ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

অভাবকে জয় করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের আদিবাসীরা


অভাবকে জয় করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের আদিবাসীরা

অভাবকে জয় করে তাদের নিজেদের পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ানোর নিরন্তর চেষ্টা করে চলেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তবে সঠিক সুযোগ ও পুঁজি না থাকায় তাদের জীবনযাত্রায় বারবার ছন্দপতন ঘটে গেছে। জেলার দুর্ভোগে থাকা বেশ কিছু আদিবাসী পল্লির চিত্র ঠিক এমনই। একসময় প্রতিদিন কাজের সন্ধানে ছুটতে হতো পথে-প্রান্তরে, নতুবা চুলোয় হাঁড়ি উঠতো না। বর্তমানে কিন্তু তাদের জীবনে পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে, বাড়িতে শুরু হয়েছে পশু পালন, হাঁস-মুরগি লালন-পালনের পাশাপাশি সবজি ও ধান চাষও করা হচ্ছে।

রোববার (৯ আগস্ট) বিশ্ব আদিবাসী দিবসে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া গ্রামের আরতি মার্ডির জীবন বদলের গল্পটা যেন প্রমাণ করে দেয় যে, সুযোগ, প্রশিক্ষণ, পুঁজি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে প্রান্তিক আদিবাসী মানুষ নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে সক্ষম।

পঞ্চাশের কোঠায় পৌঁছানো আরতি মার্ডির রয়েছে পাঁচ সদস্যের একটি পরিবার। একসময় তার নিজস্ব কোনো ভিটেমাটি না থাকায় খাসজমিতে ছাপড়া তুলে বসবাস করতে হতো। তিনি দিনমজুর স্বামী ও সন্তানের সংসার চালাতে গিয়ে যথেষ্ট কষ্টে ছিলেন। জীবনের সেই কঠিন সময়ে ২০১৯ সালের অক্টোবরে উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও-র 'পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপি)' প্রকল্পের মাধ্যমে যুক্ত হন 'প্রসপারিটি বনফুল ইকো গ্রাম কমিটি'-তে। করোনাকালে প্রকল্পের সাহায্যে পাওয়া ৯ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি ছাগল কেনার মাধ্যমে তার ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পের সূচনা হয়।

আরও পড়ুন: পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ, হাতকড়াসহ দুই আসামির পালানোর অভিযোগ

এরপর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি সরকারি ঘর ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে একটি গাভী পান। সংস্থাটির থেকে পাওয়া সহজ শর্তের ঋণ ও সহায়তায় তিনি ৫৫ শতাংশ জমিতে মিষ্টি কুমড়া এবং ৫০ শতাংশ জমিতে ধান-সবজি চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তার ৩টি গাভী, ৫টি ছাগল, ৫টি হাঁস এবং ১৫টি মুরগি রয়েছে। এখন তিনি সবজি চাষ, হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু থেকে মাসিক আয় পাচ্ছেন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে সেটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে তিনি প্রায় ১২ লাখ টাকার সম্পদ গড়তে সক্ষম হয়েছেন। তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি পেয়েছেন ‘শ্রেষ্ঠ নারী উদ্যোক্তা’ পুরস্কার।

নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে আরতি মার্ডি বলেন, 'একসময় প্রতিদিনের খাবারের চিন্তায় ঘুম হতো না। ইএসডিও-র পরামর্শ ও সহায়তায় ধীরে ধীরে সবজি চাষ ও পশু পালন শুরু করি। এখন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারছি।'

একই ইউনিয়নের নালাডাঙ্গী এলাকার শান্তি মার্ডির গল্পটিও অনুপ্রেরণা যোগায়। দিনমজুর স্বামীর সামান্য আয়ে চলতে থাকা সংসারে তিনি ইএসডিও-র সহায়তায় ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) উৎপাদন শুরু করেন। সংস্থার তরফে ৫০ হাজার টাকা অনুদান পেয়ে ৬টি সেটে কেঁচো সার তৈরি করছেন তিনি। প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে সার বিক্রি করে মাসে বর্তমানে তার আয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।

আদিবাসী পল্লির আরতি ও শান্তির মতো অন্যান্যদের জীবনেও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন, যেমন মিনতি সরেন, চিন্তামনি মুর্মু, জসপিনা মুর্মু, সখিনা সরেন এবং সুমি হাসদার জীবনেও। তবে জীবনের মান আরও উন্নয়ন করার জন্য স্থানীয়রা সরকারি উদ্যোগ নেওয়ার জোর দাবী জানান। আদিবাসী নারীরা বলছেন, 'আমাদের জীবন অনেকটাই বদলেছে। তবে সরকার যদি সমতল আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন, চাকুরির কোটা পুনর্বহাল, দখলকৃত ভূমি উদ্ধার এবং শিল্প-সংস্কৃতি রক্ষার স্থায়ী উদ্যোগ গ্রহণ করে, তাহলে আমাদের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ সম্ভব।'

আরও পড়ুন: কৃষিজমির কাজ ও গবাদিপশুর চারণভূমি রক্ষায় মানববন্ধন

এ বিষয়ে ইএসডিও-র টেকনিক্যাল অফিসার মো. জান্নাতুল ফেরদৌস এবং টিম লিডার মোছা. মোসলেমা খাতুন জানান, কেবল আর্থিক সহায়তাই শেষ কথা নয়। প্রান্তিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষি ও পশুপালনে যুক্ত করা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও সরকারি সেবায় তাদের সম্পৃক্ত করা মূল লক্ষ্য। আরতি ও শান্তির মতো নারীদের সফলতা এখন পুরো পল্লির অন্যান্য পরিবারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তামাক পণ্যের মোড়কে সচিত্র সতর্কবাণী, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই মানছে না আইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


তামাক পণ্যের মোড়কে সচিত্র সতর্কবাণী, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই মানছে না আইন

তামাকজাত পণ্যের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী দেওয়ার হার গত বছরের তুলনায় বেড়ে ৮৮ শতাংশে পৌঁছালেও, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ৫০ শতাংশ জায়গাজুড়ে তা রাখার ক্ষেত্রে মাত্র ৩৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠান মানছে। এ ছাড়া, ৭৩ শতাংশ মোড়কের উভয় পাশে সংবিধিবদ্ধ এই সতর্কবাণী পাওয়া যায়নি।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ সেলের (টিসিআরসি) সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রকাশ করে যে, তামাক পণ্যের মোড়কে সচিত্র সতর্কবাণী ও অন্যান্য বাধ্যতামূলক তথ্য প্রদর্শনে এমন ব্যাপক আইন লঙ্ঘনের চিত্র উঠে এসেছে।

আজ রবিবার (৯ আগস্ট), রাজধানীর একটি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট ও টিসিআরসি যৌথভাবে ‘আইন অনুযায়ী তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়ন : বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার এই ফল প্রকাশ করে।

উন্নয়ন সংস্থা ‘সেতু’র প্রকল্প পরিচালক শাগুফতা সুলতানার সভাপতিত্বে, ও টিসিআরসির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ফারহানা জামান লিজার সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও নীতি বিশ্লেষক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোটের নেটওয়ার্ক অফিসার আজিম খান প্রমূখ। এ ছাড়া গবেষণা তথ্য উপস্থাপন করেন টিসিআরসির প্রকল্প কর্মকর্তা বিভূতী ভূষণ মাহাতো।

তিনি বলেন, ৮৮ শতাংশ মোড়কে সতর্কবাণী থাকলেও, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ৫০ শতাংশ জায়গাজুড়ে তা রয়েছে মাত্র ৩৭ শতাংশ মোড়কে।

এ ছাড়া ২৯৭টি জর্দার মোড়কের মধ্যে মাত্র ২৮ শতাংশে এবং ২০টি গুলের মোড়কের কোনোটিতেই নির্ধারিত ৫০ শতাংশ জায়গায় সতর্কবাণী ছিল না বলে জানান তিনি।

গবেষণা চালানো ৩৯৪টি পণ্যের মোড়কের মাত্র ১৬ শতাংশে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য (এমআরপি) এবং ৫৫ শতাংশে উৎপাদনের তারিখ উল্লেখ ছিল। এ ছাড়া, ৮০ শতাংশ মোড়কেই কোনো ট্রেড লাইসেন্স নম্বর পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া, তামাকের ব্র্যান্ড নাম বা স্ট্যাম্প দ্বারা সতর্কবাণী আংশিক ঢেকে রাখা, খোলা তামাক ও খুচরা শলাকা বিক্রি এবং নিম্নমানের মোড়ক ব্যবহারের মতো বিভিন্ন অভিযোগও সামনে এসেছে।

সংবাদ সম্মেলনে, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও নীতি বিশ্লেষক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে গবেষণালব্ধ তথ্য নীতি নির্ধারণ ও আইন বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রাখে। এই জাতীয় ধারাবাহিক গবেষণার ফলেই তামাক কোম্পানির বেআইনি বিএসটিআই লোগো ব্যবহার বন্ধ সম্ভব হয়েছে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এবং ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী যৌথভাবে বলেন, জর্দা ও গুলের মতো ধোঁয়াশূন্য তামাক পণ্যের ক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘনের হার সবচেয়ে উদ্বেগজনক। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃশ্যমান ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান তারা।

গবেষণায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারা ১০ বাস্তবায়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়— ১. সংশোধিত আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়ন করে মোড়কের ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী ও স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। ২. খুচরা শলাকা, খোলা তামাক এবং পানের সঙ্গে জর্দা বিক্রি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। ৩. তামাক কোম্পানিগুলোকে একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অধীনে নিবন্ধনের আওতায় আনা। ৪. নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং আইন লঙ্ঘনকারী তামাকপণ্য বাজেয়াপ্ত করে ধ্বংস করা।

এ ছাড়া, সব তামাক কোম্পানিকে একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অধীনে নিবন্ধনের আওতায় আনা এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা, উৎপাদনের তারিখ, সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্যসহ সব বাধ্যতামূলক তথ্য সঠিকভাবে মুদ্রণ নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেট ফুয়েলের নতুন দাম ঘোষণা, কার্যকর রাত ১২টা থেকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


জেট ফুয়েলের নতুন দাম ঘোষণা, কার্যকর রাত ১২টা থেকে

দেশে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। রবিবার (৯ জুলাই) বিকেল বেলা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দাম বাড়ানোর তথ্য জানিয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী ফ্লাইটগুলোর জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম হবে ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা। এছাড়া, আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটগুলোর জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দশমিক ১ দশমিক ০৩৫৮ ডলারে।

এর আগে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটগুলোর জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা। আরও উল্লেখযোগ্য, আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল দশমিক ৮৫৫৬ ডলার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সদরপুরে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কিশোর নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


সদরপুরে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কিশোর নিহত

ফরিদপুরের সদরপুরে সংঘটিত এক ঘটনায় অজ্ঞাত একটি অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক কিশোর নিহত হন। নিহত কিশোরের নাম বিজয় দাস, বয়স ১৭।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে সদরপুর উপজেলার সাড়ে সাতরশি গ্রামের আয়নালের মোড় এলাকায় ভাঙ্গা-বগাইল থেকে সদরপুরগামী সড়কে ঘটনাটি ঘটে। নিহত বিজয় দাস সদরপুর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চিত্তরঞ্জন দাসের পুত্র।

স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজয় দাস মোটরসাইকেল নিয়ে ভাঙ্গা থেকে সদরপুরের দিকে যাত্রা করছিলেন। যখন আয়নালের মোড় এলাকার কাছে পৌঁছান, তখন বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অজ্ঞাত অটোরিকশার সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে তিনি গুরুতরভাবে আহত হয়ে সড়কে পড়ে যান।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদরপুর বিশ্ব জাকের মঞ্জিল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিজয় দাসকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে সদরপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। দুর্ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের নতুন রাজনীতিতে সুফল পাবে প্রত্যেক মানুষ: আমির খসরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


তারেক রহমানের নতুন রাজনীতিতে সুফল পাবে প্রত্যেক মানুষ: আমির খসরু

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, তারেক রহমানের রাজনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের। দেশের লক্ষ্য অনুযায়ী তার নতুন চিন্তায় বাংলাদেশ গড়ার কাজ শুরু হয়েছে। এই রাজনীতিতে দেশের কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষ বাদ যাবে না। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রত্যেক মানুষ উন্নয়নের সুফল পাবে।

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনে গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আমির খসরু আরও বলেন, বাংলাদেশের যুবসমাজ, শিশু, নারী, কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী- এই বাজেটে কেউ বাদ যায়নি। প্রত্যেক মানুষের সমস্যা প্রধানমন্ত্রী জানেন। তিনি নতুন রাজনীতি শুরু করেছেন এবং নতুন চিন্তায় বাংলাদেশ গড়ার কাজ শুরু হয়েছে। কারণ বিশ্ব পাল্টে গেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যেক মানুষের বাড়ি বাড়ি অর্থনীতির সুফল পৌঁছে যাবে। প্রত্যেক নারীর ঘরে ঘরে সেই সুফল পৌঁছাবে। পরিবারের প্রধান নারী ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। কৃষকের কাছে কৃষিকার্ড যাবে। আলেম-ওলামাদের জন্য আলাদা বাজেট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আমির খসরু বলেন, সর্বস্তরের মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। বিনা পয়সায় যাতে মানুষ অসুস্থ না হন, সে জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করা হচ্ছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কারণ, এই দুটি মানুষের প্রধান ব্যয়ের খাত। এসব খাতে যদি মানুষের খরচ কমে যায়, ফ্যামিলি কার্ড পেলে এবং কৃষক কার্ডের টাকা পেলে, আলেম-ওলামারা সহায়তা পেলে, তাহলে আর কেউ বাকি থাকবে না। দেশের প্রত্যেক মানুষ উন্নয়নের ছোঁয়া পাবে।

বাঁশখালীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাঁশখালীর উন্নয়নের ব্যাপারে চিন্তার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, বাঁশখালীর যত সম্ভাবনা আছে, সবগুলোকে সরকার কাজে লাগাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%