ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিরাপত্তা শঙ্কায় বিমান বদলে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছিলেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস


নিরাপত্তা শঙ্কায় বিমান বদলে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছিলেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস

চলতি মাসের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কে গিয়েছিলেন। সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার সময় হঠাৎ করে ট্রাম্প নিজের এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানটি পরিবর্তন করেন।

নিউইয়র্ক টাইমসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই ঘটনার পেছনের কারণগুলি পরিষ্কার হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ট্রাম্প এবং তার বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ লক্ষ্য নিয়ে আকাশপথে হামলার পরিকল্পনা করছিল। এই নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাম্পের এড়ানো জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

এ বিষয়ে সরাসরি অবগত একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

সংবেদনশীলতার কারণে কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য প্রদান করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ন্যাটো সম্মেলন চলাকালেই এই সুনির্দিষ্ট হুমকির বিষয়টি সামনে আসে।

ট্রাম্প তুরস্কের আঙ্কারায় গিয়েছিলেন কাতার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া একটি বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজে। তবে এটি পুরোনো ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থাসহ অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নেই বলে সংবাদমাধ্যমে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল।

হুমকি শনাক্ত হওয়ার পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনী ‘সিক্রেট সার্ভিস’ ট্রাম্পকে বিমান বদলাতে জোর পরামর্শ দেয়। পরে ট্রাম্প নিজেই ঘোষণা করেন যে, তুরস্ক থেকে ফেরার জন্য তিনি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানটি ব্যবহার করবেন।

আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার শিকার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ইরানপন্থী প্রক্সি বা ছায়াবাহিনীর মূল লক্ষ্য কোন নির্দিষ্ট বিমান ছিল না। বরং ট্রাম্প এবং তিনি যে বিমানেই থাকুন, সেটি আকাশে ধ্বংস করাই ছিল তাদের পরিকল্পনা।

ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, "তারা মার্কিন নেতাকে—অর্থাৎ আমাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে চায়। আমি তাদের প্রতিটি তালিকায় আছি। আজ সকালেও আমি দেখেছি যে, তাদের করা প্রতিটি হিটলিস্টে আমার নাম রয়েছে। এত দিন ধরে আমি হয়তো কিছুটা ভাগ্যবান ছিলাম, তবে এ ভাগ্য হয়তো খুব বেশি দিন না-ও টিকতে পারে।"

তবে ট্রাম্প শুরুতে বিমান বদলের বিষয়ে একটি ভিন্ন ব্যাখ্যা দেন। তিনি দাবি করেন, ব্রিটেনে অবস্থানরত মার্কিন সেনাসদস্যদের নতুন বিমান ঘুরে দেখার সুযোগ দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে সময় তিনি নিরাপত্তাজনিত কোন কারণ পুরোপুরি অস্বীকার করেন। কিন্তু পরে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে স্পষ্ট হয় যে, মূলত সিক্রেট সার্ভিসের চাপেই ট্রাম্প বিমান বদলাতে বাধ্য হন।

হামলার এই হুমকির তথ্যটি মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরেও মাত্র কয়েকজনের মধ্যে রাখা হয়। বহু কর্মকর্তাকে শুধুমাত্র ‘ইরানসংক্রান্ত সাধারণ নিরাপত্তা উদ্বেগের’ কথা বলে বিমান বদলের সিদ্ধান্তটি জানানো হয়। এমনকি মার্কিন কংগ্রেসের শীর্ষ সদস্যদেরও এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং দেওয়া হয়নি। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও কোন আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি। তবে প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ট্রাম্পকে হত্যায় ইরানের ধারাবাহিক চেষ্টার কথা স্বীকার করে প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রতিনিধিদলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে ইয়াবা কারবারিদের ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ, থানার ক্যাশিয়ার নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন

এই ঘটনার সময় অন্য একটি গোয়েন্দা তথ্যও আলোচনাধীন ছিল। ইসরায়েল ট্রাম্পকে হত্যায় ইরানের কার্যক্রম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সুনির্দিষ্ট তথ্য ভাগ করে। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ইসরায়েলের ওই তথ্যকে সন্দেহের চোখে দেখেন। তাঁদের ধারণা ছিল, ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার লক্ষ্যে ইসরায়েল এই তথ্য সরবরাহ করছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, তুরস্কে বিমান বদলের পেছনের সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা হুমকি ইসরায়েলি সূত্রের তথ্য থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল।

উল্লেখ্য, ট্রাম্প তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় (তেহরান থেকে প্রায় এক হাজার মাইল দূরে) অবস্থানের সময়ে ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র নতুনভাবে বিমান হামলা শুরু করে।

কাতার থেকে পাওয়া নতুন বিমানের নিরাপত্তা ঘাটতি নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের আগের প্রতিবেদনের প্রকাশের পর মার্কিন সরকার তথ্য ফাঁসের তদন্ত শুরু করে। এর অংশ হিসেবে সংবাদমাধ্যমের কয়েকজন সাংবাদিকের গ্র্যান্ড জুরি সাক্ষ্য নেওয়ার পাশাপাশি তাদের এবং তাদের আত্মীয়দের ফোন রেকর্ড চেয়ে আইনি নোটিশ জারি করা হয়। ব্যাপক সমালোচনার পর বৃহস্পতিবার মার্কিন বিচার বিভাগ সেসব নোটিশ প্রত্যাহার করে নেয়।

গত রবিবার ট্রাম্প নিজেও পরোক্ষভাবে স্বীকার করেন যে, কাতারের উপহার দেওয়া বিমানে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান-এর সকল ধরনের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এখনও অন্তর্ভুক্ত হয়নি। কোনও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই বলে সাংবাদিকদের মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, খুব শিগগিরই এটিকে সর্বোচ্চ আধুনিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, অতিরিক্ত নিরাপত্তা আধুনিকায়নের জন্য আগামী শরতে প্রায় এক মাসের জন্য নতুন বিমানটিকে সাময়িকভাবে সেবার বাইরে রাখা হবে। ওই সময়ে ট্রাম্প তার পুরোনো বিমানেই যাতায়াত করবেন। তবে এত অল্প সময়ে ঠিক কী ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে কোন স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি।

ট্রাম্পের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সিক্রেট সার্ভিসের উদ্বেগ এখন তুঙ্গে। গত বুধবার ‘হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস ডিনার’-এর আগে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সিক্রেট সার্ভিসের পরিচালক শন কারান জানান, তাদের সুরক্ষায় থাকা ব্যক্তিদের প্রতি বর্তমান হুমকির মাত্রা ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এর আগে গত এপ্রিলে একজন বন্দুকধারী নিরাপত্তাচৌকি পেরিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ায় ওই একই অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছিল। শন কারান ট্রাম্পের দুই মেয়াদী সময়ে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দলের প্রধান ছিলেন এবং ২০২৪ সালে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে ট্রাম্প গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময়ও তার পাশে ছিলেন।

ইরানসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পকে হত্যার সুযোগ খুঁজছে বলেও মার্কিন গোয়েন্দাদের ধারণা। এই শত্রুতার মূল কারণ হচ্ছে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে (২০২০ সালের জানুয়ারি) ইরানের প্রভাবশালী কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে ড্রোন হামলায় হত্যার ঘটনা। ট্রাম্প ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমান দুটির অবস্থার ব্যাপারে দীর্ঘ দিন অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছিলেন। এর মধ্যে গত বছরে কাতার তাকে একটি বোয়িং ৭৪৭-৮ উপহার দেয়। প্রায় ১৪ বছরের পুরোনো ওই বিমানটিকে দ্রুত ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করা হলেও পুরোনো বিমানের সমপর্যায়ের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংযুক্ত করা যায়নি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, মেয়াদ শেষে বিমানটি তার প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরির অংশ হিসেবে রেখে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস

আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য ২০০ ট্রলি প্রদান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরিজন জনগোষ্ঠীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


হরিজন জনগোষ্ঠীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি

বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিজন জনগোষ্ঠীর অধিকার, মর্যাদা ও জীবন-জীবিকার উন্নয়নের দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল এবং স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর হাড়ি সমাজের মণ্ডল শ্যামল জমাদার। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ, ফরিদপুর জেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক রিপন হাড়ি, বিদ্যুৎ হাড়িসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে হরিজন কলোনিগুলো পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ করা হচ্ছে, যা মানবিক ও সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। তারা বলেন, কোনো হরিজন কলোনি উচ্ছেদের আগে সেখানে বসবাসকারী প্রতিটি পরিবারের জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় তারা পরিচ্ছন্নতা কর্মীসহ বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে হরিজন জনগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত ৮০ শতাংশ কোটার কার্যকর বাস্তবায়নের দাবি জানান। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে হরিজন সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রথা বাতিলের আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, “আমরা এ দেশের সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক। কিন্তু বাস্তবে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আবাসন ও সামাজিক মর্যাদাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনও বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। এই বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে সংবিধান প্রদত্ত অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”

কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় হরিজন সম্প্রদায়ের বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে শিশু জান্নাতুল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২২ পি.এম


নড়াইলে শিশু জান্নাতুল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নড়াইলে শিশু জান্নাতুলকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচার এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টা সময় নড়াইল জেলা আদালত চত্বরে সাধারণ জনগণ এবং সচেতন মহলের ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের আমজনতা অংশ গ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তারা নড়াইলে শিশু জান্নাতুলের ওপর চালানো এই বর্বরোচিত ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করেন। বক্তারা অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য জোর দাবি জানান এবং নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির সকল সদস্য ও আইনজীবীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে বলেন, কোনো নীতিবান আইনজীবী যেন এই জঘন্য অপরাধী এবং ধর্ষক রবির পক্ষে আদালত প্রাঙ্গণে মামলা পরিচালনা বা আইনি লড়াইয়ে অংশ না নেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকার কর্মীরা দ্রুত বিচার ব্যবস্থার সাহায্যে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি উদ্ধogn জানিয়েছেন। তারা মনে করেন যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে এমন নির্মমতার শিকার হতে না হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শতবর্ষী ভবনে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের দাম ৫ কোটি ৮৫ লাখ ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


শতবর্ষী ভবনে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের দাম ৫ কোটি ৮৫ লাখ ডলার

 

ত্রিভুজাকার নকশা, সামনের সরু অংশ, অলংকৃত স্তম্ভ আর জটিল কারুকাজে তৈরি নিউ ইয়র্ক সিটির সবচেয়ে পরিচিত স্থাপত্যগুলোর একটি ‘ফ্ল্যাটিরন বিল্ডিং’। এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় এই নিদর্শনটি গত সাত বছর ধরে ঢেকে রাখা হয়েছিল ‘স্ক্যাফোল্ডিং’ বা মাচা দিয়ে।

অবশেষে সেই বন্দিদশার অবসান ঘটছে। পুরোনো সেই অফিস ভবনটি এখন রূপ নিচ্ছে নিউ ইয়র্কের অতি-বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে।

ভবনটির সবচেয়ে দামি অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৪ কোটি ৩৯ লাখ পাউন্ড)। ম্যানহাটন মায়ামি রিয়েল এস্টেটের তথ্য অনুযায়ী, পুরো নিউ ইয়র্ক সিটিতে মাত্র ২১টি আবাসিক সম্পত্তির যার দাম এর চেয়ে বেশি!

১৯০২ সালে নির্মিত ২৪ তলা এবং ৯৪ মিটার (৩০৭ ফুট) উঁচু এই ভবনটি ছিল তৎকালীন স্থাপত্যবিদ্যার এক এক অনন্য বিস্ময়।

স্টিল-ফ্রেমের ওপর নির্মিত শহরের শুরুর দিকের এই আকাশচুম্বী অট্টালিকাটি প্রথমে ‘বার্নহামস ফোলি’ নামে পরিচিত ছিল। কারণ স্থানীয়দের ভয় ছিল, অতিরিক্ত উচ্চতা ও সরু আকৃতির কারণে বাতাসের ধাক্কায় এটি হয়তো ভেঙে পড়বে। তবে সব আশঙ্কা দূর করে ১২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এটি টিকিয়ে রেখেছে নিজের ঐতিহ্য।

২০১৯ সালে সর্বশেষ অফিস ভাড়াটিয়া ‘ম্যাকমিলান পাবলিশিং’ ভবনটি ছেড়ে দিলে এটি খালি হয়ে পড়ে এবং মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতায় কয়েক বছর এভাবেই থাকে।

পরবর্তীতে ২০২৩ সালে ব্রডস্কি অর্গানাইজেশন, জিএফপি রিয়েল এস্টেট এবং সোরজেন্টে গ্রুপ নামক যৌথ মালিকানা প্রতিষ্ঠান ভবনটিকে আল্ট্রা-লক্সারি কনডমিনিয়ামে রূপান্তরের কাজ শুরু করে।

পুরো সংস্কার কাজ শেষ হলে এতে মোট ৩৬টি খোলামেলা নকশার অ্যাপার্টমেন্ট থাকবে। তিন বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টগুলোর দাম শুরু হবে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার থেকে, আর বারান্দাসহ পাঁচ বেডরুমের পুরো ফ্লোরজুড়ে তৈরি ফ্ল্যাটের দাম পড়বে ৫ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। ভবনটির ভূগর্ভস্থ তলা ও সাধারণ পরিসরে থাকছে ৬০ ফুটের সুইমিং পুল, বিলিয়ার্ডস রুম, পিয়ানো লাউঞ্জ এবং ওয়েলনেস সেন্টার। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন বাসিন্দারা এখানে ওঠা শুরু করবেন বলে আশা করা হচ্ছে এবং ২০২৭ সালের শুরুতেই সব সুবিধাসহ এর কাজ শতভাগ সম্পন্ন হবে।

বিল্ডিংটির রূপান্তরের সময় উঠে এসেছে নানা চমকপ্রদ তথ্য ও ঐতিহাসিক উপাদান। সংস্কারকাজের সময় ২০ তলায় একটি গুপ্ত বারান্দার সন্ধান পান শ্রমিকরা, যা বহু বছর ধরে প্লাস্টারবোর্ডের পেছনে ঢাকা ছিল। তার পাশে ১৯১০ সালের কাঠের ঘূর্ণায়মান দরজার অবশিষ্টাংশ, পুরোনো সিঁড়ির লোহার গ্রিল এবং শতাব্দীর পুরোনো রেস্তোরাঁর মেন্যু, পিয়ানো, জুতো ও বিজ্ঞাপনের সন্ধান মিলেছে। এসব ঐতিহাসিক প্রত্নবস্তু লবিতে কাচের পাত্রে প্রদর্শন করা হবে।

ভবনটির বাইরের দিকে জটিল টেরাকোটার হাজার হাজার টুকরো পুনর্নির্মাণ ও মেরামতের জন্য ক্যালিফোর্নিয়ার এক বিশেষ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। প্রতিটি টুকরো হাত দিয়ে নিখুঁতভাবে যথাস্থানে বসানো হয়েছে। সেই সঙ্গে এক হাজারটিরও বেশি পুরোনো জানালা পরিবর্তন করে পুরু কাচের সাউন্ডপ্রুফ নতুন জানালা লাগানো হয়েছে।

চলতি গ্রীষ্মের শেষেই ভবনটির চারপাশের মাচা বা স্ক্যাফোল্ডিং পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা হবে। সাত বছর পর প্রথমবার যখন এই ঐতিহাসিক স্থাপত্যটির নতুন আলোয় উদ্ভাসিত রূপ উন্মোচিত হবে, তখন নিউ ইয়র্কবাসী ও বিশ্ব পর্যটকরা এক নতুন ও রাজকীয় ‘ফ্ল্যাটিরন’-কে দেখতে পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, স্ত্রীর বিচার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, স্ত্রীর বিচার দাবি

জয়পুরহাটে কর্মরত আরিফ হোসেন নামে এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি, একাধিক নারীর সঙ্গে এবং স্ত্রীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২৬ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন ওই কর্মকর্তার স্ত্রী শামিয়া খান এশা।

লিখিত বক্তব্যে এশা জানান, ২০১৯ সালের ১৯ জুলাই ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী তার সঙ্গে মো. আরিফ হোসেনের বিয়ে হয়। বর্তমানে আরিফ হোসেন জয়পুরহাট জেলার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিসিএস ৩৪তম ব্যাচ) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিয়ের সময় তার পরিবার সামর্থ্যের সর্বোচ্চ দিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকার আসবাবপত্র ও অন্যান্য উপহার দেয়। এছাড়া প্রায় ১৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার, হীরার আংটি ও মূল্যবান ঘড়িও দেওয়া হয়।

বিয়ের পর প্রথমদিকে সংসার স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তীতে স্বামীর আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, তার স্বামী নিয়মিত মদ্যপান ও মাদক সেবনের পাশাপাশি বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি তার অনুপস্থিতিতে বাসায় বিভিন্ন নারীকে এনে সময় কাটানো এবং বন্ধুদের নিয়ে মদ্যপান ও নারীসঙ্গ উপভোগ করার ঘটনাও তিনি দেখেছেন। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তাকে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

শামিয়া বলেন, পরে তার পুলিশ স্বামী কামরুন জাহান বিথী নামে এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তাকে বাসায় এনে সম্পর্ক অব্যাহত রাখতেন। এ বিষয়ে তিনি রামপুরা থানায় অভিযোগ করার পর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। একইসঙ্গে তার স্বামী নিজের পেশাগত ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে বিভিন্ন মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে তার পরিবারের কাছে ৪০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। সংসার টিকিয়ে রাখার আশায় তার মা-বাবা গ্রামের জমি বিক্রি করে নগদ অর্থ ও ব্যাংক চেকের মাধ্যমে ওই টাকা দেন। সেই অর্থের একটি অংশ দিয়ে একটি গাড়ি কেনা হয় এবং পূর্বাচলে জমি কেনাসহ বিলাসবহুল জীবনযাপন শুরু করেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা। এরপরও আরো ৫০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শামিয়া আরো অভিযোগ করেন, ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি জয়পুরহাটের ভাড়া বাসায় যৌতুকের দাবিতে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ওই ঘটনায় তাদের সাড়ে পাঁচ বছর বয়সী কন্যাশিশুও নির্যাতনের শিকার হয়। একপর্যায়ে গভীর রাতে মা-মেয়েকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে প্রতিবেশীর বাসায় আশ্রয় নিয়ে স্থানীয় সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এরপর পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় থানায় নিয়ে গিয়ে সাত দিন নিরাপত্তা দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপার তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিলেও তিনি সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে বাবার বাড়িতে চলে আসার পর থেকে তার স্বামী তাদের কোনো ভরণ-পোষণ দিচ্ছেন না এবং সন্তানেরও খোঁজখবর নিচ্ছেন না।

শামিয়া খান এশা দাবি করেন, গত ৩০ মে ঢাকার মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকায় স্বামীর এক বন্ধুর বাসায় গিয়ে তিনি স্বামীকে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় প্রতিবাদ করলে তার মাথায় মোবাইল ফোন দিয়ে আঘাত করা হয়, এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে ঘটনাটি গোপন রাখতে একটি ফার্মেসিতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং প্রাণনাশ ও মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি জানান, এসব ঘটনার পর তিনি পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এবং জয়পুরহাটের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এছাড়া গত ৫ জুলাই যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন। তার দাবি, নির্যাতনের ছবি, অডিও, ভিডিও, মেসেজ, বিভিন্ন ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত আদালতে পেনড্রাইভের মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়েছে এবং আদালত অভিযুক্তকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন।

শামিয়ার অভিযোগ, আদালতের সমনের বিষয়টি জানার পর অভিযুক্ত কর্মকর্তা নিজ কর্মস্থলের প্রভাব খাটিয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় তার, তার মা-বাবা এবং পরিবারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে এবং মামলার সাক্ষীদেরও মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একজন কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা থাকলেও তিনি একই জেলায় দায়িত্ব পালন করায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার বাঁধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা জেলার প্রশাসনিক কাঠামোতে প্রভাব বিস্তার করায় সাক্ষীরা ভীত এবং অনেকে সাক্ষ্য দিতে রাজি হচ্ছেন না। এমনকি আমাকে এসিড দিয়ে মুখ পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।

এ কারণে তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ পুলিশ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিচার বিভাগের কাছে আবেদন জানিয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে জয়পুরহাট জেলা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার আহ্বান জানান, যাতে তদন্ত নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

এসব অভিযোগের নিরেপক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে ওই পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%