ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসলামি আইন বাস্তবায়নে গভীর অধ্যয়নের আহ্বান এমপি নাজিবুর রহমানের


ইসলামি আইন বাস্তবায়নে গভীর অধ্যয়নের আহ্বান এমপি নাজিবুর রহমানের

পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ড. নাজিবুর রহমান মোমেন মন্তব্য করেছেন যে, ইসলামি আইন বাস্তবায়নের জন্য বিচ্ছিন্নভাবে কিছু আইন প্রণয়ন করা যথেষ্ট নয়। বর্তমান বাস্তবতায় ইসলামি আইনের সুফল লাভের জন্য বাংলাদেশে ইসলামি আইন বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জগুলো বুঝতে হলে প্রচলিত আইনব্যবস্থা এবং ইসলামি আইনের মৌলিক ধারণা সম্পর্কে গভীর অধ্যয়ন আবশ্যক।

তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামি অর্থনীতির মূল লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য দূরীকরণ, ধনী ও দরিদ্রের ব্যবধান কমানো এবং সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা। তাই ইসলামি ব্যাংকিংয়ের কার্যক্রম মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বর্তমান বাস্তবতায় এই মৌলিক লক্ষ্যগুলো কতটা অর্জিত হচ্ছে, তা পর্যালোচনা করা জরুরি।

শনিবার মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘ইমপ্লিমেন্টেশন অব ইসলামিক ল’স ইন বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড প্রিপারেশনস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারটি আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে এমআইইউ ল ক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: রিজভী: ভারতের আগ্রাসন ও আ. লীগের ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে

গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রব। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. এবিএম মাহবুবুল ইসলাম। সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন আইন বিভাগের প্রধান আব্দুল্লাহ হিল গনি।

নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধের আলোকে দেশের আইন ও শাসনব্যবস্থা পরিচালনার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে ইসলামি আইন বাস্তবায়নের সম্ভাবনা, প্রতিবন্ধকতা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইসলামি আইন বিষয়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিচারিক সিদ্ধান্ত, গবেষণা ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ অধ্যয়নের আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এ ক্ষেত্রে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুর রব শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন ও গবেষণার মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের পবিত্র কোরআন অধ্যয়ন করা উচিত এবং আধুনিক বিজ্ঞান ও দর্শন সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতে হবে।

আরও পড়ুন: মিরপুরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের মতবিনিময়

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. এবিএম মাহবুবুল ইসলাম জানান, ইসলামের পূর্ণাঙ্গ বিধান বাস্তবায়ন ও পালনের জন্য ইসলামি সরকারের বিকল্প নেই। তার মতে, ইসলামি শাসন, বিচার, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ধর্মনিরপেক্ষ সরকারের মাধ্যমে সম্ভব নয়।

সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন মো. মাহবুব আলম, স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিসের ডিন ড. আবু আইয়ুব মো. ইব্রাহিম, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ. এইচ. এম. আবু সাঈদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর এস. এম. তাসমিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরলেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরলেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের খেলাধুলার দিকে আকৃষ্ট করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি উল্লেখ করেন যে, তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে তাদের খেলার মাঠে নিয়ে আসা প্রয়োজন। যদি তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি করা যায়, তাহলে প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক (ডিসি) গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফাইনাল ম্যাচে শেরপুর সদর উপজেলা দলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেরপুর পৌরসভা দল। স্মরণকালের সর্বোচ্চ দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই খেলায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি মাহমুদুল হক রুবেল, জেলা প্রশাসক মিজ্‌ ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, সংবিধান সংশোধন কমিটির সদস্য ও শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল এবং পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, "খেলাধুলার প্রসারে এ ধরনের টুর্নামেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়। শেরপুরের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন ও তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, "ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়ে তোলে।" তিনি খেলার মাঠ সংরক্ষণ, ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং নিয়মিত প্রতিযোগিতা আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া, মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে জোরদার করে তরুণদের খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম বলেন, "খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।"

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

অন্যান্য উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল চৌধুরী ও আবু রায়হান রুপন, জামায়াত নেতা আব্দুল বাতেন এবং জেলা ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আহ্বায়ক মো. কামাল হোসেনসহ জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের পাশাপাশি সেরা খেলোয়াড়, ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও সর্বোচ্চ গোলদাতাকে পুরস্কৃত করা হয়। দর্শকদের জন্য ফ্রি কুপনের মাধ্যমে ১০ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়, যার প্রথম পুরস্কার ছিল একটি বাইসাইকেল।

আয়োজকদের মতে, দর্শকদের এই উপস্থিতি ছিল স্মরণকালের সর্বোচ্চ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


দুর্গাপূজায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার এবং সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহ্য রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

মন্ত্রী বলেন, "পৃথিবীতে চিরন্তন দ্বন্দ্ব চলছে সত্য ও মিথ্যা, ন্যায় ও অন্যায়ের মধ্যে। দুর্গাপূজার শিক্ষা হলো মিথ্যাকে অতিক্রম করে সত্য প্রতিষ্ঠা করা, অন্যায়কে পরাজিত করা এবং নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো।" তিনি উল্লেখ করেন, এই শিক্ষা ধারণ করতে পারলে পূজা উদযাপন সার্থক হবে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের আমলাপাড়া সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত দুর্গাপূজা পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, দেবী দুর্গা অসুরকে দমন করে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। দুর্গাপূজার এই শিক্ষা ধারণ করে সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

নারায়ণগঞ্জের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, "এ অঞ্চলে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহ্য রয়েছে।" তিনি সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান যাতে এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা যায়।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাটশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। নারায়ণগঞ্জ ছিল এই শিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। তিনি বলেন, "এ অঞ্চলের ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি সব ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তি, শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতির পরিবেশ অটুট রাখতে হবে।"

পূজা আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোঃ সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি হাসিনার সস্তা ভার্সন হওয়ার চেষ্টা করছে : সাদিক কায়েম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


বিএনপি হাসিনার সস্তা ভার্সন হওয়ার চেষ্টা করছে : সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম মন্তব্য করেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য সরকারের বিভিন্ন অপতৎপরতা জনগণের মনে গভীর আশঙ্কার সৃষ্টি করছে। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বিরোধী দলকে ভোট দেওয়ার কারণে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা ফ্যাসিবাদী আচরণের একটি উদাহরণ। বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে বিএনপি ‘হাসিনার সস্তা ভার্সন’ হওয়ার চেষ্টা করছে।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক কড়া বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেছেন। বিবৃতিতে ডাকসু ভিপি উল্লেখ করেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে সরকারের নানামুখী অপতৎপরতা জনগণের মনে নানা আশঙ্কার জন্ম দিচ্ছে। বিএনপির চিফ হুইপ বরগুনায় গিয়ে ভোটারদের প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন যে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচিত না হলে ওই ইউনিয়নের মানুষ সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ পাবে না, ‘কপাল পুড়বে’ তাদের।’

সাদিক কায়েম সরকারি বরাদ্দে নজিরবিহীন বৈষম্যের অভিযোগ তুলে বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘পছন্দমতো প্রকল্প’ বাস্তবায়নের জন্য শুধুমাত্র সরকারি দলের ২০৩ জন সংসদ সদস্যকে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকা সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সারাদেশের পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের অনির্বাচিত প্রশাসকরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনের অনানুষ্ঠানিক প্রচারণা ও স্টান্টবাজিতে লিপ্ত হয়েছেন।’

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই চিত্র কি একটি সভ্য গণতান্ত্রিক দেশের চিত্র হতে পারে? জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ থেকে আদায় করা করের টাকায় দেশের উন্নয়ন হয়, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বিএনপির চাঁদাবাজির টাকায় হয় না। অথচ বিরোধী দলকে ভোট দেওয়ার কারণে জনগণকে উন্নয়ন বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, এমনকি উন্নয়ন না করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এটা স্পষ্ট ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ।’

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার নগ্ন চেষ্টা এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে জনগণের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অধিকার খর্ব করার অপচেষ্টার পরও এই পুতুলমার্কা নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছে।’

বিবৃতির শেষভাগে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, ‘অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, হাসিনার সস্তা ভার্সন হওয়ার ট্রাই করছে বিএনপি। জনগণকে দুর্বল ভেবে ও প্রতিপক্ষ মনে করে দেশ চালাতে গিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনার কী করুণ পরিণতি হয়েছিল, বিএনপি যদি তা ভুলে যায়—তবে শিগগিরই বাংলাদেশের জনগণ আরো ভয়াবহভাবে সেই পরিণতি তাদের স্মরণ করিয়ে দেবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের বাসায় তল্লাশি ও মালামাল জব্দের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের বাসায় তল্লাশি ও মালামাল জব্দের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্য ইলহান ওমরের ওয়াশিংটন ডিসির বাসায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি ও বিভিন্ন মালামাল জব্দের ঘটনায় তার আইনজীবীরা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তারা এ অভিযানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, এটি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিশোধমূলক’ এবং জব্দ করা পাসপোর্ট, মোবাইল ফোন ও কম্পিউটারসহ অন্যান্য সামগ্রী অবিলম্বে ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে) তদন্ত করছে যে, ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আসার সময় ইলহান ওমর অভিবাসনসংক্রান্ত নথিপত্রে নিজের বয়স সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন কি না। এই তদন্তের অংশ হিসেবে চলতি সপ্তাহের শুরুতে তার ওয়াশিংটনের বাসায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী কর্মকর্তারা। এ সময় তারা বেশ কিছু নথিপত্র, মুঠোফোন, নোটবুক, ল্যাপটপ ও পাসপোর্ট জব্দ করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর উদ্ধৃতি দিয়ে ফক্স নিউজ জানায়, ফেডারেল কৌঁসুলিদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইলহান ওমরের আইনজীবীরা তল্লাশির আইনি ভিত্তি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। চিঠিতে তারা উল্লেখ করেন, ইলহান ওমরের নাগরিকত্ব নিয়ে আইন লঙ্ঘনের কোনো বৈধ ভিত্তি নেই।

আইনজীবীদের অভিযোগ, নির্বাচনের ৬০ দিনের মধ্যে এ ধরনের তল্লাশি না চালানোর দীর্ঘদিনের রেওয়াজ উপেক্ষা করে অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে। তাছাড়া, তল্লাশির সময় ইলহান ওমরকে পরোয়ানার কোনো অনুলিপি দেখার সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও বাধা দেওয়া হয়েছে।

আইনজীবীরা আরো দাবি করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের অন্যতম শীর্ষ কংগ্রেসীয় সমালোচক ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে নেওয়া এ পদক্ষেপ তার সাংবিধানিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ ক্ষমতার ভারসাম্যও ক্ষুণ্ন করে।

অন্যদিকে, অভিযানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েন মুলিন। তিনি দাবি করেন, এটি কেবল দেশের আইন প্রয়োগের অংশ এবং এ পদক্ষেপের পেছনে জোরালো তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।

নাগরিকত্বসংক্রান্ত তদন্তের পাশাপাশি, ইলহান ওমরের আর্থিক বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিশেষ করে, আর্থিক বিবরণীতে তার স্বামীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মূল্য সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

তবে নাগরিকত্ব ও আর্থিক অনিয়মের সব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইলহান ওমর। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি।

সূত্র: ফক্স নিউজ

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%