শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৫ পি.এম
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ মিছিলের প্রেক্ষাপটে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপককে আটক করার পর, এবার বামপন্থী ছাত্রসংগঠন সর্বভারতীয় ছাত্র সমিতির জাতীয় সভাপতি নেহা বোরাকেও আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
হিন্দুস্তান টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, নেহা বোরা যখন মিছিলে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন পুলিশ তার নিজ বাসা থেকে অভিজিৎ দীপককে আটক করে। অন্যদিকে, মিছিল শুরু হওয়ার কিছু সময় পর মান্ডি হাউসের কাছে নেহা বোরা আটক হন।
এর আগে, দিল্লি পুলিশ কনট প্লেসে অভিজিৎ দীপককে নোটিস প্রদান করে জানায় যে, সেখানে কোনো বিজ্ঞপ্তিভুক্ত প্রতিবাদস্থল নেই। তাকে মিছিল না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সিজেপির দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর প্রতিবাদে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। গত ১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরের প্রতিবাদের নির্ধারিত স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রত্যাহার করার পর, সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ওই দুই নেতা। এরপর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এক কৃষকের ধানখেতে পানি সেচের দুটি পাম্প। এতে চার হেক্টর জমির ধান চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক আরকান মোল্যা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের দরুণা ফসলের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।
ভুক্তভোগী আরকান মোল্যা (৪৫) উপজেলার জাটিগ্রাম দক্ষিণপাড়া এলাকার সিরাজুল হক সুরাপ মোল্যার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। চলতি মৌসুমে দরুণা মাঠে তাঁর চার হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ চলছে। জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য প্রায় ৭০০ ফুট দূরত্বে দুটি স্যালো মেশিন (সেচপাম্প) স্থাপন করেছিলেন তিনি।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে জমিতে সেচ দিতে গিয়ে একটি পাম্প পোড়া অবস্থায় দেখতে পান আরকান মোল্যা। পরে মাঠের অন্য প্রান্তে থাকা দ্বিতীয় পাম্পটির কাছে গিয়ে সেটিও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দেখতে পান।
কৃষক আরকান মোল্যা বলেন, কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না তিনি। তবে শত্রুতার জেরে কেউ এমনটি করেছে বলে তাঁর ধারণা। সেচ দিতে না পারলে চার হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা জানিয়ে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এই কৃষক।
আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল সারোয়ার বলেন, সেচপাম্প পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলোয়া তারিণী এলাকার নিবাসী মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মিনহাজ উদ্দিন মিলিটারির দাফন রাষ্ট্রীয়, ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে।
মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে অবদান রাখা এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার মধ্য দিয়ে শেষ বিদায় জানানো হয়। তাঁর দাফন কার্যক্রমে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করা হয়। এ সময় তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মিনহাজ উদ্দিন মিলিটারির মৃত্যুতে তাঁর পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয়রা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হারানোর শোক প্রকাশ করেন।
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলে স্তন ক্যানসারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ হয়ে ওঠা নারীদের নিয়ে টাঙ্গাইলে আয়োজন করা হয়েছে এক মিলনমেলার। এতে অংশ নেন প্রায় ৬০ জন স্তন ক্যানসারজয়ী নারী। সচেতনতা বৃদ্ধি ও রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা নারীদের সাহস জোগাতেই এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
ভয়েস ওভার:
ক্যানসারের কঠিন সময় পেরিয়ে তাঁরা এখন সুস্থ জীবনে ফিরেছেন। চিকিৎসা, মানসিক শক্তি আর পরিবারের সহযোগিতায় নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা। এসব নারীর আনন্দ ভাগাভাগি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে স্তন ক্যানসার সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে টাঙ্গাইলে আয়োজন করা হয় এ মিলনমেলার।
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর সকালে টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা ওভারপাসের পূর্ব পাশে চিকলি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠা প্রায় ৬০ জন নারীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
বাইট: ডা. এস. এম. নাজমুল আলম
সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, অনকোলজি বিভাগ, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
ভয়েস ওভার:
আয়োজকরা জানান, বিশ্বজুড়ে অক্টোবর মাস স্তন ক্যানসার সচেতনতার মাস হিসেবে পালিত হয়। এ মাসে নারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যানসার শনাক্ত করতে উৎসাহিত করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় প্রতিবছর অক্টোবর মাসে এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চান তাঁরা।
বাইট: স্তন ক্যানসারজয়ী নারী
ভয়েস ওভার:
চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠা নারীরা জানান, ডা. নাজমুল আলমের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে তাঁরা সুস্থ হয়েছেন। এ মিলনমেলায় অংশ নিতে পেরে তাঁদের ভালো লাগছে। তাঁদের মতে, ক্যানসারের মতো কঠিন রোগের চিকিৎসার সময় পরিবারের সদস্যদের পাশে পাওয়া অনেক বড় সৌভাগ্যের বিষয়। পরিবারের সহযোগিতা ও মানসিক সমর্থন তাঁদের এ কঠিন লড়াইয়ে সাহস জুগিয়েছে।
আউট্রো:
ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণে উৎসাহ এবং ক্যানসারজয়ী নারীদের অভিজ্ঞতা অন্যদের কাছে তুলে ধরতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে 'ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬'-এর অংশ হিসেবে কঁচা নদীতে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে নদী থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ এবং পরবর্তীতে তা প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সার্বিক সহায়তায় কঁচা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান চালানো হয়।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে নদী থেকে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২২ হাজার টাকা। জব্দকৃত জালগুলো পরবর্তীতে স্থানীয় সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।অভিযানের বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন,"জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিতে আমাদের 'জিরো টলারেন্স' নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত আমাদের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইলিশের বংশবৃদ্ধির সুফল স্থানীয় জেলেসহ সর্বস্তরের জনগণই পাবেন। তাই মা ইলিশ রক্ষায় সবাইকে প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।"উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান জানান,"উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেহানা আক্তার স্যারের সার্বিক নির্দেশনায় মা ইলিশ রক্ষায় আমরা নিয়মিত টহল দিয়ে যাচ্ছি। নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মা ইলিশের নিরাপত্তায় পুরো প্রজনন মৌসুম জুড়েই আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ