পারভিন আক্তার, স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ জেলা।
০২:২১ পি.এম
সেবা প্রত্যাশী জনগণের অভাব-অভিযোগ সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে সেগুলির নিষ্পত্তি এবং নাগরিক সেবা প্রদানের মান ও গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রায়হান কবির এর সার্বিক নির্দেশনা ও অংশগ্রহণে গণশুনানি আয়োজন করা হয়।
এখানে উল্লেখ্য যে, নিম্নোক্ত সময়সূচি অনুযায়ী গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়ঃ
তারিখঃ সাপ্তাহিক প্রতি বুধবার
সময়ঃ সকাল ১০:০০ টা থেকে দুপুর ১২:০০ টা।
স্থানঃ সম্মেলন কক্ষ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ।
আজকের অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে আরো উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব); অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক); অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সহ গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী নারায়নগঞ্জের সাধারণ জনগণ।
সম্মেলন কক্ষ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ || ০১ জুলাই, ২০২৬ খ্রি. বুধবার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিমান হামলায় নিহত ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যকে সামনে রেখে তেহরানে জোর প্রস্তুতি চলছে। কর্মীরা এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিলেন।
মঙ্গলবার রাজধানীর গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে খামেনির বিশাল প্রতিকৃতি টানানো হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ চলাকালে স্থগিত হওয়া এ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হচ্ছে এমন এক সময়ে, যখন সংঘাত বন্ধে প্রাথমিক স্বাক্ষরের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি মেনে চলছে।
এ বিষয়ে তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি খবর জানিয়েছে।
শিয়া মুসলমানদের অনেকের কাছে আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে বিবেচিত খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুদ্ধের প্রথম দিন ৮৬ বছর বয়সে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে নিজ বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিমান হামলায় নিহত হন।
আগামী শনিবার তার রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য শুরু হবে। তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বিশাল গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে তার মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে।
এ স্থানটিতে বড় জুমার নামাজ, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
হামলায় নিহত তার স্বজনদের মরদেহও সেখানে রাখা হবে।
কর্মকর্তাদের ধারণা, এই শেষকৃত্যে দেড় কোটি থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নেবেন। সেটি হলে এটি ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য হিসেবে গণ্য হবে।
অনুষ্ঠানস্থলে নতুন করে রং করা হয়েছে এবং পুরো এলাকায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কর্মীরা ধাতব কাঠামো জোড়া লাগাচ্ছে এবং ক্রেন দিয়ে নির্মাণসামগ্রী তোলার কাজ চলছে।
বিপুল মানুষের সমাগমের কথা বিবেচনা করে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন শোকাহত মানুষকে গণপরিবহন ব্যবহার করার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে শেষকৃত্যের সময় তাপমাত্রা বাড়তে পারে উল্লেখ করে পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এএফপির এক সাংবাদিক বলেন, রাজধানীর প্রধান কয়েকটি সড়কের কিছু লেন ইতোমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে তেহরানের চিরচেনা তীব্র যানজট আরও বেড়েছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বড় একটি অংশজুড়ে খামেনির জীবন নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করা হচ্ছে।
বিদেশি প্রতিনিধিদের জন্য আলাদা অনুষ্ঠান হবে—এ নিয়ে শেষকৃত্য আয়োজন কমিটির সচিব আলি-আকবর পুরজামশিদিয়ান বলেন, শুক্রবার বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য আলাদা একটি অনুষ্ঠান হবে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩০টি দেশের প্রতিনিধিরা শেষকৃত্যে অংশ নেবেন। পাশাপাশি প্রতিবেশী ইরাক, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকেও বিপুল মানুষ আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, ইউরোপের জন্য আমরা কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানাইনি। তিনি অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় দেশগুলো ‘ইতিহাসের ভুল পাশে’ অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ নিয়ে তাদের অবস্থানকে তিনি ‘সত্যিই লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে পুরো যুদ্ধকালেই মিত্র রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে ইরান।
শেষকৃত্য ও দাফনের পরবর্তী ধাপ যেখানে অনুষ্ঠিত হবে, সেই পবিত্র নগরী কোম ও মাশহাদের পাশাপাশি তেহরানেও অনুষ্ঠান চলাকালে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তেহরানের সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কঠোর যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের কারণে রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকার বড় অংশে ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করতে পারবে না।
এ শেষকৃত্য এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হবে, যখন জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ও পরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেওয়া দেশব্যাপী বিক্ষোভের ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে।
তেহরানের বিভিন্ন স্থানে টানানো পোস্টারে ইরানের জন্য ‘উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ’-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। অন্য পোস্টারে শেষকৃত্যের স্লোগান লেখা রয়েছে— ‘আমাদের অবশ্যই জেগে উঠতে হবে।’
তেহরানের অনুষ্ঠান শেষে খামেনির মরদেহ ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। এরপর আগামী ৯ জুলাই তার জন্মস্থান উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারে তাকে দাফন করা হবে।
তবে তেহরানের মূল অনুষ্ঠানে খামেনির ছেলে ও উত্তরসূরি মোজতাবা খামেনি উপস্থিত থাকবেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি।
এ বিষয়ে পুরজামশিদিয়ান বলেন, ‘সর্বোচ্চ নেতার উপস্থিতির বিষয়টি আমার এখতিয়ার বা জানার মধ্যে নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো কর্মসূচি থাকলে, ইসলামী বিপ্লবের নেতার কার্যালয় থেকেই অবশ্যই তা ঘোষণা করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলায় গত সপ্তাহে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণে একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আটকা পড়েছিলেন ২৩ বছর বয়সী আন্দ্রেয়া ক্যানোনিকো। সে সব সময় শান্ত থাকার চেষ্টা করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা তাকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
লাস কোরালেস এলাকার বাসিন্দা আন্দ্রেয়া বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, ‘আমি কখনো আশা হারাইনি।’
তবে তার ২০ বছর বয়সী ভাই ও ৯১ বছর বয়সী ফুফু এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
গত বুধবার, দেশটিতে রিখটার স্কেলে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পের ফলে প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করা হচ্ছে।
হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা আন্দ্রেয়া বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ার সময় তিনি নিজেকে বলেছেন, ‘আমি ঘুমিয়ে পড়ব।’
অন্যদিকে, আন্দ্রেয়া আরও জানায়, ‘আমি নিজেকে বলছিলাম, এখন আমি একটি ভয়াবহ দুর্যোগের মধ্যে আছি। নিশ্চয়ই আবার ক্রমাগত কম্পন হবে। আমি শান্ত থাকব, উদ্বিগ্ন হব না।’
তিনি জানিয়েছেন, প্রায় ছয় মিটার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া অবস্থায় তিনি বসে থাকতে পেরেছিলেন। মোবাইল ফোন থাকার কারণে তিনি সময় জানতে পেরেছেন এবং কিছুটা আলো পেয়েছিলেন।
আন্দ্রেয়া আরো জানান, তার চেয়ে কিছুটা ওপরে আটকে থাকা আরেক ব্যক্তির সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করতে সক্ষম হন। ওই ব্যক্তি উদ্ধার হওয়ার পর উদ্ধারকর্মীদের জানান যে নিচে আরও একজন জীবিত রয়েছেন।
আন্দ্রেয়া বলেন, ‘আমার ওপরে একটি ফাঁকা জায়গা ছিল, যেটি দিয়ে আমি ওপরে উঠতে পেরেছিলাম। এরপর উদ্ধারকারীরা যে পথ তৈরি করছিলেন সেখানে পৌঁছে ধীরে ধীরে ওপরে উঠেছি। তারা আমাকে টেনে তুললে আমি বেরিয়ে আসতে সক্ষম হই।’
এদিকে একই এলাকায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে জীবিত মানুষের সন্ধানে নিরলসভাবে কাজ করছেন ২৬ বছর বয়সী সাবেক খনি শ্রমিক মোইসেস ফারামায়া।
ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তিনি চিৎকার করে বলেন, ‘এখানে কেউ কি জীবিত আছেন?’
মোইসেস জানান, তিনি এখন পর্যন্ত লা গুইরায় ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন এবং ২২টি লাশ উদ্ধার করেছেন। কর্তৃপক্ষ এলাকাটিকে ‘দুর্যোগ অঞ্চল’ ঘোষণা করেছে।
মোইসেস জানান, তিনি একজনের দেয়ালে আঁচড়ানোর শব্দ শুনতে পান। একজন আটকে ছিলেন, কিন্তু হাত নাড়াতে পারছিলেন। পরে তাকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
তিনি জানান, তিনি শুধু একটি গাঁইতি ও একটি কোদাল ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরান। বলিভার রাজ্যের এল কায়াও অঞ্চলের খনিতে ছয় বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে এই কাজে দক্ষ করে তুলেছে। এ কারণে উদ্ধারকাজে দমকল বাহিনী ও বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেন।
‘দ্য মোল’ নামে পরিচিত মোইসেস বলেন, তিনি প্রায় না খেয়েই এবং না ঘুমিয়েই উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘এই কাজ সহজ নয়। ধুলাবালি আর পচে যাওয়া লাশের গন্ধের মধ্যে কাজ করতে হয়। তারপরেও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
অন্যদিকে, আন্দ্রেয়ার ভবনের সকলেই মারা গেছেন বলে সম্প্রতি কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে।
৪৪ বছর বয়সী রেস্তোরাঁ কর্মী আলেকজান্ডার গার্সিয়া জানান, তিনি দমকলকর্মীদের ‘কোড-১৪’ ঘোষণা করতে শুনেছিলেন, যার অর্থ ছিল সেখানে আর কোনো জীবিত ব্যক্তি নেই।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধারকারী দল ও স্পেনের প্রশিক্ষিত অনুসন্ধানী কুকুর জীবিত মানুষের উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়ার পর ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা তার দুই ভাইকে জীবিত উদ্ধারের আশা আবারও জেগে ওঠে।
গার্সিয়া বলেন, ‘সবাই তাদের আওয়াজ শুনেছিল, সবাই।’
তার মা ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হলেও পরে মারা যান।
রাত নামার পরও টর্চের আলোয় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে মঙ্গলবার সকালের ভারী বৃষ্টিতে উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং উদ্ধারকর্মীদের মনোবলেও প্রভাব পড়ে।
ভূমিকম্পের পর জীবিত উদ্ধার পাওয়ার সম্ভাব্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা শনিবার সন্ধ্যায় শেষ হয়ে গেছে।
মঙ্গলবারের মধ্যে জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের জন্য জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে এক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয় জেলা প্রশাসনের দ্বারা।
বুধবার (১ জুলাই) সকালে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে আসে। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়কগুলোর মধ্য দিয়ে প্রদক্ষিণ করে, শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় গিয়ে শেষ হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাসান মারুফ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, "নারী ও শিশুর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধ এবং বাল্যবিবাহ রোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।" তিনি আরও জানান যে, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বাল্যবিবাহমুক্ত একটি সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হওয়ার এবং অন্যান্যদের সচেতন করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পৌর প্রশাসক রুমানা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুষ্মিতা খীসা, নারী নেত্রী নমিতা চাকমা, জাবারাং নারী কল্যাণ সমিতির কর্মী পিংকি বড়ুয়া এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের উদ্দেশ্যে গঠিত সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠকটি আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগের বিচারপতি ও সার্চ কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল হকের সভাপতিত্বে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে, গত ২২ জুন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে সভাপতি করে এই সার্চ কমিটি গঠন করা হয় এবং ওই দিনই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, এই সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতি চূড়ান্ত নিয়োগ দেবেন।
পাঁচ সদস্যের এই সার্চ কমিটিতে সভাপতি মো. রেজাউল হক ছাড়াও সদস্য হিসেবে রয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭ অনুযায়ী এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন মোতাবেক, সার্চ কমিটি দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে ন্যূনতম দুইজন করে প্রার্থীর নামের তালিকা প্রস্তুত করে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে। পরে রাষ্ট্রপতি সেখান থেকে চূড়ান্ত নিয়োগ দেবেন।
গত ১৫ জুন জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দুদক গঠনে সার্চ কমিটি গঠনের বিষয়ে জানান। তিনি বলেন, ‘হয়তো আপনারা মনে করেন সরকার আন্তরিক নয়। কিন্তু সরকার আন্তরিক ছিল। সার্চ কমিটি গঠন করা হবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠন করা হবে। সার্চ কমিটির মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের চলমান প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন গড়ে তোলা হবে।’
উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ধারা ৫ অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যান এবং দুই’জন কমিশনারের সমন্বয়ে মোট তিন সদস্যের এই স্বতন্ত্র কমিশন গঠিত হয়। আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সরাসরি কাউকে নিয়োগ না দিয়ে এই স্বাধীন বাছাই বা সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নেতৃত্ব নির্বাচন করে থাকেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ