ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ভোলায় সহকারী শিক্ষককে মারধর, প্রধান শিক্ষকসহ তিনজন কারাগারে


ভোলায় সহকারী শিক্ষককে মারধর, প্রধান শিক্ষকসহ তিনজন কারাগারে

ভোলার চরফ্যাশনে সহকারী শিক্ষককে মারধরের মামলায় ১৬৮ নম্বর দক্ষিণ চর আইচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম ইউছুফসহ তিনজনকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন জানানোর সময় চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আফজাল হোসেন তাদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অপর দুই আসামি হলেন মো. হামিম দেওয়ান ও মো. রাশেদ খান।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে পারিবারিক কলহে মাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম ইউছুফের বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় সহকারী শিক্ষক আকতার হোসেনের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২৭ জুন বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষ থেকে আকতার হোসেনকে শার্টের কলার ধরে টেনে মাঠে নিয়ে মারধর করা হয়। এতে তাকে গুরুতরভাবে আহত করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর, ২ জুলাই চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম ইউছুফসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সহকারী শিক্ষক আকতার হোসেন।

বৃহস্পতিবার মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে আসেন প্রধান শিক্ষকসহ তিনজন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তবে আদালত প্রাঙ্গণে প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম ইউছুফ দাবি করেন, মারধরের ঘটনায় তিনি জড়িত নন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তাকে অন্যায়ভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভালুকায় হবিরবাড়ীর মনোহরপুরে উঠান বৈঠক,প্রধান অতিথি জিয়াউর রহমান জিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীতে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৪ এম


নরসিংদীতে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

নরসিংদীর সদর উপজেলায় প্রকাশ্যে সুমন মিয়া (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা বেলা উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের বাখরনগর বাজারে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন মিয়া বাখরনগর গ্রামের আব্দুল বাতেন মিয়ার পুত্র।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুমন মিয়া বাখরনগর বাজারে গেলে ১০-১৫ জনের একটি দুষ্কৃতিকারী দল আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার গতিরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুমনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন সুমনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের আত্মীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, পূর্ববিরোধের কারণে প্রতিপক্ষের লোকজন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে তারা মনে করছেন। তবে তারা কোনো নির্দিষ্ট নাম বা পরিচয় উল্লেখ করেননি।

স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আলোকবালী ইউনিয়নের স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসাও করা হয়েছিল।

ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধের জেরেই সুমনকে হত্যা করা হয়েছে।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আশিকুর রহমান বলছেন, স্থানীয় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নাকি যৌন নিপীড়নের আখড়া?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৭ এম


সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নাকি যৌন নিপীড়নের আখড়া?

ছেলেবেলা থেকে তিলির (ছদ্মনাম) স্বপ্ন ছিল সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার। স্বপ্নের পথে তিনি এগিয়েও গিয়েছিলেন, ভর্তি হয়েছিলেন যুক্তরাজ্যের আর্মি ফাউন্ডেশন কলেজ-এএফসিতে।

কিন্তু সেই প্রিয় ক্যাম্পাসেই তার স্বপ্ন সারাজীবনের দুঃস্বপ্নে বদলে গেল। সহকর্মী সেনা সদস্যের দ্বারা কয়েক ঘণ্টা ধরে গণধর্ষণের শিকার হওয়ার পর তিলির স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

বিবিসির অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আর্মি ফাউন্ডেশন কলেজ-এএফসি’তে ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন এবং নারী বিদ্বেষী আচরণের ধারাবাহিক বিবরণ। যুক্তরাজ্যের তরুণদের অন্যতম বৃহত্তম সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি যেন নারী নির্যাতন আর নারী বিদ্বেষের আখড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জুনিয়র সেনা এবং কলেজের স্টাফ সদস্যদের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত নারীবিদ্বেষ এবং যৌন সহিংসতার অভিযোগ উঠে এসেছে। নর্থ ইয়র্কশায়ারের হ্যারোগেটে অবস্থিত আর্মি ফাউন্ডেশন কলেজে গত পাঁচ বছরে যোগ দেওয়া অন্তত চারজন নারী বিবিসি-কে জানিয়েছেন, ১৭ বছর বয়সে তারা গণধর্ষণ, যৌন হয়রানি এবং গুপ্তকামিতার শিকার হয়েছিলেন। সেনাবাহিনী ছেড়ে দেওয়া এই নারীদের সকলেই বিবিসিকে জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারীবিদ্বেষ এবং যৌন সহিংসতার একটি বিপজ্জনক সংস্কৃতি রয়েছে, যা স্টাফ সদস্যরা উৎসাহিত করে থাকেন।

তিলি সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করে বলেন, “তারা বলছিল, ‘তুমি কি রুমে আসবে?’ আর আমি ১৭ বছর বয়সী এক সরল মেয়ে হওয়ায় বলেছিলাম, ‘হ্যাঁ, ঠিক আছে।’ রুমে যেতেই তারা আমার পোশাক খুলতে শুরু করে। এরপর এমন সব আচরণ করতে থাকে, যাতে আমার কোনো সম্মতি ছিল না। সেখানে অনেক মানুষ ছিল। তারা আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে, আপত্তিকর মন্তব্য করে এবং মেয়ে হিসেবে দেখার বদলে একটি ‘বস্তু’ হিসেবে আখ্যা দেয়। এরপর আমি ধর্ষিত হই আমারই সমবয়সী একাধিক জুনিয়র সেনা সদস্যের দ্বারা। এটা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে চলেছিল। নিজেকে আমার একদলা মাংসের টুকরো মনে হচ্ছিল।”

ঘটনার দুই সপ্তাহ পরেই তিলি সেনাবাহিনী ত্যাগ করেন। তিলি আরো বলেন, “আমি সেখানে আর থাকতে পারছিলাম না। আমি আমার মায়ের সাথে কথা বলি এবং তিনি বলেন, ‘তোমার চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিত।’ আমি যদি সেখানে থাকতাম, তবে বাকি কর্মজীবনে আমি কেবল এমন এক মেয়ে হিসেবে পরিচিত হতাম, যে কিনা অনেক মানুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছে। অথচ বাস্তবে তো তা ঘটেনি।”

তিলির অভিযোগ, একাডেমির কিছু পুরুষ ইন্সপেক্টরের মাধ্যমে নারীদের প্রতি এই ধরনের লিঙ্গবৈষম্যমূলক মনোভাবকে উৎসাহিত করা হয়। তিলি মনে করতে পারেন যে, তিনি ধর্ষিত হওয়ার পর একজন ইন্সপেক্টরকে চারদিকে ঘুরে ঘুরে বলতে শুনেছিলেন, ‘তোমরা কি সেই লম্পট মেয়েটার কথা শুনেছ, যে এই সব ছেলেদের সাথে শুয়েছে?’

তিলি বলেন, ‘একজন ইন্সপেক্টরের কাছ থেকে এমন মন্তব্য আসা অত্যন্ত অন্যায়। এটি নারীদের সম্পর্কে ভুল বার্তা দেয় এবং ছেলেদের এই মানসিকতা শেখায় যে, আমরা কেবল একটি কাজের জন্যই উপযুক্ত।’ সবচেয়ে দুঃখজনক হলো, পুলিশের কাছে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেও বিচার পাননি তিলি।

এএফসি হলো যুক্তরাজ্যের অনূর্ধ্ব-১৯ বয়সীদের জন্য সবচেয়ে বড় সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। এই যুদ্ধ বিদ্যালয়টি সেনাবাহিনীর ১৬ বছর বয়সী সব রিক্রুটদের প্রশিক্ষণ দেয়। বর্তমানে এএফসিতে মোট ৮৮৯ জন প্রশিক্ষণার্থী রয়েছেন, এর মধ্যে অন্তত ৭০ জন নারী।

তিলি একা এমন পরিস্থিতির শিকার নন। মনিকা (ছদ্মনাম) অভিযোগ করেন, এক সহকর্মী সেনা সদস্য তাকে একটি রুমে আটকে রেখে তার ওপর চড়াও হয়েছিল। স্মৃতিচারণ করে মনিকা বলেন, ‘সে দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল, যাতে আমি বাইরে বের হতে না পারি। এরপর সে আমার শরীরের ওপর চেপে বসে। আমার মুখে চুমু খেতে শুরু করে এবং আমার সারা শরীরে হাত দেয়। সে আমাকে যৌন নিপীড়ন করেছিল। আমি কোনোমতে তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে সক্ষম হই। সে অত্যন্ত শক্তিশালী হওয়ায় আমি নিশ্চিত নই যে কীভাবে আমি তা পেরেছিলাম।’ চিকিৎসাজনিত কারণে এএফসি ছাড়তে হয়েছিল মনিকাকে, এখন সেটা তার কাছে স্বস্তিদায়ক মনে হচ্ছে।

অ্যামির (ছদ্মনাম) গল্পটি বিবিসিকে জানিয়েছেন তার মা চেরিল। তার ভাষ্যমতে, তার মেয়ে ট্রেনিং চলাকালে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিল এবং প্রায় প্রতিদিন তাকে যৌন হয়রানির মুখোমুখি হতে হতো। চেরিল জানান যে, অ্যামির রুমের তালাটি নষ্ট ছিল। যার কারণে পুরুষ সেনা সদস্যদের ভেতরে ঢোকা বন্ধ করতে অ্যামি দরজার সামনে আড়াআড়িভাবে ঘুমাতো। এছাড়া অ্যামি স্টাফদের কাছ থেকে নারীবিদ্বেষী মৌখিক গালিগালাজের শিকারও হতো। চেরিল বলেন, ‘অ্যামি যখন করিডোরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকত, তখন তাকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে চরম লম্পট বা চরিত্রহীন বলে গালি দেওয়া হতো। অ্যামিকে বলা হয়েছিল, ‘প্রতি বছরই এমন একজন থাকে যাকে সবাই পেতে চায়। দেখে মনে হচ্ছে এবছর তুমিই সেই জন।’

এলি (ছদ্মনাম) নামে আরেকজন কলেজের দুঃসহ দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে বিবিসিকে বলেন, ‘কলেজে তার প্রথম সপ্তাহেই একজন ইন্সপেক্টর রিক্রুটদের এক দলকে বলেছিলেন- সবকিছুই মেয়েদের শরীরকেন্দ্রিক এবং তোমরা এর কতটা ভোগ করতে পারো সেটাই আসল।’ তিনি জানান যে, ‘স্টাফ মেম্বাররা মেয়েদের চেহারার ওপর ১০-এর মধ্যে নম্বর দিত এবং কোনো নক করা ছাড়াই তাদের ডরমিটরিতে ঢুকে পড়ত, যেখানে আমরা হয়তো শুধু অন্তর্বাস পরা অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতাম, আর তারা কেবল তাকিয়ে থাকত।’ এলি বলেন, এএফসি-তে যা ঘটেছিল, তা তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে যে সেনাবাহিনীর কর্মজীবন তার জন্য নয়।

এই মর্মান্তিক বিবরণগুলো ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর আগে বিষয়টির ওপর দেশটির প্রথম অফিশিয়াল জরিপে দেখা গেছে যে, ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীতে কর্মরত প্রায় ৬৭ শতাংশ নারী গত এক বছরে পুরুষ সহকর্মীদের দ্বারা অন্তত একবার অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন আচরণের শিকার হয়েছেন। এএফসি-এর কার্যক্রম নিয়ে বিবিসির অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, জুন মাস পর্যন্ত গত এক বছরে নর্থ ইয়র্কশায়ার পুলিশ কলেজটির সাথে সংশ্লিষ্ট ১৬টি যৌন অপরাধের প্রতিবেদন পেয়েছে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের জুন মাসের মধ্যে এই কলেজে অনুপযুক্ত যৌন আচরণের মোট ১৭৬টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল; যার মধ্যে ৩২টি স্থায়ী স্টাফদের বিরুদ্ধে এবং ১৪৪টি জুনিয়র সৈন্যদের বিরুদ্ধে। গত পাঁচ বছরে, এএফসি-র বেশ কয়েকজন ইন্সপেক্টর সামরিক আদালতে শারীরিক ও যৌন সহিংসতার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এক সহকর্মীকে ঘুমন্ত অবস্থায় ধর্ষণ করার অপরাধে ২০২৩ সালে কর্পোরাল ড্যানিয়েল কনওয়ে সাত বছরেরও বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। একই বছর, করপোরাল সাইমন বার্ট্রাম যৌন নিপীড়নের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাকে ২০ মাসের সামরিক আটকাদেশ দেওয়া হয়।

বিবিসি-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র যৌন সহিংসতার এই প্রতিবেদনগুলোকে ‘অত্যন্ত উদ্‌বেগজনক এবং গুরুতর’ বলে অভিহিত করেছেন। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে অগ্রহণযোগ্য এবং অপরাধমূলক আচরণের কোনো স্থান নেই। মানুষ একটি চমৎকার কর্মজীবনের আশায় এখানে যোগ দেয় এবং এ ধরনের যেকোনো অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য।’

মুখপাত্র এ ধরনের ঘটনার শিকার বা প্রত্যক্ষদর্শীদের এগিয়ে এসে অভিযোগ করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগস্টের প্রথম পাঁচ দিনেই দেশে এলো ৬০২ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২০ এম


আগস্টের প্রথম পাঁচ দিনেই দেশে এলো ৬০২ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

আগস্ট মাসের শুরুতে, প্রথম ৫ দিনে, দেশে এসেছে ৬০২ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৭,৩৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার সমান।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্র হতে এই তথ্য পাওয়া যায়।

এর আগে, সদ্য বিদায়ী জুলাই মাসে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে প্রায় ২৮৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ বিলিয়ন ডলারের বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় ভুল স্বীকার করল ফিফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৩ এম


২০ বিলিয়ন ডলারের বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় ভুল স্বীকার করল ফিফা

বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে ২০ বিলিয়ন ডলারে বিক্রির একটি বিতর্কিত পরিকল্পনা নিয়ে ফিফা ভুল স্বীকার করেছে। একই সঙ্গে, সংস্থাটি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তাদের সুনাম, সুশাসন এবং অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের হুমকি বা আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না।

ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ব্যর্থ ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ প্রকল্প নিয়ে ভুল স্বীকার করেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বার্থের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল, যার সম্ভাব্য মূল্য প্রায় বিলিয়ন মার্কিন ডলার হিসাবে ধরা হয়েছিল।

বুধবার (০৫ আগস্ট) মরক্কোর রাজধানীতে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকের শেষে একটি বিবৃতিতে ফিফা জানায়, ফিফা কাউন্সিল এবং সদস্য দেশগুলোর ফুটবল সংস্থাগুলোকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার কোন উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। তবে, তারা স্বীকার করেছে যে পুরো বিষয়টি ভিন্নভাবে পরিচালনা করা উচিত ছিল এবং প্রস্তাবটি গণমাধ্যমে ফাঁস হয়ে যাওয়ার পরও কিছু ভুল হয়েছে।

ফিফা কাউন্সিল ও সদস্য সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানো পৃথক এক চিঠিতে সংস্থাটি এসব ভুলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে। একই সঙ্গে, ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতি আর না ঘটে, সেই জন্য পুরো প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে পরবর্তী ফিফা কাউন্সিল সভায় একটি প্রতিবেদন উপস্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ফিফা আরও জানিয়েছে, প্রকল্পটি প্রত্যাহারের পর সিদ্ধান্ত হয়েছে যে সংস্থার সুনাম, সুশাসন এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের আক্রমণ আর সহ্য করা হবে না। প্রয়োজন হলে ফিফার নাম ও সুনাম রক্ষার জন্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'এই অভিজ্ঞতা থেকে শেখার অনেক কিছু রয়েছে। ফিফা তাদের প্রক্রিয়া আরও উন্নত করতে কাজ চালিয়ে যাবে। যদিও কিছু ভুল হয়েছে, তবে সব কার্যক্রম ফিফার বিদ্যমান বিধি ও নীতিমালার মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।'

এ ছাড়া, সাম্প্রতিক বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজনের জন্য ফিফা প্রশাসনের কাজের প্রশংসা করা হয়েছে। সংস্থাটির ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ একসঙ্গে কাজ করায় এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।

সবশেষে ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বের ২১১টি সদস্য ফুটবল সংস্থা, মহাদেশীয় কনফেডারেশন এবং আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর ফুটবল উন্নয়ন নিয়ে ফিফা ফরওয়ার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে কীভাবে আরও কার্যকর সহায়তা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%