ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিংড়ায় পাঁচ বছরে সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ঘোষণা এমপি আনুর


সিংড়ায় পাঁচ বছরে সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ঘোষণা এমপি আনুর

নাটোর-৩ সিংড়া আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু এমপি মন্তব্য করেছেন, "আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী।" তিনি উল্লেখ করেন যে, সিংড়ার কোথাও কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেই। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি শান্তির সিংড়া গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি।

এমপি আনু আগামী ৫ বছরের মধ্যে সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন। রোববার বিকেলে উপজেলার ইটালী ইউনিয়নের বনকুড়ি হাফেজিয়া এতিমখানা ও বাখুন্দা এতিমাখানা মাদ্রাসার উদ্যোগে পৃথক দুটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল রিফাত, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক শারফুল ইসলাম, কলম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল ফটিক, ইটালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বজলার রহমান বাচ্চু, আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ রেজাউল করিম মৃধা, তাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন, খাজুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আফসারুজ্জামান, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শামীম হোসেন, পৌর বিএনপির সদস্য মহিদুল ইসলাম, সিংড়া ডায়বেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিলন হোসেন প্রমূখ।

আরও পড়ুন: বিএনপি মতাদর্শীকে সরিয়ে আওয়ামী মতাদর্শীকে সংযুক্ত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কয়রায় কপোতাক্ষ কলেজে ছাত্রদলের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৫ পি.এম


কয়রায় কপোতাক্ষ কলেজে ছাত্রদলের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

খুলনার কয়রায় কপোতাক্ষ কলেজের নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কপোতাক্ষ কলেজ ছাত্রদলের আয়োজনে কলেজের সম্মেলন কক্ষে এই নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।

কপোতাক্ষ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ মামুন হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুল। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইসমাইল হোসেন খান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে কপোতাক্ষ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ওলিউল্যাহ উপস্থিত ছিলেন।

কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তামিম আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন খুলনা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল আলম, ইমতিয়াজ আলী, সুমন মাহমুদ, খুলনা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফ বিল্লাহ সবুজ, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাহমুদ হাসান, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সোহান মোল্যা, কাজী জাকারিয়া, ফয়সাল চৌধুরী এবং আবু সাইদ।

এছাড়া কয়রা উপজেলা ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান সবুজ, আলমগীর হোসেন, ইমরান হোসেন, মাশরাফি, আলাউদ্দিন, মামুন এবং কপোতাক্ষ কলেজ ছাত্রদল নেতা ইয়াছিন আরাফাত, ফাহিম, তামিম ও মেহেদী জোবায়ের সহ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। আলোচনা শেষে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে কলেজের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেবহাটায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৬ পি.এম


দেবহাটায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত

দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রবিবার ৪ অক্টোবর সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসতিয়াক আহমেদ অপু।

সভায় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত ওসমান, সাবেক আহবায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জামায়াতের আমীর মাওঃ অলিউল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, রিসোর্স কর্মকর্তা মহিতোষ কর্মকার, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা এবং উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।

সভায় দেশের সকল সেক্টরের উৎপাদন বৃদ্ধি, উপকারভোগীদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং দক্ষ কর্মী তৈরি করার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কয়রায় বসতঘর ভাঙচুর ও দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৭ পি.এম


কয়রায় বসতঘর ভাঙচুর ও দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

খুলনার কয়রায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় এক প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বসতবাড়ী ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকাল ৩ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক লিখিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগটি তুলে ধরেন ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ২নং কয়রা গ্রামের বাসিন্দা মজিবার রহমান শেখের পুক্র বিল্লাল হোসেন জানান, রবিবার সকাল ৭ টার দিকে একই গ্রামের মোহাম্মদ বাউলিয়ার ছেলে আরাফাত হোসেন ও হুদা গাইনের ছেলে মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দুর্বৃত্তদল বেআইনিভাবে তাদের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে। তারা কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাণ্ডব চালিয়ে তাদের বসতঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় এবং জোরপূর্বক জমি দখল করে নেয়।

ভুক্তভোগী আরও জানান, ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পর অভিযুক্তরা সেখানে অবৈধভাবে নতুন ঘর তুলে দখলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, বিতর্কিত জমির বিষয়ে ইতিপূর্বে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে নিলাম রোধের মামলা এবং কয়রা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে উচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা চলমান রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা দেশের প্রচলিত আইন অমান্য করে এই দখলদারিত্ব চালিয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এরা এলাকায় ‘ভূমিদস্যু’ হিসেবে পরিচিত এবং আইনকানুনের তোয়াক্কা না করে সাধারণ মানুষের সম্পদ আত্মসাৎ করে আসছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী বিল্লাহ হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অফিসার ইনচার্জ কয়রা থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বেআইনিভাবে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও উচ্ছেদের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জমি উদ্ধারে প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার আকুল আবেদন জানানো হয়। অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবুগঞ্জে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে, অকেজো হয়ে পড়ছে শত শত নলকূপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৭ পি.এম


বাবুগঞ্জে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে, অকেজো হয়ে পড়ছে শত শত নলকূপ

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে আসছে। এর ফলে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অগভীর ও হস্তচালিত নলকূপে পানি উঠছে না। কিছু কিছু জায়গায় নলকূপ অকেজো হয়ে গেছে। এই অবস্থায় নিরাপদ খাবার পানির জন্য মানুষের ওপর গভীর নলকূপ ও সাবমার্সিবল পাম্পের নির্ভরতা বাড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, শুকনো মৌসুমে পানির সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। নতুন গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য আগের তুলনায় অনেক গভীরে যেতে হচ্ছে। এতে নলকূপ স্থাপনের ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বাবুগঞ্জ উপজেলায় ৩ হাজার ২০৬টি গভীর নলকূপ রয়েছে। এর মধ্যে ১২৩টি বর্তমানে অচল অবস্থায় রয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে অচল নলকূপের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় বেশি। বিভিন্ন এলাকায় গভীর নলকূপ থাকলেও সেগুলোতেও পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বাবুগঞ্জে নতুন একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য প্রায় ৮৪০ থেকে ৯২০ ফুট পর্যন্ত গভীরে যেতে হচ্ছে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে নলকূপের গভীরতা বাড়াতে হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. সুমন বলেন, বর্ষা মৌসুমে পানির ফ্লো থাকায় নলকূপে কিছুটা স্বাভাবিকভাবে পানি পাওয়া যায়। কিন্তু শুকনো মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় পানির সংকট দেখা দেয়।

তিনি আরও জানান, বাবুগঞ্জের পানিতে আর্সেনিকের পরিমাণ তুলনামূলক কম। তবে কিছু এলাকায় পানির গুণগত মান নিয়ে সমস্যা রয়েছে। নিয়মিত পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ পানির উৎস চিহ্নিত করা প্রয়োজন। আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের আওতায় বাবুগঞ্জ উপজেলার ১১ হাজার ৫৫৩টি গভীর ও অগভীর নলকূপের পানিতে আর্সেনিক পরীক্ষা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, পরীক্ষায় বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত অনেক অগভীর নলকূপের পানিতে উচ্চমাত্রার আর্সেনিক পাওয়া গেছে। তাই শুধুমাত্র নলকূপ থাকলেই তার পানি নিরাপদ, এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে নিয়মিত পানির গুণগত মান পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক বছর আগে অনেক এলাকায় অল্প গভীরতায় নলকূপ স্থাপন করেই পানি পাওয়া যেত। বর্তমানে একই এলাকায় নতুন করে নলকূপ স্থাপন করলেও আগের মতো পানি পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে সাবমার্সিবল পাম্প বসিয়ে গভীর থেকে পানি তুলছে। বর্ষাকালে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও শুকনো মৌসুমে বাবুগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় পানির সংকট প্রকট হয়ে ওঠে। তখন অনেক হস্তচালিত নলকূপে পানি ওঠে না। বিশেষ করে অগভীর নলকূপে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় মানুষকে বিকল্প উৎসের ওপর নির্ভর করতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, অনেক পরিবার অর্থের অভাবে গভীর নলকূপ বা সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন করতে পারছে না। ফলে নিরাপদ খাবার পানির সংকট তাদের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০ হাজারের বেশি নলকূপ, নেই পূর্ণাঙ্গ হিসাব

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাবুগঞ্জ উপজেলায় সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে গভীর ও অগভীর নলকূপের সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি। তবে এ সংখ্যা সরকারি কোনো পরিসংখ্যান নয়। ব্যক্তিগত পর্যায়ে স্থাপিত বিপুলসংখ্যক নলকূপের সঠিক হিসাব না থাকায় উপজেলায় ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের মোট পরিমাণও নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, অপরিকল্পিতভাবে গভীর নলকূপ স্থাপন করে ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তোলনের কারণে পানির স্তরের ওপর চাপ বাড়তে পারে। অগভীর নলকূপে পানি না ওঠার কারণ হিসেবে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পানির ব্যবহার ও উত্তোলনের ওপর নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

বড় প্রতিষ্ঠানেও ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার

বাবুগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন বড় প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পানির প্রয়োজন হয়। বরিশালের দক্ষিণাঞ্চলের বিমানবন্দর, বিমান বাহিনীর রাডার স্টেশন, বরিশাল ক্যাডেট কলেজ এবং অমৃত কনজিউমার ফুড প্রোডাক্ট লিমিটেডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো কোনো স্থানে বড় ব্যাসের পাইপ ব্যবহার করে গভীর থেকে পানি উত্তোলন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, এসব উৎপাদক নলকূপের পাইপের ব্যাস ছয় থেকে আট ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে।

সাধারণ হস্তচালিত নলকূপের তুলনায় এসব নলকূপে একসঙ্গে অনেক বেশি পানি উত্তোলন করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে এসব প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত নলকূপের সংখ্যা, পানি উত্তোলনের পরিমাণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে পৃথক সমীক্ষা ও কার্যকর নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় শুধু নতুন নতুন গভীর নলকূপ স্থাপন করে সমস্যার সমাধান হবে না। কোথায় কত গভীরতায় পানি পাওয়া যাচ্ছে, কোন এলাকায় পানির স্তর দ্রুত নিচে নামছে, কোথায় আর্সেনিকের ঝুঁকি রয়েছে এবং কোন এলাকায় কী পরিমাণ পানি উত্তোলন হচ্ছে, এসব তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা জরুরি। একই সঙ্গে ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে গভীর নলকূপ স্থাপনে কার্যকর নজরদারি, বড় প্রতিষ্ঠানের পানি উত্তোলনের পরিমাণ নির্ধারণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পুকুর ও জলাশয় রক্ষা এবং বৃষ্টির পানি ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দারা অচল সরকারি নলকূপগুলো দ্রুত মেরামত করে সচল করার দাবি জানিয়েছেন। যেসব এলাকায় হস্তচালিত নলকূপে পানি উঠছে না, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী সাবমার্সিবল পাম্পযুক্ত গভীর নলকূপ স্থাপনের দাবিও রয়েছে। একই সঙ্গে আর্সেনিকযুক্ত নলকূপ চিহ্নিত করে সেখানে নিরাপদ পানির বিকল্প ব্যবস্থা, সরকারি-বেসরকারি সব গভীর নলকূপের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি এবং ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ওপর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। বিশেষ করে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যবহৃত গভীর নলকূপের অনুমোদন, সংখ্যা ও পানি উত্তোলনের পরিমাণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনই ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার ও উত্তোলন নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে বাবুগঞ্জে নিরাপদ খাবার পানির সংকট আরও তীব্র হতে পারে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকে ভবিষ্যৎ পানিসংকটের সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%