কাঠালিয়া সংবাদদাতা ফাতিমা আক্তার মিম
০৯:৪৯ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝালকাঠির ৪নং কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন ওলামা দলের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (০৫ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৪টায় কাঁঠালিয়া উপজেলা ওলামা দলের প্রধান কার্যালয়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৪নং কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন ওলামা দলের নেতা মাওলানা মোঃ আনোয়ার হোসেন। যৌথভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর ইউনিয়ন ওলামা দলের নেতা মাওলানা জাহিদুল ইসলাম এবং মোঃ নেয়ামত (শামীম)।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাঁঠালিয়া উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক কারী মোঃ নেয়ামত উল্লাহ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন:
মাওলানা ইসমাইল, সদস্য সচিব, কাঁঠালিয়া উপজেলা ওলামা দল
মোঃ বজলুর রহমান আকন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, কাঁঠালিয়া উপজেলা ওলামা দল
মাওলানা মিজানুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক, কাঁঠালিয়া উপজেলা ওলামা দল
মাওলানা মুফতি ফয়জুল্লাহ, নেতা, কাঁঠালিয়া উপজেলা ওলামা দল
আলোচনা সভা শেষে এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন কাঁঠালিয়া উপজেলা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা রুহুল আমিন।
মোনাজাতে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করা হয়। পাশাপাশি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং ২৪-এর গণ-আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। এছাড়া ঝালকাঠি-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা জনাব রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি-র সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত শেষ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরান সংঘাত এবং ইয়েমেনে সউদী-হুথি লড়াইয়ের ভবিষ্যত কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী শীর্ষ কর্মকর্তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের (Axios) তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্প ডেভিড রিসোর্টে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যার সভাপতিত্ব করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাথে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং হোয়াইট হাউসের শীর্ষ বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বৈঠক সম্পর্কে জানান, দীর্ঘ সময়ের আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্য সংকটের উপর গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং সার্বিক কৌশলগত দিকগুলো নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইউরোপ সফরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "আমরা নিয়মিতই দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা এবং এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। আমাদের দল হিসেবে একত্র হওয়ার এটি একটি সাধারণ প্রক্রিয়া ছিল। কোলাহল ও বিভ্রান্তিমুক্ত পরিবেশে কাজের সুযোগ পেতেই ক্যাম্প ডেভিডে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়"।
রুবিও আরও ব্যাখ্যা করেন, বিভিন্ন অংশীদার ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের একসূত্রে এনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (NSC) নিয়মিত কাজেরই একটি অংশ। সূত্র: এক্সিওস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক অনিয়মের শাস্তি নিয়ে কানাডার জাতীয় দলের কোচ জেসি মার্শ কঠোর মন্তব্য করেছেন। তিনি ২০২২ সালে মাত্র ৫২ মিলিয়ন পাউন্ডে (প্রায় ৬৬ মিলিয়ন ডলার) এরলিং হলান্ডকে দলে ভেড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ করে সিটির আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, সাবেক লিডস ইউনাইটেড কোচ হিসেবে।
সিটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের যে তদন্তে ক্লাবটি বড় ধরনের আর্থিক বিধিভঙ্গের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল, সেটি ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের সময়কালকে ঘিরে। তবে মার্শের দাবি, সিটির অনিয়ম নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে অনেক কিছুই আগে থেকেই ‘সবার জানা’ ছিল এবং তিনি মনে করেন যে তা পরবর্তী সময়েও চলেছে।
দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্শ বলেন, “আমার মনে হয়, ম্যানচেস্টার সিটির কঠোর শাস্তি পাওয়া উচিত। আমার মনে হয়, তাদের নিচের বিভাগে নামিয়ে দেওয়া উচিত। আর হ্যাঁ, সবাই এটা জানত। সবাই জানত।”
২০২২ সালের গ্রীষ্মের কথা উল্লেখ করে মার্শ বলেন, তখন লিডস ও সিটি ছিল এমন দল, যারা খেলোয়াড় বিক্রি করে অর্থ আয় করেছিল। লিডস রাফিনহা ও কালভিন ফিলিপসকে বিক্রি করে বড় অঙ্কের অর্থ পেয়েছিল। সেই তুলনায় সিটির হলান্ড কেনার মূল্য তাঁর কাছে অবাক করার মতো মনে হয়েছিল।
মার্শ বলেন, “যখন তারা বলল, তারা এরলিং হলান্ডকে ৫২ মিলিয়ন পাউন্ডে পেয়েছে, তখন আমি ভাবলাম—হ্যাঁ, ঠিক আছে! এটা যেন একটা রসিকতা। আমি বুঝতে পারছিলাম, হিসাবের মধ্যে অসঙ্গতি আছে। কিন্তু আপনি কীই-বা করতে পারেন? হাত তুলে বলতে হয়, ‘এটাই ফুটবল।’”
২০২২ সালে বিশ্বের অন্যতম সেরা তরুণ স্ট্রাইকার ছিলেন হলান্ড। ২১ বছর বয়সী এই নরওয়েজিয়ানকে নিয়ে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। সেই সময় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অ্যান্টনিকে প্রায় ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ডে এবং লিভারপুল দারউইন নুনিয়েজকে প্রায় একই অঙ্কে দলে নেয়। নিউক্যাসল ইউনাইটেড রিয়াল সোসিয়েদাদ থেকে আলেক্সান্ডার ইসাককে কিনেছিল প্রায় ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডে।
এর তুলনায় হলান্ডের জন্য সিটির ৫২ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করাটা তাই বেশ কম মনে হয়েছিল।
তবে এর পেছনে ছিল হলান্ডের চুক্তিতে থাকা রিলিজ ক্লজ। ২০২২ সালের গ্রীষ্মে সেই ধারা কার্যকর হলে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হাতে খেলোয়াড়কে ধরে রাখার সুযোগ কার্যত ছিল না। সিটি দ্রুত সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে হলান্ডকে দলে ভেড়ায়।
ডর্টমুন্ডের সাবেক নির্বাহী হান্স-ইয়োয়াখিম ভাটস্কে জানিয়েছিলেন, হলান্ডের চুক্তিতে রিলিজ ক্লজ না রাখলে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে চলে যেতে পারতেন।
এর এক বছর আগেই হলান্ডকে দলে ভেড়াতে চেয়েছিল চেলসি। জার্মান সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে তখন বলা হয়েছিল, চেলসি খেলোয়াড় অদলবদলের প্রস্তাবও দিয়েছিল। এমনকি হলান্ডের জন্য প্রায় ১৩৫ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত খরচ করতে প্রস্তুত ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।
তবে সিটির দেওয়া ৫২ মিলিয়ন পাউন্ডই হলান্ডকে দলে ভেড়ানোর সম্পূর্ণ খরচ ছিল না। ক্লাবটির ঘোষণার পর জানা যায়, এজেন্ট ফি, সাইনিং বোনাসসহ বিভিন্ন খরচ মিলিয়ে পুরো চুক্তির ব্যয় প্রায় ৮৫.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছাতে পারে।
তবে এসব অতিরিক্ত অর্থ ট্রান্সফার বাজারে অস্বাভাবিক কিছু নয়। সাধারণত খেলোয়াড়ের ট্রান্সফার ফি হিসেবে যে অঙ্কটি প্রকাশ করা হয়, সেখানে এজেন্ট ফি বা সাইনিং বোনাসের মতো খরচ ধরা হয় না।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হালান্ডকে দলে ভেড়ানোর ক্ষেত্রে সিটির কোনো অনিয়মের অভিযোগ বা প্রমাণ প্রতিবেদনে নেই। তাঁর তুলনামূলক কম ট্রান্সফার ফি মূলত চুক্তিতে থাকা রিলিজ ক্লজের ফল।
ইংল্যান্ডে পা রাখার পর অবশ্য সেই অর্থের যথার্থতা মাঠেই প্রমাণ করেছেন হলান্ড। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে তিনি নিজেকে প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম ভয়ংকর গোলস্কোরার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং ২০২২ সালের দলবদলকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল ‘বাজি’ হিসেবেই দেখা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে একটি মেয়েশিশুকে কোমরের বেল্ট দিয়ে পেটাতে দেখা যাচ্ছে। ১৫ সেকেন্ডের ওই দৃশ্যের ঘটনাস্থল ঢাকা মিরপুর বলে জানা গেছে। ভিডিওটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে এবং শিশুটিকে মারধরের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার মিরপুর ১ নম্বরের শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এই ঘটনা ঘটে। শিশুটিকে পেটানোর সাথে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার নাম মো. রিপন মণ্ডল (৩৬), যিনি মিরপুর শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের নিরাপত্তাকর্মী। বর্তমানে তিনি পুলিশি পাহারায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, মার্কেটের সামনে মানুষের ভিড়ের মধ্যে নেভি ব্লু শার্ট ও কালো ফুলপ্যান্ট পরা একজন ব্যক্তি শিশুটির একটি হাত ধরে রেখেছেন। অন্য হাতে থাকা বেল্ট দিয়ে তিনি শিশুটিকে নির্দয়ভাবে পেটাচ্ছেন।
আজ সোমবার দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দুলাল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ভিডিওটি নজরে আসার পর পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, ঘটনাটি শনিবার বিকেলে ঘটেছে। শিশুটিকে পেটানো ব্যক্তি রিপন মণ্ডল বর্তমানে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ সেখানে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
জিজ্ঞাসাবাদে রিপন মণ্ডল পুলিশ কর্মকর্তাদের জানান, শিশুটি মার্কেটের একটি দোকান থেকে মোবাইল ফোন চুরি করেছে। এই কারণে তিনি তাকে পিটিয়েছেন। রবিবার বিকেলে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।
ওসি দুলাল হোসেন জানিয়েছেন, রিপন মণ্ডল সুস্থ হয়ে উঠলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিশুটির সন্ধানও করছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির ফাঁদে পড়েছিলেন সিফাদ আহম্মেদ (১৯) পাসপোর্ট করতে গিয়ে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানোর সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিশাল একটি জালিয়াত চক্রের সন্ধান পান।
সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউএনও ফাতেমা জান্নাতের নেতৃত্বে পরিচালিত এক ঝটিকা অভিযানে ‘মামুন কম্পিউটার’ নামের দোকান থেকে জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা রফিকুল ইসলাম বাদল (৫০) আটক হন। এ সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ১৯টি ভুয়া সিল এবং ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যয়নপত্র উদ্ধার করা হয়।
ভুক্তভোগী সিফাদ আহম্মেদকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করে দেওয়ার কথা বলে ৫ হাজার টাকা নেন কম্পিউটার দোকানি বাদল। পরবর্তীতে সিফাদ উচ্চশিক্ষার্থে বা জীবিকার তাগিদে দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন।
পাসপোর্ট অফিস জানায়, অনলাইনে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের কোনো অস্তিত্ব বা রেকর্ড নেই। ভুয়া এনআইডি নিয়ে বিভ্রান্তি ও বিড়ম্বনার শিকার হয়ে সিফাদ আহম্মেদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে ইউএনও ফাতেমা জান্নাত অভিযুক্ত বাদলের ‘মামুন কম্পিউটার’ দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান চলাকালীন দোকানটিতে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মোট ১৯টি জাল সিল উদ্ধার হয়। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক এবং নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী)-এর সিল রয়েছে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ ইউনিয়ন পরিষদের ভুয়া প্রত্যয়নপত্র পাওয়া যায়, যা ব্যবহার করে বাদল দীর্ঘদিন ধরে নানা অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত বলেন, "আমরা মূলত সিফাদ আহম্মেদের জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির ঘটনাটি তদন্ত করতে বাদলের দোকানে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে গিয়ে তল্লাশি করতেই যেন ‘কেঁচো খুঁড়তে সাপ’ বেরিয়ে আসে। এনআইডি জালিয়াতির পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের জাল সিল ব্যবহার করে এত বড় জালিয়াতির ঘটনা সত্যিই বিরল।"
তিনি আরও জানান, জালিয়াতির অপরাধে অভিযুক্ত বাদলকে হাতেনাতে আটক করে থানায় পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি চলছে। এই চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নান্দাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ