শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:২৬ এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ১১টা ৭ মিনিটে তার মৃত্যু ঘটে, যখন ভেন্টিলেশন খুলে নেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চেসি ত্রিপুরা ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
এর আগে, চেসি ত্রিপুরার মস্তিষ্কের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তাকে ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ ঘোষণা করেন। তবে তার বাবা-মায়ের ইচ্ছার কারণে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম এইচ এম খুরশীদ আলম জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকরা রাতেই চেসির ভেন্টিলেশন খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।
গত ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজশাহীর বাঘমারা থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে চেসি ত্রিপুরা অটোরিকশার সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। এই ঘটনায় তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ ঘটে। পরে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়।
অবস্থার অবনতি হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মস্তিষ্কের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দল ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণের জন্য আজারবাইজানে পৌঁছেছে। গত বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় রাজধানী বাকুতে পৌঁছান কিশোররা। তারা বর্তমানে বাকুর অ্যাথলেটস ভিলেজে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) জানিয়েছে, দলের সকল খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা সুস্থ আছেন।
গতকাল বাংলাদেশ দল সেখানে তাদের প্রথম অনুশীলন সম্পন্ন করেছে। গোলরক্ষক কোচ আরিফুজ্জামান হিমেল বাফুফের পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “তাদের যে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ অনূর্ধ্ব-১৫-এর যে আয়োজন, তা খুবই চমৎকার। সবকিছু অনেক ভালো ডিসিপ্লিনের মধ্যে হচ্ছে। ২৪ অক্টোবর আমাদের প্রথম ম্যাচ। এই ম্যাচের দিকেই আমাদের ফোকাস। আমাদের টার্গেট গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া।”
গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে ওয়েলস, পর্তুগাল, ইন্দোনেশিয়া, ফিজি ও বুরুন্ডি। ২৪ অক্টোবর ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশ তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে। এরপর ২৫ ও ২৬ অক্টোবর এক দিনে দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ফিফার উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপ আসরে ১৯১টি দেশ অংশ নিচ্ছে। এই বিশেষ প্রতিযোগিতায় ৬৮ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৪৮ মিটার প্রস্থের মাঠে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি দলে থাকবেন আটজন করে খেলোয়াড়। ২০ মিনিট করে দুই অর্ধে মোট ৪০ মিনিটের খেলা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদেশে কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তি এবং প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন।
তিনি বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এ মন্তব্য করেন।
মক্কায় দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া, তাদের জীবন রক্ষায় সরকারের উদ্যোগের অভাব এবং বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদে সিপিবি এই বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজন করে।
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, সৌদি আরবের মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া একটি গভীর উদ্বেগের বিষয়। তিনি উল্লেখ করেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ, বিচারপ্রক্রিয়া এবং রায়ের বিস্তারিত তথ্য বাংলাদেশের সরকারের কাছে থাকা আবশ্যক হলেও, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছুই জানে না বলে জানিয়েছে।
বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের বিচার, কারাবাস এবং মৃত্যুর মতো গুরুতর ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের যে ভূমিকা থাকা প্রয়োজন, সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। নাগরিকদের জীবন রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সরকারের ব্যর্থতা এবং মৃত্যুর পর তাদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য প্রমাণ করে যে, রেমিটেন্সের অর্থে দেশের মন্ত্রী-এমপি ও আমলাদের বিলাসী জীবন নিশ্চিত হলেও, প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য সরকারের কোনো মাথা ব্যথা নেই।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারকে অবিলম্বে বিদেশে কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তি এবং প্রতিটি মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যেসব প্রবাসী শ্রমিকের পাঠানো রেমিটেন্সে দেশের অর্থনীতি সচল থাকে, তাদের জীবন, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্র কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। বিদেশে কর্মরত ও বসবাসরত বাংলাদেশিদের অধিকার রক্ষায় সরকারের কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ, আইনি সহায়তা এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।
তিনি দাবি জানান, বিশ্বজুড়ে কারাবন্দি বাংলাদেশি নাগরিকদের মুক্তির জন্য সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ইউক্রেনসহ সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে জোরপূর্বক সামরিক কাজে নিয়োজিত করা বাংলাদেশি নাগরিকদের উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
সমাবেশে সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য রাগীব আহসান মুন্নার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফজলুর রহমান।
সমাবেশ পরিচালনা করেন সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর মঈন।
বিক্ষোভে রাগীব আহসান মুন্না বলেন, বিদেশে আটক বাংলাদেশিদের তালিকা প্রণয়ন, রাষ্ট্রের খরচে আইনি সহায়তা, নিয়মিত কারাগার পরিদর্শন এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তির জন্য সরকারকে জরুরি কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে।
জলি তালুকদার বলেন, সরকারের অবহেলার প্রতিবাদে যদি প্রবাসী শ্রমিকরা রেমিটেন্স পাঠানো বন্ধ করে দেয়, তাহলে সেটি আইনি সহায়তা বঞ্চিত কারাবন্দি মানুষ ও নিজ দেশের সরকারের কাছ থেকে চরম বঞ্চনার শিকার অসহায় প্রবাসীদের জন্য একটি উপযুক্ত জবাব হবে। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরাইল থানার পুলিশ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে দুর্গাপূজার সময় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কিংবা সৌজন্যমূলক আচরণ না পাওয়ার কারণে থানার কক্ষে বসে ওসির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সরাইল থানার ওসির কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় রুমিন ফারহানা ওসির বিরুদ্ধে ঘুস, দুর্নীতি এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করার মতো অভিযোগ তোলেন।
সরাইল থানায় অবস্থানকালে, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপির পক্ষে এবং ওসির বিরুদ্ধে কয়েকশো লোক স্লোগান দিতে থাকেন। এই সময় পুরো এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
সরাইল থানার কক্ষে বসে রুমিন ফারহানাকে বলতে শোনা যায়, ‘কতবার রিকোয়েস্ট করেছি যে নিরাপত্তা দেয়া হোক। আমাকে বিজয়নগরে নিরাপত্তা দিয়েছে, আমাকে আশুগঞ্জে নিরাপত্তা দিয়েছে। আইন আছে যে নির্বাচিত এমপি নিরাপত্তা চাইলে লোকাল এরিয়াতে হবে। গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগের সময় একজন এমপি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর এবং উনি মারা যাওয়ার পর এই আইনটা হয়। উনি আমার লোকের ফোনই ধরেন না এবং বলেন, উনি নির্বাচিত এমপি, ওনার নিরাপত্তা মানুষ দেবে। তো এজন্যই মানুষ যা দেখছেন, বাইরে আরও ৫ থেকে ১০ হাজার মানুষ আছে। তো ওরা আমার নিরাপত্তা দিচ্ছে। আমার তো নিরাপত্তা লাগবে, তাই না? সো মানুষ আমার নিরাপত্তা দিচ্ছে। আর ওনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মাটি কাটার থেকে পয়সা নেয়া, আপনার বালু, ইটের ভাটার পয়সা নেয়া ইত্যাদি বিস্তর অভিযোগ। কোনো ঘটনা ঘটলে আপনারা জানেন যে এলাকাটা দাঙ্গাপ্রবণ। দাঙ্গা হওয়ার পরে যখন সব শান্ত হয়, তখন ওনারা ধীরে সুস্থে যান। এই বিষয়গুলো আমি আজকে জানতে এসেছিলাম। এবং উনি যে ব্যবহার আমার সঙ্গে করেছেন, সেটা একজন নির্বাচিত এমপির সঙ্গে করা যায় না।’
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, ‘সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এসেছিলেন। উনি এক দেড়শো লোক নিয়ে থানার মধ্যে হৈচৈ করে একটা অস্থিরতা ও মব তৈরি করেছেন। আমার অফিস কক্ষের মধ্যে কয়েকশো লোক ঢুকে এখানে একটা বিব্রতকর পরিস্থিতর সৃষ্টি করেছে। শুধু তাই নয়, উনি কিছু লোককে শিখিয়ে এনেছেন, যারা আমার বিরুদ্ধে আজেবাজে কথাবার্তা বলছেন, যা আমি প্র্যাকটিস করি না। উনি বলছেন, আমি নাকি কোনো এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গিয়ে ভাত খেয়ে এসেছি। আমি কখনও কারও দাওয়াতেই যাই না। বিয়ের দাওয়াতেও যাই না। রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রাম ছাড়া কোনো কোনো খাবার-দাবার, খানাপিনায় অ্যাটেন্ড করি না। শুধু সরকারি প্রোগ্রাম যেখানে ইউএনও মহোদয় থাকেন এবং আমি থাকি, ম্যাজিস্ট্রেট থাকেন, তখন আমি যাই। উনি আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’
ওসি বলেন, ‘উনি লোক সাজিয়ে নিয়ে এসেছেন। এক লোক বলেছেন, আমাকে নাকি মামলার আসামি ছাড়ার ব্যাপারে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছেন। লোকটাকে আমি কখনও দেখেছি বলে মনে পড়ে না। আসামিরা আসে, অফিসাররা আসামি ধরে হাজতে পাঠায়, আবার কোর্টে চলে যায়। আমার সঙ্গে ইন্টারোগেশনে কোনো প্রয়োজনই হয় না। সে নাকি আমাকেই ৩০ হাজার টাকা দিয়েছে! এটা তো ওনার শেখানো বিষয়। উনি বলছেন যে, আমার বিরুদ্ধে বলেছে যে আমি ব্রিকফিল্ড থেকে টাকা নিই। ব্রিকফিল্ড এখানে হাওড় অঞ্চল, সবগুলো পানির নিচে ডুবানো আছে। উনি এই অভিযোগ কোত্থেকে আনলেন? এতে আমি খুব দুঃখ পেয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘পূজার মধ্যে আমাদের কঠিন প্রোগ্রাম ছিল। আমরা সামগ্রিকভাবে পুরো থানা এলাকার পূজামণ্ডপকে নিরাপদে রেখেছি। উনি বলছেন, রেকর্ড আছে। তো রেকর্ড তো উনি দেখাতে পারেননি। আমি নিরাপত্তা দেই, অস্বীকার করব কেন? এই থানা এলাকার প্রত্যেকটায় আমরা সামগ্রিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি পূজামণ্ডপে। এখন ওনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান চাইতে হবে, সেটা আলাদা বিষয়। উনি এসপির কাছে চাইবেন, গানম্যান ইস্যু হলে, গানম্যান থাকবে। কিন্তু আমি তো একটা টিম ওনার সঙ্গে ওইভাবে এনগেজ করে রাখতে পারি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর মধ্যে ওনি লোকজন নিয়ে ওনার অনুসারীদের নিয়ে আমার কক্ষে এসে অবরুদ্ধ করেছেন, মব করেছেন। থানার বাহিরে মিছিল করেছেন। আমি জানি না এখানে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো লোকজন ছিল কি না। কারণ তিনি ওদের না ধরার জন্য আমাকে সব সময় প্রেশারাইজ করেন। এই যে আজকে যারা এসেছেন, আমি চিনিও না ওদেরকে সবাইকে। হয়তো পরবর্তীকালে জানতে পারবো। ওনারা থানার মধ্যে খুব বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন। আমি নোট ডাউন করে রেখেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১০ অক্টোবরের দুর্ঘটনার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সৌদি এয়ারলাইনসের যাত্রীদের জন্য জরুরি বার্তা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। যেসব যাত্রী এখনও তাদের লাগেজ গ্রহণ করতে পারেননি, তাদের অনলাইনে হারানো লাগেজের অভিযোগ দাখিল করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস এ আহ্বান জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা সৌদি এয়ারলাইনসের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে হারানো লাগেজের অভিযোগ জমা দিতে পারবেন।
যাত্রীদের ‘লস্ট ব্যাগেজ ক্লেম’ বা হারানো লাগেজের অভিযোগ দাখিল করতে হবে। দূতাবাস আরও জানায়, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য এয়ারলাইনসের যাত্রীদের লাগেজ সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাসময়ে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ