মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:০৫ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা ও আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন উপলক্ষে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনের অংশ হিসেবে "কাঁঠাল চাঁদপুর সর্বজনীন দুর্গা মন্দির" পরিদর্শন করেছেন গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জিল্লুর রহমান।
আজ শুক্রবার ১৬ অক্টোবর সকালে পরিদর্শনকালে তিনি রহনপুর ইউনিয়নের ০৯ নম্বর ওয়ার্ডের উজিরপুর ডাকঘরের অধীনে অবস্থিত ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহাসিক 'কাঁঠাল চাঁদপুর সর্বজনীন দুর্গা মন্দির'-এর সামগ্রিক অবস্থা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সার্বিক আয়োজনের খোঁজখবর নেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিল্লুর রহমান পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে উৎসব পালনে প্রশাসন থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, "ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। এলাকায় উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের পাশে থাকবে।"
পরিদর্শনকালে মন্দির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ইউএনও সাহেবের এই আন্তরিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও এলাকাবাসী গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আগমনী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ষষ্ঠীতে দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শেরপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। শেরপুর জেলা প্রতিনিধি শেখ রিয়াজ এর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে বিস্তারিত ডেস্ক রিপোর্ট।
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, শেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের গোপাল জিউর মন্দির থেকে এক বর্ণাঢ্য আগমনী শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন। পরে শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় গোপাল জিউর মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় শোভাযাত্রায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর আরিফ আহমেদ, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, সদস্যসচিব সুব্রত দেসহ জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
শোভাযাত্রায় শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপের পক্ষ থেকে রঙবেরঙের ব্যানার, বিভিন্ন প্রতিমার প্রতিকৃতি এবং প্রতীকী পূজামণ্ডপের সাজে শিশু ও পুণ্যার্থীরা অংশ নেন। বর্ণাঢ্য এ শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেরপুরে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রয়াত আয়ূব খানের স্মৃতি, ত্যাগী রাজনীতির উত্তরাধিকার বহন করছেন হাজী সোয়াব খান; আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়ার ঘোষণা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের বিএনপির রাজনীতিতে একসময় আলোচিত দুটি নাম ছিল আপন দুই সহোদর আয়ূব খান ও হাজী সোয়াব খান। তাঁদের মধ্যে আয়ূব খান প্রয়াত হয়েছেন। তবে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রসঙ্গে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে এখনো আলোচনায় আসে এই দুই ভাইয়ের নাম।
সময় বদলেছে, বদলেছে রাজনৈতিক পরিস্থিতিও। ভলাকুট ইউনিয়নে বিভিন্ন দল থেকে আসা অনেকেই বর্তমানে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়। এর মধ্যেও পুরোনো ও ত্যাগী নেতাদের অবদান নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। সেই আলোচনায় হাজী সোয়াব খানকে বিএনপির দীর্ঘদিনের একজন নেতা হিসেবে তুলে ধরেন তাঁর অনুসারীরা।
জাপান থেকে দেশে ফিরে বিএনপির রাজনীতি ও জনসেবায় যুক্ত হন হাজী সোয়াব খান। তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের দাবি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তাঁকে বিপুল আর্থিক ক্ষতি, মিথ্যা মামলার হয়রানি এবং একাধিকবার কারাবরণের মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
হাজী সোয়াব খান নাসিরনগর উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ভলাকুট ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সদস্য। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তাঁর ভূমিকা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা নিয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
সম্প্রতি মালদ্বীপ সফরকালে প্রবাসীদের আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. হান্নান ভলাকুট ইউনিয়নের বিএনপির রাজনীতিতে হাজী সোয়াব খানের জনপ্রিয়তা ও অবদান প্রসঙ্গে বক্তব্য দিয়েছেন, যা সোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে।
তেলবাজির রাজনীতি নিয়ে হতাশাঃ
দলীয় রাজনীতিতে তেলবাজি ও চাটুকারিতাকে অপছন্দ করেন হাজী সোয়াব খান—তিনি জানান রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যক্তিগত প্রশংসা ও তোষামোদ যখন গুরুত্ব পায়, তখন দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতারা অনেক ক্ষেত্রে উপেক্ষিত বোধ করেন।
সোয়াব খানের বক্তব্য বর্তমানে সর্বত্র তেলবাজদের প্রাধান্য বাড়ছে, আর ত্যাগী নেতারা যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছেন না। এ পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মধ্যে হতাশা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন সোয়াব খানঃ
রাজনৈতিক জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আসন্ন ভলাকুট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন হাজী সোয়াব খান। তিনি আশা করছেন, এলাকার ভোটাররা তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ত্যাগ ও জনসেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে মূল্যায়ন করবেন।
ভলাকুট ইউনিয়নের নির্বাচনী রাজনীতিতে তাঁর এই ঘোষণা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রয়াত আয়ূব খান ও তাঁর সহোদর হাজী সোয়াব খানের রাজনৈতিক পথচলা ঘিরে স্থানীয় বিএনপির পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে বর্তমান রাজনীতিতে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সেই প্রশ্নগুলোর প্রতিফলন ঘটানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরোধী দল কোনো রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করছে না; আমার মনে হয়, এটি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, একটি সমিতি। এই সমিতির কিছু লোক সব সময় অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকে বলে মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ২২টি পূজামণ্ডপে ত্রাণের চাল বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সি এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন সরদার।
এ ছাড়া কালকিনি উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ উপজেলার ২২টি পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামী, চুরি মামলার আসামী, সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামী এবং অপরাধ নিবারণমূলক ব্যবস্থায় (১৫১ ধারা) ৬ জনসহ মোট ৯ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব আব্দুল হালিম-এর দিকনির্দেশনায় ও নেতৃত্বে এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়। থানা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ:
ধর্ষণ মামলার আসামী গ্রেপ্তার:
থানা এলাকাধীন ধুম ইউনিয়ন সাকিনের ১৬ বছরের এক কিশোরীর সাথে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্কের জেরে গত ১৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমের বসতবাড়ির রান্নাঘরে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে রিপাত হোসেন (১৯)। এ ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার জোরারগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) আব্দুল আলীম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে গত ১৬ অক্টোবর ভোর রাতে আসামীর নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃত রিপাত হোসেন মোবারকঘোনা এলাকার মো. আজিজুল হকের পুত্র।
চুরি মামলার আসামী গ্রেপ্তার:
এসআই (নিঃ) মোঃ জিশান আহম্মেদ, পিপিএম-সেবা সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে জোরারগঞ্জ থানার মামলা নং-২২ (তারিখ ১৬/০৯/২০২৬ খ্রি.) এর ধারা ৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোডের তদন্তে প্রাপ্ত আসামী নাহিদুল ইসলাম জুহিনকে (২২) গ্রেপ্তার করেন। ১৬ অক্টোবর রাত দেড়টার দিকে মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি একই এলাকার আবুল বাশারের পুত্র।
সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেপ্তার:
এএসআই (নিঃ) মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে সিআর-২৩০/২৬ (জোরারগঞ্জ) নম্বর মামলার যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ৩ ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ইকবাল হোসেনকে (১৫ অক্টোবর রাত সাড়ে দশটায়) তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন। তিনি জোরারগঞ্জ থানার আজমপুর এলাকার বাঁশখালীর বাসিন্দা বদিউল আলমের পুত্র।
ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৫১ ধারা মূলে ৬ জন গ্রেপ্তার:
গত ১৬ অক্টোবর রাত পৌনে দুইটার দিকে জোরারগঞ্জ ইউপিস্থ চলমান পেট্রোল পাম্পের সামনে রাস্তার ওপর সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরিকালের অপরাধ নিবারণকল্পে পুলিশ ৬ জন ব্যক্তিকে আটক করে। পুলিশ দেখে পালানোর চেষ্টাকালে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযানে অংশ নেন এএসআই (নিঃ) মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ ও এএসআই (নিঃ) মামুনুর রশিদ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—
১. মো: ওসমান গনি (২২), পিতা-মো: তাজুল ইসলাম, মিঠানালা, মিরসরাই, চট্টগ্রাম।
২. মো: আসিফ (২০), পিতা-নাসির উদ্দিন, নলুয়া, কবিরহাট, নোয়াখালী।
৩. আব্দুল্লাহ আল নোমান (২১), পিতা-আব্দুল মান্নান, রাজাপুর, মিঠানালা, মিরসরাই, চট্টগ্রাম।
৪. মো: তসিফ (২৩), পিতা-খাঁন সাব, মধ্যম সোনাপাহাড়, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম।
৫. মো: সালমান (২২), পিতা-বকতিয়ার উদ্দিন, মধ্যম সোনাপাহাড়, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম।
৬. মো: তোফায়েল (২৭), পিতা-মো: বেলায়েত হোসেন, দক্ষিণ অলিনগর, করেরহাট, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম।
পুলিশ জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ