০৭:২০ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে চালিয়ে দুই মাদক কারবারীসহ ১৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর ডিবি ও শাহমখদুম থানা পুলিশ।
শনিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নগরীর রাজপাড়া থানার সিএন্ডবি মোড় এলাকা থেকে আট পিস ইয়াবাসহ মুন্না (৩৬) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এদিন দক্ষিণ নওদাপাড়া সিটির হাট থেকে ডাবতলা রোড এলাকা থেকে চার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ জুলফিকার আকসান আকাশকে (২৪) গ্রেপ্তার করে শাহমখদুম থানা পুলিশ।
এদিকে, নগরীর বিভিন্ন থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ছয়জন, মাদক মামলায় দুজন এবং অন্যান্য মামলায় তিনজনসহ মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে।
শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাদক মামলায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক আসামি মোঃ আতিকুর রহমানকে (৫৯) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে নাগরপুর উপজেলার জাঙ্গালিয়া ভোর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আতিকুর রহমান নাগরপুর উপজেলার গুদামপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল ছালামের ছেলে।
এসআরবি-১৪-এর প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারার ১(ক) উপধারায় তাঁর বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় মামলা করা হয়েছিল। ওই মামলার বিচার শেষে বিজ্ঞ আদালত তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে সাজা পরোয়ানা জারির পর থেকে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।
প্রেস রিলিজে আরও জানানো হয়, গোপন তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারের পর আতিকুর রহমানকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাগরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, আওয়ামী লীগের সঙ্গে কথিত ‘আঁতাত’ এবং ক্ষমা করে দেওয়ার অভিযোগকে সরাসরি রাজনৈতিক অপপ্রচার ও অসত্য বলে অভিহিত করেছেন। তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করার বিষয়ে তিনি কোনো ফোরামে কথা বলেননি; বরং যদি কেউ প্রমাণ দিতে পারে, তাহলে তিনি জাতির কাছে ক্ষমা চাইবেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া বক্তব্যের প্রমাণও দাবি করেছেন তিনি।
শনিবার মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির এসব মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রীকে ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিরোধী দলের প্রতি এভাবে ইঙ্গিত না করে উনি খোলাসা করে বলুন। আমরা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছি—কোথায়, কখন, কার সাথে, কীভাবে আঁতাত হয়েছে তা প্রমাণ করুন। প্রধানমন্ত্রী হয়ে তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এভাবে ঢালাও কথা বলা অন্যায়। সাহস থাকলে প্রমাণ উপস্থাপন করে আমাদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন।’
সীমান্ত দিয়ে টাকা ও অস্ত্র আসার অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, সরকার যদি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র, টাকা কিংবা মাদক প্রবেশ করতে দেয়, তবে সেই ব্যর্থতা সরকারেরই। তিনি মন্তব্য করেন, এমন ব্যর্থতার দায়ে সংশ্লিষ্টদের পদত্যাগ করা উচিত।
আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করার বিষয়ে ছড়ানো বিভ্রান্তির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘গত ১২ আগস্টের এক সংবাদ সম্মেলনে আমি বলেছিলাম—ব্যক্তিগতভাবে আমরা কারও ওপর প্রতিশোধ নেব না; তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা পরিবার যদি আইনের আশ্রয় নেয়, আমরা তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। অথচ একটি নির্দিষ্ট চ্যানেল আমার বক্তব্য বিকৃত করে ফটোকার্ড ছড়িয়ে দেয় যে জামায়াত আমির আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমার ওই ২২ মিনিটের গোটা বক্তব্যে একবারের জন্যও ‘আওয়ামী লীগ’ শব্দটি উচ্চারণ করিনি। আজও আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, কোনো গণমাধ্যম যদি দেখাতে পারে যে আমি আওয়ামী লীগ শব্দ উচ্চারণ করে তাদের ক্ষমা করার কথা বলেছি, তবে আমি নিজে ক্ষমা চাইব।’
অন্যদিকে, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের দিকে ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের ডিও লেটার দিয়ে পদ-পদবি ও পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। অথচ দোষ চাপানো হচ্ছে জামায়াতের ওপর। একে তিনি ‘ঠাকুরঘরে কে রে, আমি কলা খাই না’ প্রবাদের সঙ্গে তুলনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নৌবাহিনী খুলনা শিপইয়ার্ডে তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংক বা এলসিটি নির্মাণ করছে, যা উপকূলীয় এলাকা ও দ্বীপাঞ্চলে সেনাসদস্য এবং ভারী সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াবে। এর মধ্যে তৃতীয়টি, এলসিটি-১০৪, জলযাত্রা শুরু করেছে। এই জাহাজটি যুদ্ধকালীন অভিযানের পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলা, উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমেও ব্যবহৃত হবে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে খুলনা শিপইয়ার্ডে এলসিটি-১০৪-এর জলযাত্রার উদ্বোধন করেন সহকারী নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মাকসুদুল আলম। উদ্বোধন উপলক্ষে সাইরেনের শব্দের সঙ্গে ধীরে ধীরে জাহাজটি নদীতে নামানো হয়। নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে আগামী এপ্রিলের মধ্যে তিনটি এলসিটি নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
খুলনা শিপইয়ার্ডের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এলসিটি ৩৫০ জন সেনাসদস্য এবং ছয়টি ট্যাংক, ১২টি সাঁজোয়া যান অথবা ১৮টি সামরিক যান পরিবহনে সক্ষম। এসব জাহাজ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে উপকূলীয় এলাকা এবং দ্বীপাঞ্চলে সদস্য ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দেয়ার কাজে ব্যবহৃত হবে।
শান্তিকালেও এলসিটিগুলোর বহুমুখী ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। দুর্যোগকবলিত এলাকায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়া, উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, প্রশিক্ষণ এবং দুর্গম উপকূলীয় এলাকায় রসদ পরিবহনে জাহাজগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. আব্দুল লতিফ জানান, যুদ্ধকালীন ও শান্তিকালীন বিভিন্ন অভিযানের উপযোগী করে জাহাজটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব এলসিটি যুক্ত হলে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং সরঞ্জাম পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে।
এলসিটি-১০৪ কানাডীয় নকশায় তৈরি করা হয়েছে এবং নির্মাণে বিশেষায়িত এএইচ-৩৬ ইস্পাত ব্যবহার করা হয়েছে। জাহাজটিতে যুক্ত করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাটারপিলার ইঞ্জিন, পাশাপাশি রয়েছে পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানের জেনারেটর ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম।
সহকারী নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মাকসুদুল আলম আশা প্রকাশ করেছেন যে, দেশের শিপইয়ার্ডে এ ধরনের জাহাজ নির্মাণের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে আরও বড় ও অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ তৈরির পথ প্রশস্ত করবে। তিনি বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ, এই পথ ধরে ভবিষ্যতে আরও অত্যাধুনিক এবং বড় যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে খুলনা শিপইয়ার্ড এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ অতি শিগগিরই যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে বিশ্বে একটি মাইলফলক অর্জন করবে বলে আমি আশা রাখি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ