ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাছ ধরার সময় নদীতে বজ্রপাত, প্রাণ গেল জেলের


মাছ ধরার সময় নদীতে বজ্রপাত, প্রাণ গেল জেলের

ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মো. নজরুল ইসলাম মঞ্জু (৫২) নামের এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বাসনভাঙ্গা চরের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

পরে অন্য জেলেরা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত নজরুল ইসলাম মঞ্জু তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেয়ামূল্যাহ গ্রামের মৃত বদিউজ্জামালের ছেলে।

আরও পড়ুন: জাতীয় সম্মাননায় ভূষিত বরিশালের তরুণ সংগঠক আরিফুর রহমান, এক দশকের কাজের স্বীকৃতি

শশীগঞ্জ মাছঘাটের আড়তদার জামাল উদ্দিন জানান, তার আড়তের জেলেরা মাছ ধরে ঘাটে ফেরার সময় চরের মধ্যে একজনকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি অন্য জেলেদের জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. দিব্যেন্দু রায় রাজিব বলেন, বজ্রপাতে আহত অবস্থায় ওই জেলেকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরের একাংশ ঝলসে যাওয়ার মতো অবস্থায় ছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে

 

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে ৫৬৬ মন্দির-মন্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি বাড়িয়েছে এসআরবি-১৩

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯ বছর পরও কমেনি ‘বড় ছেলে’ নাটকের আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


৯ বছর পরও কমেনি ‘বড় ছেলে’ নাটকের আবেদন

‘বড় ছেলে’ নাটকের আবেদন ৯ বছরেও কমেনি।

 

বাংলা নাটকের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে পরিচিত ‘বড় ছেলে’। মিজানুর রহমান আরিয়ানের পরিচালনায় জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত এই নাটকটি মুক্তির পর দর্শকদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।

 

ইউটিউবের ভিউয়ের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি নাটকের গল্প ও অভিনয়ের আবেগ অসংখ্য দর্শককে কাঁদিয়েছে।

দেখতে দেখতে, নাটকটি এখন নয় বছর পেরিয়ে গেছে। ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়া ‘বড় ছেলে’ আজ নয় বছর পূর্ণ করেছে। এই বিশেষ দিনে নাটকটির স্মৃতি নিয়ে দর্শকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখেছেন অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব।

 

অপূর্ব তাঁর ফেসবুক পেজে ‘বড় ছেলে’র শেষ দৃশ্যের দুটি স্থিরচিত্র শেয়ার করেছেন। ছবিগুলোতে তাঁকে ও মেহজাবীনকে বিচ্ছেদের যন্ত্রণায় কাঁদতে দেখা যায়।

ছবিটি পোস্ট করে অপূর্ব লিখেছেন, ‘৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সালে রিলিজ পেয়েছিল ‘বড় ছেলে’। দেখতে দেখতে আজ এই টেলিফিল্মের ৯ বছর পূর্ণ হলো।

 

এরপর তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে লেখেন, ‘এই ৯ বছরে নাটকটি কতবার দেখেছেন?’

অভিনেতার এই প্রশ্নের পর দর্শকদের আবেগ মন্তব্যের ঘরে নেমে আসে। কেউ জানিয়েছেন, নাটকটি অসংখ্যবার দেখেছেন। আবার কেউ শতাধিকবার দেখার কথাও জানিয়েছেন।

অনেকের মন্তব্যে উঠে এসেছে যে, ‘বড় ছেলে’ দেখার পর তাঁদের বাংলা নাটকের প্রতি নতুন করে ভালোবাসা তৈরি হয়েছিল।

মুক্তির নয় বছর পরেও নাটকটির আবেদন যে একটুও কমেনি, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়াতেই পরিস্কার।

 

সময় পেরিয়ে গেলেও ‘বড় ছেলে’র গল্প, চরিত্র ও আবেগ এখনও দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে আছে।

এদিন নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ানও দর্শকদের উদ্দেশ্যে ভালোবাসা জানিয়েছেন। এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বড় ছেলে’র ৯ বছর, “নেটওয়ার্কার বাইরে”-র ৫ বছর, “ব্যাচ ২৭”-এর ৯ বছর, “বুকের বা পাশে”-র ৮ বছর।

তবুও এই কাজগুলো আজও আপনাদের হৃদয়ে বেঁচে আছে। আমি সত্যিই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি যে আপনারা আজও এত ভালোবাসা দিয়ে কাজগুলোকে স্মরণ করেন।

বর্তমানে ইউটিউবে ‘বড় ছেলে’ নাটকটির ভিউ ৫ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি ছাড়িয়েছে। অপূর্ব ও মেহজাবীন ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন খালেকুজ্জামান, শেলী আহসানসহ আরও অনেকে।

বাংলা নাটকের যে কয়েকটি সময়ের সীমানা পেরিয়ে দর্শকদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে, ‘বড় ছেলে’ নিঃসন্দেহে তার অন্যতম উদাহরণ। নয় বছর পরও সেই গল্পের আবেগে দর্শকদের চোখ ভিজে ওঠা যেন তার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ই-মিউটেশনে জমির বাস্তব শ্রেণি হালনাগাদের নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৯ পি.এম


ই-মিউটেশনে জমির বাস্তব শ্রেণি হালনাগাদের নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের

ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নামজারির সময় জমির বাস্তব শ্রেণি যাচাই করে তা রেকর্ডে হালনাগাদের ব্যবস্থা ই-মিউটেশন সিস্টেমে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, জমির যথাযথ মূল্য নির্ধারণ এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরমেন্স অনুবিভাগ থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত চিঠি জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনার অন্যতম সমস্যা হলো জমির রেকর্ডীয় শ্রেণি নিয়মিতভাবে হালনাগাদ না হওয়া। প্রাকৃতিক কারণে কিংবা মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে জমির শ্রেণি পরিবর্তিত হলেও অনেক ক্ষেত্রে সেই পরিবর্তিত শ্রেণি সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না।

ফলে ভূমি রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সময় জমির প্রকৃত ও যথাযথ মূল্য নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এর কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বর্তমানে নিয়মিতভাবে জমির শ্রেণি পরিবর্তন এবং রেকর্ডীয় শ্রেণি হালনাগাদের কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এ সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যমান ই-মিউটেশন সফটওয়্যারেও নামজারির সময় জমির রেকর্ডীয় শ্রেণি হালনাগাদের কোনো সুবিধা নেই।

এ অবস্থায় ভূমি মন্ত্রণালয় নির্দেশ দিয়েছে, কোনো ব্যক্তি জমি নামজারির আবেদন করলে তা মঞ্জুরের সময় জমির বাস্তব শ্রেণি যাচাই করে সেটিকে রেকর্ডীয় শ্রেণি হিসেবে নামজারি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

মন্ত্রণালয় মনে করছে, ই-মিউটেশন সিস্টেমে এ সুবিধা চালু হলে জমির প্রকৃত ব্যবহার ও শ্রেণি সরকারি রেকর্ডে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে। এর মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ ও আদায় আরও কার্যকর হওয়ার পাশাপাশি জমির যথাযথ মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

এ উদ্যোগের ফলে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে আশা করছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

নির্দেশনাটি বাস্তবায়নের জন্য ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ সংক্রান্ত চিঠিতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাদেকুর রহমান স্বাক্ষর করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেল্টে লুকানো ১৪ কেজি সোনা, বিমানকর্মী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


বেল্টে লুকানো ১৪ কেজি সোনা, বিমানকর্মী আটক

 

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের এক কর্মীর কাছ থেকে ১২০টি সোনার বার উদ্ধার করেছে। এই সোনার বারগুলো কালো আঠালো ফিতায় মোড়ানো অবস্থায় তার পরনের বেল্টের মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকানো ছিল।

 

উদ্ধার করা সোনার মোট ওজন ১৩ কেজি ৯২০ গ্রাম। কাস্টমসের হিসাব অনুযায়ী, এসব সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি টাকা।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

 

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজে সোনা চোরাচালান হচ্ছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে কর্মরত কাস্টমস কর্মকর্তা ও প্রতিরোধ দলের সদস্যরা উড়োজাহাজে বিশেষ তল্লাশি চালাতে যান।

উড়োজাহাজ পরিষ্কারের কাজ শেষে যান্ত্রিক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিচে নামার সময় তাদের তল্লাশি করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ বিমানের কারিগরি সহকারী মো. সোয়েব গাজীর বেল্টের মধ্যে কালো আঠালো ফিতায় মোড়ানো কয়েকটি বস্তু পাওয়া যায়। পরে সেগুলো কাস্টমস হাউসে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরীক্ষা ও তালিকা করা হয়।

 

এতে ১২০টি সোনার বার উদ্ধার হয়।

প্রাথমিকভাবে কাস্টমসের ধারণা, সরকারি নির্ধারিত শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে সোনার বারগুলো দেশে আনা হয়েছিল। পরে এগুলো বিমানবন্দরের বাইরে পাচারের পরিকল্পনা ছিল। কাস্টমস ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ তৎপরতায় পাচারের আগেই সোনাগুলো আটক করা সম্ভব হয়েছে।

আটক সোনার বারগুলো বিমানবন্দরের মূল্যবান পণ্য সংরক্ষণাগারে রাখা হয়েছে।

 

চোরাচালানে আটক ও বাজেয়াপ্ত পণ্য নিষ্পত্তির নিয়ম অনুযায়ী এসব সোনা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমি প্রশাসনে সহকারী কমিশনার পদে ব্যাপক রদবদল করে প্রজ্ঞাপন জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


ভূমি প্রশাসনে সহকারী কমিশনার পদে ব্যাপক রদবদল করে প্রজ্ঞাপন জারি

ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভূমি প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ৩৬ জন সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) বদলিপূর্বক পদায়নের জন্য বিভিন্ন বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারি করা এ সংক্রান্ত আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে গত ২ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে জসিম উদ্দিনকে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থেকে ঢাকা বিভাগে, তৌহিদ রেজাকে ঝিনাইদহের মহেশপুর থেকে ঢাকা বিভাগে এবং মো. মাসুদ রানাকে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এছাড়া মো. আশরাফুল ইসলামকে বরগুনার আমতলী থেকে ঢাকা বিভাগে, সোহাগ মিলুকে পটুয়াখালীর বাউফল থেকে খুলনা বিভাগে,  মো. সাইফুল ইসলামকে পটুয়াখালীর গলাচিপা থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং প্রত্যয় হাশেমকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

মহেশ্বর মন্ডলকে বরিশালের উজিরপুর থেকে খুলনা বিভাগে,  রওশান কবিরকে নীলফামারীর ডিমলা থেকে রাজশাহী বিভাগে, রাফিউর রহমানকে কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে ঢাকা বিভাগে এবং মো. শাহরুখ আলম শান্তুতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

দ্বিতীয় দফায় বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন— মাহামুদ হুসাইন রাজু। তাকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে খুলনা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে। নুসরাত জাহান অনন্যাকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং এস এম আকাশকে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে খুলনা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এস এম নাজমুস সালেহীনকে ময়মনসিংহের তারাকান্দা থেকে রংপুর বিভাগে, আব্দুল আহাদকে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম থেকে খুলনা বিভাগে এবং তানভীর আহম্মেদকে রংপুরের পীরগঞ্জ থেকে রাজশাহী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এছাড়া ওমর শরীফ খানকে বরগুনার পাথরঘাটা থেকে খুলনা বিভাগে, আসিফ রায়হানকে পাবনার সাঁথিয়া থেকে ঢাকা বিভাগে, চৌধুরী আল মামুনকে সাতক্ষীরার দেবহাটা থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং সামিউর রহমানকে কুড়িগ্রামের রাজারহাট থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

মীর আল মনসুর শোয়াইবকে লালমনিরহাট সদর থেকে রাজশাহী বিভাগে, মো. শামীম রেজা সজীবকে ঝালকাঠির রাজাপুর থেকে ঢাকা বিভাগে, মজিবুর রহমানকে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং জাকারিয়া হোসেনকে সিলেটের গোয়াইনঘাট থেকে ময়মনসিংহ বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

সৈকত মন্ডলকে বরগুনার তালতলী থেকে খুলনা বিভাগে এবং রিজভী আহমেদ সবুজকে ঝালকাঠির নলছিটি থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের আরেক অংশে আরো ৯ জন সহকারী কমিশনারকে বদলি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মো. ইফতেখার আহমেদকে নীলফামারীর জলঢাকা থেকে খুলনা বিভাগে, আব্দুল্লাহ বিন জিয়াকে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থেকে ঢাকা বিভাগে এবং মাহমুদুর রহমানকে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ময়মনসিংহ বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

পলাশ উদ্দিনকে নওগাঁর বদলগাছী থেকে ঢাকা বিভাগে,  শপথ বৈরাগীকে পিরোজপুরের নাজিরপুর থেকে খুলনা বিভাগে এবং মো. বদরুজ্জামান রিশাদকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থেকে রাজশাহী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এছাড়া আসমাউল হুসনা পিংকিকে মাগুরার শ্রীপুর থেকে ঢাকা বিভাগে, আমিনুল হক তারেককে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থেকে ময়মনসিংহ বিভাগে এবং আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পটুয়াখালীর দশমিনা থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাঠ প্রশাসন), সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

মাঠ প্রশাসনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি ভূমি ব্যবস্থাপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, সরকারি জমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি-সংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন দায়িত্ব মাঠপর্যায়ে পালন করেন এসব কর্মকর্তা।

ফলে, একসঙ্গে ৩৬ জন সহকারী কমিশনারের বদলির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমি প্রশাসনে দায়িত্বের পুনর্বিন্যাস হলো।

সরকারি আদেশ অনুযায়ী, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের নতুন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের ব্যবস্থা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%