শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১৩ এম
ইয়েমেনের বন্দরনগরী এডেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের নিকটে ইরান সমর্থিত হুথিদের দ্বারা চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১৬ জন।
বৃহস্পতিবার আল-মাশিক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের দিকে লক্ষ্য করে এই হামলা সংঘটিত হয়। হামলার সময় পশ্চিমা সমর্থিত প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তারা নিরাপদ থাকলেও, প্রধানমন্ত্রীর দুই দেহরক্ষী নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে ইয়েমেন সরকার।
ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী মোআম্মার আল-এরিয়ানি বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে জানান, হুথিরা আল-মাশিক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের দিকে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, হামলায় পাঁচজন নিহত এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন। হামলার পর প্রাসাদসংলগ্ন এলাকা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। এর আগে, বৃহস্পতিবার প্রাসাদের কাছে বিস্ফোরণের খবর দিয়েছিলেন আল-জাজিরার সংবাদদাতারা।
আল-মাশিক প্রাসাদ সৌদি সমর্থিত এবং পশ্চিমা সমর্থিত সরকারের প্রধান কার্যালয় ও ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজধানী সানা থেকে আল-জাজিরার সংবাদদাতা ইউসুফ মাওরি মন্তব্য করেন, পশ্চিমা সমর্থিত সরকারের প্রধান কার্যালয়ে হুথিদের এই ধরনের হামলা নজিরবিহীন।
তিনি আরও জানান, এই ঘটনা দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত প্রদান করছে। ইয়েমেনে সর্বাত্মক গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে বলেও জানান মাওরি। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবসহ আঞ্চলিক অন্যান্য শক্তিগুলোও সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এডেনে হামলার সময়, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তাইজেও হুথি ও সৌদি সমর্থিত বাহিনীর মধ্যে লড়াই তীব্র হয়ে উঠেছে। আনসার আল্লাহ নামেও পরিচিত হুথিরা একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। তাইজ শহরটি ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর এবং শহরটি ও বিস্তৃত তাইজ গভর্নরেটের নিয়ন্ত্রণ দুই পক্ষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
পশ্চিমা সমর্থিত সরকারপন্থি বাহিনীগুলো জানিয়েছে, তারা তাইজ গভর্নরেটের উপকূলীয় শহর ধুবাবের বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা প্রতিহত করছে। সরকারপন্থি হোমল্যান্ড শিল্ড ফোর্স এক বিবৃতিতে জানায়, তারা সাউদার্ন জায়ান্টস ব্রিগেডের সঙ্গে মিলে বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
তাইজে সহিংসতা বাড়তে থাকায় সেখানকার স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়ার মুখে বলে সতর্ক করেছে বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থা। রোববার দেশটির জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেখানে ‘মানবিক বিপর্যয়ের’ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
এদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, গত ১১ দিনে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তত ২০ বার হামলা চালিয়েছে হুথিরা। এছাড়া, আরও কয়েকটি বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও বন্দরে হামলা চালানো হয়েছে।
জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সৌদি রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিমানবন্দরে হামলার ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, যাত্রীদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটে যেতে।
জোটের দাবি, হুথিদের এসব হামলায় ১৭ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। আল-মালিকি আরও অভিযোগ করেন, আঞ্চলিক অন্যান্য দেশগুলো থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করছে হুথিরা।
দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি বলেন, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সংবাদ সম্মেলনটি সামরিক ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত কিছু ব্যর্থতার জবাব দেওয়ার চেষ্টা ছিল।
তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারার ঘটনা সৌদি আরবের প্রতিরোধক্ষমতা সম্পর্কে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে, হুথিদের কর্মকাণ্ড নিয়েও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এলমাসরি। বিশেষ করে বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলাকে তিনি নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের একটি বড় অংশ এবং প্রধান সরকারি অফিসগুলোর নিয়ন্ত্রণ মূলত হুথিদের হাতেই রয়েছে। ২০১৪ সালের শেষের দিকে হুথিরা সানা দখল করার পর থেকে তারা সেখানে নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামো ও সরকার পরিচালনা করে আসছে। তবে, কূটনীতি এবং জাতিসংঘের দপ্তরে ইয়েমেনের বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকৃতি ভোগ করে কথিত ‘সরকারি বাহিনী’, যাদের সঙ্গে হুথিদের সংঘাত চলছে।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর ঘোড়াশালে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনায় ট্রেনের ধাক্কায় মা এবং তার ৮ বছর বয়সী মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘোড়াশাল বাইপাস সড়কের কাছে রেললাইনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ঘোড়াশালের ফুলদিরটেক এলাকার সৌদি প্রবাসী রাশেদুল ইসলামের স্ত্রী আকলিমা আক্তার পাখি (৩০) এবং তাদের মেয়ে রাফা মনি (৮)। তারা স্থানীয় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতি সম্মান জানিয়ে স্থানীয় দুটি সংগঠন রাঙামাটির সাজেকে পর্যটন সড়ক অবরোধ কর্মসূচি ছয় দিনের জন্য স্থগিত করেছে। আগামী ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত এই অবরোধ স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার পর জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে সাজেক ভ্যালির পর্যটনকেন্দ্রগুলো পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন এবং সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সাজেক মাচালং বাজার পূজা উদ্যাপন কমিটির অনুরোধ এবং দুর্গাপূজার সার্বজনীন উৎসবের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৬ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত সড়ক অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।
সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা এবং সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা যৌথ বিবৃতিতে জানান, সাজেকবাসীর নিরাপত্তা এবং জানমাল রক্ষার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুর্গাপূজার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের উত্থাপিত তিন দফা দাবি ও শর্ত পূরণ না হলে পুনরায় অবরোধ কর্মসূচি কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
অন্যদিকে, অবরোধ স্থগিতের ঘোষণার পর রাঙামাটির জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা আশরাফীর স্বাক্ষরে জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা পূর্ববর্তী নির্দেশনা পরিবর্তন করে সাজেক ভ্যালির সব পর্যটনকেন্দ্র পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়।
জেলা প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের ফলে দুর্গাপূজার ছুটিতে সাজেক ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকেরা। তবে অবরোধ স্থগিতের সময়সীমা শেষে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
প্রসঙ্গত, সাজেক এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিরোধের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি সাজেকের বিভিন্ন এলাকায় ইউপিডিএফ এবং জেএসএসের মধ্যে প্রভাব বিস্তার নিয়ে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে অবরোধ কর্মসূচি পালিত হচ্ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা আরও স্পষ্ট হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার বন ও পিটল্যান্ডে ভয়াবহ দাবানল থেকে সৃষ্ট বিষাক্ত ধোঁয়াশায় দেশটির বিস্তৃত এলাকা ঢেকে গেছে। বাতাস পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে এবং ধোঁয়াশা মুক্ত করার জন্য এবার আকাশে পরীক্ষা-নিরীক্ষামূলকভাবে ‘শুষ্ক বরফ’ (কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড) ছিটাতে শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
চলতি বছর শক্তিশালী এল নিনো’র প্রভাবে চরম খরার মুখোমুখি হয়ে ইন্দোনেশিয়া এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল মৌসুম পার করছে। আশঙ্কাজনক এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার ধোঁয়াশায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দক্ষিণ সুমাত্রা প্রদেশের আকাশে বিমান থেকে ১.৫ টন শুষ্ক বরফ ছিটানো হয়।
এর আগে বৃষ্টি ঘটানোর জন্য মেঘে রাসায়নিক পদার্থ ছিটানোর প্রক্রিয়া কয়েক সপ্তাহ ধরে চালানো হলেও শুষ্ক বরফের এই ব্যবহার সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয়কারী মন্ত্রী দুদং আব্দুর রহমান বলেন, "মেঘ সৃষ্টি করে বৃষ্টি নামানোর বদলে এই শুষ্ক বরফ নিম্ন বায়ুমণ্ডলের ধোঁয়াশাকে ভেঙে দেবে, যাতে তা ওপরের দিকে উঠে যেতে পারে।"
তিনি আরও বলেন, "যদি এই পরীক্ষা সফল হয়, তবে মধ্য কালিমন্তন ও তার আশপাশের ধোঁয়াশাপূর্ণ অন্যান্য এলাকায় আমরা এ কার্যক্রম চালু রাখব।"
দাবানল নেভানো ও বিষাক্ত ধোঁয়াশার প্রভাব কমাতে সব সংস্থাকে জোর তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোওয়া সুবিয়ান্তো। স্বতন্ত্র বন পর্যবেক্ষণকারী প্ল্যাটফর্ম নুসানতারা অ্যাটলাসের তথ্যানুযায়ী, এ বছর ইন্দোনেশিয়ায় ১০ লাখেরও বেশি দাবানল সৃষ্টি হয়ে প্রায় ৯ লাখ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে।
ধোঁয়াশার কারণে কালিমন্তন ও দক্ষিণ সুমাত্রার আকাশ তামাটে রঙ ধারণ করেছে। পাশাপাশি এই দূষিত বায়ু প্রতিবেশী সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ও জোহর বারুতে ক্লাউড সিডিং করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় বৃষ্টির জন্য মালয়েশীয় সংস্থাকে নিজেদের আকাশসীমায় প্রবেশের অনুমতিও দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া।
কৃষিজমি পরিষ্কার করতে উদ্ভিদে আগুন দেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছে। দাবানলের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইন্দোনেশিয়ার পুলিশ ইতোমধ্যে ২০০ জনেরও বেশি ব্যক্তি এবং ৯টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাহিদ রানা চোট থেকে সুস্থ হয়ে উঠতে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার সময় নতুন শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করেছেন। এই কারণে, গতকাল রাতে অস্ট্রেলিয়ার পার্থের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বাংলাদেশ দলের এই ফাস্ট বোলার। সেখানে তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিজের শারীরিক অবস্থার মূল্যায়ন করাবেন।
নাহিদ রানার সব মেডিক্যাল রিপোর্ট পার্থের চিকিৎসক পিটার দি’আলেসান্দ্রোর কাছে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকের অনলাইন পরামর্শ ছিল, নাহিদ যদি চান তবে দেশে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন। তবে, সব ধরনের ঝুঁকি এড়াতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পার্থের কোস্টাল অর্থোপেডিক হাসপাতালে, পিটার দি’আলেসান্দ্রো নাহিদকে সশরীর দেখে যেভাবে পরামর্শ দেবেন, সেভাবেই তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। বিসিবি সেখানে নাহিদের ১০ দিনের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। এই প্রক্রিয়ায় পিটার দি’আলেসান্দ্রোর সঙ্গে স্থানীয় একজন ট্রেনারও থাকবেন।
বোর্ডের একটি সূত্র জানায়, ‘নাহিদ রানার নতুন করে কোনো চোট হয়নি। তবে যেহেতু সে আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, তাই তার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে আমরা আরেকটি বিশেষজ্ঞ মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
গত জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ে সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজ চলাকালে সাইড স্ট্রেইনের কারণে নাহিদ রানা ছিটকে পড়েন। এরপর থেকে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ, এশিয়ান গেমস এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে অংশ নিতে পারেননি।
একই কারণে আবুধাবিতে আসন্ন ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজেও নাহিদকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। নিতম্বে ব্যথার কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজেও তার না খেলার সম্ভাবনা বেশি। তবে, নভেম্বরের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দুটি টেস্টে তাকে কীভাবে খেলানো যায়, সেটিই এখন বিসিবির প্রধান লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ