এছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তাদের জন্য পৃথক ও নিরাপদ রক্তদানের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের পাথরঘাটা এলাকার মিরিন্ডা লেইন, বান্ডেল রোড ও ব্রিকফিল্ড রোডে ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই তথ্য চসিকের জনসংযোগ বিভাগ প্রকাশ করেছে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা।
অভিযানের সময় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে বেকারি পণ্য এবং হোটেলের খাবার প্রস্তুত করা, মেয়াদবিহীন ও লেভেল বিহীন পণ্য বিক্রি করা, কাঁচা ও রান্না করা খাবার একসাথে ফ্রিজে রাখা, খাদ্য পণ্যে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা এবং দোকানের সামনে ময়লা আবর্জনা স্তূপ করে রাখার কারণে বান্ডেল রোডের মিশুক রেস্তোরাঁ অ্যান্ড বিরিয়ানি হাউসকে ২০ হাজার টাকা, মিরিন্ডা লেইনের চট্টলা হোটেল অ্যান্ড সুইটসকে ১০ হাজার টাকা এবং ব্রিকফিল্ড রোডের টেস্টি বেকারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা ম্যাজিস্ট্রেটকে সহায়তা প্রদান করেন। জনস্বার্থে চসিকের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের দাপ্তরিক ব্যয়ের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।
শিবিরের সভাপতি মোজাহিদ ফয়সাল জানিয়েছেন, সালাহউদ্দিন আম্মার শিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিত না হওয়ার কারণে সংগঠন তার ব্যয়ের দায় নিতে রাজি নয়। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।
মোজাহিদ ফয়সাল বলেন, জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার যাতায়াত ও আপ্যায়ন বাবদ দাপ্তরিক খাতে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয় দেখিয়েছেন। কিন্তু, এ খাতে এত টাকা ব্যয় হওয়া বাস্তবসম্মত নয়। তার বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে মনে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শিবির-সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের প্যানেল থেকে নির্বাচিত রাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব ও জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংস্কৃতিবিষয়ক, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ, মিডিয়া ও প্রকাশনা, তথ্য ও গবেষণা, মহিলাবিষয়ক এবং সাহিত্য ও বিতর্ক—এই ছয়টি দপ্তর মিলিয়ে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৬ হাজার টাকা।
শিবির সভাপতি আরও উল্লেখ করেন, অন্যান্য দপ্তরগুলোর ক্ষেত্রে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার বেশি ব্যয় হওয়ার কথা নয়। সালাহউদ্দিন আম্মার শিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিত নন। সুতরাং, তার ব্যয়ের বিষয়ে সামগ্রিকভাবে শিবিরের কোনো দায়বদ্ধতা নেই।
এর আগে, রাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয় শাখা শিবির। তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করা, অনাবাসিক ভাতা চালু, পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেন্টার নির্মাণ এবং সিনেট কার্যকর করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ২০২৬ থেকে ২০৭৫ সাল পর্যন্ত ৫০ বছরের একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি প্রতিনিধিদের (সিআর) সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগের সেমিনার কক্ষে এই মতবিনিময় সভাটি আয়োজন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ও একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান ফরমুলেশন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান।
সভাপতির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা শুধুমাত্র অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা, যুগোপযোগী কারিকুলাম, গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব একাডেমিক পরিবেশ। তিনি বলেন, আগামী ৫০ বছরে মাভাবিপ্রবিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের, গবেষণানির্ভর ও আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এই একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ পরিকল্পনায় শিক্ষার্থীদের মতামত ও প্রত্যাশাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের শিক্ষক, গবেষক, উদ্যোক্তা ও নেতৃত্বের অংশ হবে। তাই তাদের অভিজ্ঞতা, প্রয়োজন ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা সম্পর্কে জানা ছাড়া একটি কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত, সময়োপযোগী ও ভবিষ্যতমুখী মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করতে চাই। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি তাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক বিকাশকেও তিনি গুরুত্ব দিতে চান।
মাস্টার প্ল্যান ফরমুলেশন কমিটির এক্সপার্ট সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ এবং কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন মো. তারিক একাডেমিক মাস্টার প্ল্যানের খসড়া সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন।
এছাড়া মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে প্রণীত ২০২৬-২০৭৫ মেয়াদের ৫০ বছরের একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান মাভাবিপ্রবির শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি একটি টেকসই, আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অতিথিবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মাভাবিপ্রবির বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মহিউদ্দিন, সদস্য-সচিব বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সিআরবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ