ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধানমন্ডি লেককে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক


ধানমন্ডি লেককে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

ধানমন্ডি লেককে কোনোভাবেই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেন, লেকের সৌন্দর্য সংরক্ষণ, পানির মান উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে হকার ও রিকশাচালকদের নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

তিনি রোববার (৭ জুন) সকালে ধানমন্ডি লেক সংলগ্ন রাশিয়ান কালচারাল সেন্টারে ডিএসসিসি গণশুনানিতে এসব মন্তব্য করেছেন। নাগরিক সেবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধন কার্যক্রম আরও কার্যকর করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ডিএসসিসির প্রশাসক আজ বলেন, সিটি করপোরেশন জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে কাজ করবে এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনে তা দ্রুত সমাধান করবে। তিনি বর্জ্য অপসারণে রেকর্ড অগ্রগতির উল্লেখ করেন এবং নাগরিকদের নিয়ম মানার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ

আবদুস সালাম জানান, গত কয়েকটি ঈদে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশন আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে কাজ করেছে। তবে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার জন্য নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য ফেলতে হবে নির্দিষ্ট স্থানে, কারণ যেকোনো সময় বর্জ্য ফেলা হলে তা দ্রুত অপসারণ করা সম্ভব হয় না।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে লেক ও আশপাশের পরিবেশ সংরক্ষণে কাজ চলছে। এই বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। তবে লেকের পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবার সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজন।

লেক এলাকার কোনো অংশকে বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দেয়া হবে না জানিয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, এটি একটি উন্মুক্ত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশসমৃদ্ধ স্থান হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে, যেখানে এলাকার মানুষ অবাধে হাঁটাচলা ও অবসর কাটাতে পারবেন। শুধুমাত্র সীমিত পরিসরে কিছু সুযোগ-সুবিধা থাকতে পারে, তবে পুরো এলাকাকে রেস্টুরেন্ট বা বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রে পরিণত করা যাবে না।

এছাড়াও তিনি বলেন, ধানমন্ডিকে একটি পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান ও জনসেবামূলক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকাটির পরিবেশ আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খল রাখার জন্য পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: চলতি মাসেই সরকারি চাকরিজীবীরা পাচ্ছেন বড় সুখবর

আবদুস সালাম জানান, এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র নিউ মার্কেটকেও আরও পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক বাজার হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। বাজার ও আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি মন্তব্য করেন, অনেক স্থানে হকারদের কারণে ফুটপাত ও সড়ক দখল হয়ে যাচ্ছে এবং ময়লা-আবর্জনার কারণে পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে। অথচ স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা নিয়মিত কর ও সেবামূল্য পরিশোধ করলেও হকাররা অনেক ক্ষেত্রে সেই সুবিধা ভোগ করছেন, কিন্তু পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সমান দায়িত্ব পালন করছেন না। তাই সবার জন্য সমান নিয়ম ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৬ পি.এম


রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি

ঢাকা, ৭ জুন, ২০২৬ : এবছর সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বুধবার, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ যথাযোগ্য সম্মানের সঙ্গে ও ব্যাপক কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপন করার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছে।

একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী এই উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ শাখা থেকে উপ সচিব শবনম মুস্তারী রিক্তা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন করার জন্য গত ৩ মে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছে। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের লক্ষ্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসন পর্যন্ত ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এ উপলক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, উপজেলা প্রশাসনসহ দেশের প্রায় সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানকে এতে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

কার্যবিবরণী বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে স্মারক পাঠানো হয়েছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, তথ্য অধিদপ্তর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরকে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও কার্যবিবরণীতে নির্দেশনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মাঠ প্রশাসনের অংশ হিসেবে দেশ বরাবরের সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে কার্যবিবরণী পাঠানো হয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও দিবসটি উদযাপনের জন্য সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দিবসটি উদযাপনের প্রস্তুতির সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবহন, ধর্ম, সমাজকল্যাণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক, প্রবাসী কল্যাণ, পরিবেশ, বাণিজ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

এতে জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন খাতভিত্তিক বিশেষ আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ স্কাউটস, বিএনসিসি এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদকেও কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে। সরকারি সূত্রগুলো বলছে, julho গণঅভ্যুত্থান দিবসকে জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে সারাদেশে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি আয়োজন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা, আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠান এবং গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দিবসটির গুরুত্ব জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় বিচারিক প্রক্রিয়ার মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

তিনি মন্তব্য করেন, শিশু রামিসা আক্তার হত্যা ও ধর্ষণের মামলায় রাষ্ট্রের সব যন্ত্র সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে, যার ফলস্বরূপ এত দ্রুত বিচারের জন্য এটি সম্ভব হয়েছে।

রবিবার শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার রায়ের ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি সুপ্রিম কোর্টে একটি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, এত কম সময়ে শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার সম্পন্ন করে রাষ্ট্র তার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে।

এর আগে, রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেন আদালত। রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধের ১০০ দিন: কতবার সমঝোতার পথে ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২১ পি.এম


যুদ্ধের ১০০ দিন: কতবার সমঝোতার পথে ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে প্রথম হামলা চালানোর ১০০ দিন পার হয়ে গেলেও, এখনও কোনো শান্তি চুক্তি হয়নি। তবে, এই সময়ের মধ্যে কয়েক দফায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যখন দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। এই অভিযানের মাধ্যমে সংঘাতের সূচনা ঘটে। হামলার পরপরই ইরান পাল্টা জবাব দেয়, এবং দেশটি ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু ও উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়।

এই ঘটনায় পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলতে থাকে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরো অস্থির হয়ে ওঠে। আন্তর্জাতিক মহলও সংঘাত বন্ধে উদ্যোগ নিতে শুরু করে।

এর মধ্যে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর বড় ধরনের সামরিক সংঘর্ষ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে, যা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার আশা তৈরি করে।

তবে, শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা খুব বেশি দূর এগোয়নি। ১২ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু, সেই আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই ভেঙে যায়।

আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও কূটনৈতিক যোগাযোগ বন্ধ হয়নি, এবং এরপর থেকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষ একাধিক শান্তি প্রস্তাব আদান-প্রদান করে আসছে। বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চললেও, এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।

এদিকে, শান্তি প্রচেষ্টার পাশাপাশি নতুন করে কয়েকটি উত্তেজনাকর ঘটনাও ঘটেছে, যা এসব ঘটনার কারণে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ফলে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও, অঞ্চলটির পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। শান্তি আলোচনার ভবিষ্যতের নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মে মাসে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাজ্য-সৌদিসহ যেসব দেশ থেকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


মে মাসে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাজ্য-সৌদিসহ যেসব দেশ থেকে

গত মে মাসে দেশে এসেছে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে। এছাড়া এই শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় আরও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ।

রোববার (৭ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ বিষয়টি জানা গেছে।

এতে বলা হয়, গত মে মাসে যুক্তরাজ্য প্রবাসীরা দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৪ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। এছাড়া শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় আরও ইতালির মতো দেশগুলো রয়েছে, যেমন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, ইতালি, কুয়েত, সিঙ্গাপুর ও কাতার।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৪ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে। আর সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, ইতালি, কুয়েত, সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে মে মাসে যথাক্রমে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৬ কোটি ৮১ লাখ ৬০ হাজার, ৩০ কোটি ১ লাখ ৬০ হাজার, ২৬ কোটি ১৪ লাখ, ২০ কোটি ৯৯ লাখ ২০ হাজার, ১৬ কোটি ৭২ লাখ ৩০ হাজার, ১৬ কোটি ৬২ লাখ ৬০ হাজার, ১৪ কোটি ১০ লাখ ৬০ হাজার ও ১২ কোটি ৬৮ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।

মে মাসে দেশে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে গণ্য করা হয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৪৬ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২৩৮ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। গত মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এছাড়া, গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের অংক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%