০৪:২৪ পি.এম
ভারতের মধ্যপ্রদেশের একটি সরকারি হাসপাতাল থেকে প্রায় ৪ লাখ রুপির গয়না ও নগদ অর্থসহ একটি ব্যাগ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়। তবে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, কথিত ‘চোর’ কোনো মানুষ নয় একটি কুকুর। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে পুরো ঘটনা।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রদেশের মন্দসৌর জেলা হাসপাতালের সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটে। একটি কুকুর ওয়ার্ডে ঢুকে এক নারীর গয়না ও অর্থ রাখা ব্যাগ মুখে করে নিয়ে যায়।
ব্যাগটির মালিক নাহারগড় থানার অধীন কায়ামপুর এলাকার বাসিন্দা লতাবাই বাল্মীকি। তার ছেলে হাতের আঘাতের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি ছিল। ছেলেকে দেখতে গিয়ে সঙ্গে গয়না ও নগদ অর্থ রাখা ব্যাগটি নিয়ে হাসপাতালে যান তিনি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি
লতাবাইয়ের অভিযোগ, রোববার ও সোমবারের মধ্যবর্তী রাত ১টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে কোনো একসময় ব্যাগটি নিখোঁজ হয়। ব্যাগে ছিল রুপার কোমরবন্ধনী, নূপুর, ঘুঙুর ও আঙুলের আংটি। এ ছাড়া ছিল একটি সোনার মঙ্গলসূত্র, দুটি সোনার আংটি, সোনার পুঁতি, কানের দুল, নাকফুল এবং প্রায় ২ হাজার রুপি নগদ।
সব মিলিয়ে গয়না ও নগদ অর্থের মূল্য প্রায় ৪ লাখ রুপি বলে ধারণা করা হয়। ব্যাগটি খুঁজে না পেয়ে লতাবাই সিটি কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করেন। গয়নার মূল্য বেশি হওয়ায় পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া হেড কনস্টেবল অজয় সোলাঙ্কিসহ পুলিশ সদস্যরা হাসপাতাল প্রাঙ্গণের বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করেন। তখনই দেখা যায়, একটি কুকুর সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে ঢুকে ব্যাগটি মুখে করে নিয়ে যাচ্ছে।
এরপর হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে থাকা ক্যামেরার ফুটেজ দেখে কুকুরটির গতিবিধি অনুসরণ করে পুলিশ। শেষ পর্যন্ত হাসপাতাল প্রাঙ্গণের একটি খোলা জায়গায় গিয়ে ব্যাগটির সন্ধান পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার শিকার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হলো, ব্যাগের ভেতরে থাকা গয়না ও নগদ অর্থ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোমবার সন্ধ্যায় উদ্ধার হওয়া গয়না ও অর্থ লতাবাইয়ের হাতে তুলে দেয় পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন