বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:২৭ পি.এম
নতুন মৌসুমের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দলকে আরও শক্তিশালী করছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। ইংলিশ উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডনকে দলে ভেড়ানোর পর, কাতালান ক্লাবটি এবার জার্মান ফরোয়ার্ড কারিম আডেইয়েমিকেও আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যুক্ত করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) একটি বিবৃতির মাধ্যমে বার্সেলোনা জানায়, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ২৪ বছর বয়সী এই রাইট উইঙ্গারকে পাঁচ বছরের জন্য ২০৩১ সাল পর্যন্ত চুক্তিতে দলে ভেড়ানো হয়েছে।
বার্সেলোনা দলবদলের আর্থিক অঙ্ক প্রকাশ করেনি, তবে ইউরোপের বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ক্লাবটি প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ ইউরো ট্রান্সফার ফির বিনিময়ে আডেইয়েমিকে দলে নিয়েছে। চুক্তিতে পারফরম্যান্সভিত্তিক বোনাসসহ ভবিষ্যতে খেলোয়াড়কে অন্য ক্লাবে বিক্রি করার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট অংশ বরুশিয়া ডর্টমুন্ড পাবে এমন শর্তও সংযুক্ত করা আছে।
২০২২ সালে অস্ট্রিয়ান ক্লাব রেড বুল সালসবুর্গ ত্যাগ করে আডেইয়েমি ডর্টমুন্ডে যোগ দেন। জার্মান ক্লাবটির হয়ে তিনি সকল প্রতিযোগিতায় ১৪৬ ম্যাচে ৩৬ গোল করেছেন। দুর্দান্ত গতি ও আক্রমণাত্মক খেলায় তিনি ইতোমধ্যেই ইউরোপীয় ফুটবলে নিজের পরিচিতি প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
২০২২-২৩ মৌসুমে ফ্রাইবুর্কের বিপক্ষে ম্যাচে, ঘণ্টায় ৩৬.৬৫ কিলোমিটার গতিতে দৌড়ে বুন্ডেসলিগার সর্বোচ্চ গতির নতুন রেকর্ড গড়েছিলেন আডেইয়েমি।
বার্সেলোনায় যোগ দিয়ে কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে খেলার সুযোগ আবার ইতি ঘটছে তার। ফ্লিকের সহযোগিতায় ২০২১ সালে জার্মানির সিনিয়র জাতীয় দলে অভিষেক ঘটে আডেইয়েমির। নতুন মৌসুমে তার গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার সক্ষমতা বার্সেলোনার আক্রমণভাগে নতুন মাত্রা যোগ করার আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রীষ্মকালীন দলবদলের মৌসুমে নিজেদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ফিল ফোডেনকে দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখার ঘোষণা দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ইংল্যান্ডের এই ফরোয়ার্ডের সঙ্গে চার বছরের নতুন চুক্তি করেছে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি।
আগামী মৌসুম শেষে ফোডেনের আগের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নতুন চুক্তির মাধ্যমে তার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করেছে সিটি। চুক্তিতে আরও এক বছর মেয়াদ বাড়ানোর বিকল্পও রাখা হয়েছে। ফলে ক্লাবটির সঙ্গে তার দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক আরও দৃঢ় হলো।
নতুন প্রধান কোচ এনজো মারেস্কার অধীনে দলকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ফোডেনের চুক্তি নবায়ন করা হয়েছে। ক্লাবটি তাকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দেখছে।
গত মৌসুমে চোটের কারণে কঠিন সময় পার করেন ফোডেন। ফর্ম হারানোর পাশাপাশি ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ইংল্যান্ডের দলেও জায়গা হয়নি তার। তবে নতুন চুক্তি তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে এবং নতুন মৌসুমে নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণ করার সুযোগ এনে দেবে।
চুক্তি নবায়নের পর ফোডেন বলেন, "ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে আমার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারা আমার জন্য সবচেয়ে বড় আনন্দের। এই ক্লাবের হয়ে খেলাই সব সময় আমার স্বপ্ন ছিল। এই জার্সি গায়ে তোলা সব সময়ই গর্বের।"
ম্যানচেস্টার সিটির যুব একাডেমি থেকে উঠে আসা ফোডেন ইতোমধ্যেই ক্লাবটির ইতিহাসের অন্যতম সফল ফুটবলার। সিটির হয়ে তিনি এখন পর্যন্ত জিতেছেন ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ, একটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, দুটি এফএ কাপ এবং পাঁচটি লিগ কাপ।
এই সাফল্যের মাধ্যমে তিনি ক্লাবটির ইতিহাসে সর্বাধিক শিরোপাজয়ী খেলোয়াড়দের একজন। এই তালিকায় তার সঙ্গে ছিলেন বার্নার্দো সিলভা ও জন স্টোনস, যারা গত মৌসুম শেষে ক্লাব ছেড়ে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) গোলাম কিবরিয়ার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।
একই সঙ্গে তাকে স্বপদে বহাল করা হয়েছে এবং বরখাস্তকালীন সময়ের সব আর্থিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি কর্পোরেশন-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৭-এর নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) এবং মার্কেট নির্মাণ সেলের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগসমূহ তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে, তাকে পূর্বের পদে বহাল করা হয়েছে।
এর আগে, গত ১ জুন স্থানীয় সরকার বিভাগ গোলাম কিবরিয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করে আদেশ জারি করেছিল।
অভিযোগ তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় পূর্বের আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে গোলাম কিবরিয়ার বরখাস্তকালীন সময়ের সব বেতন-ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা পরিশোধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যা ছয়টা নাগাদ একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করার সুযোগ পান। প্রায় দুই মিনিটের সেই ফোনালাপে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের গুঞ্জন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগের প্রসঙ্গে আলোচনা করেন।
পদত্যাগের বিষয়ের ওপর প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি সংক্ষেপে বলেন, ‘দেখতে পাবেন... প্রশ্নটা বিব্রতকর।’
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগ করতে চান, তার স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। বর্তমানে স্পিকার দেশের বাইরে রয়েছেন—এই বিষয়টি উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার জানা নেই স্পিকার দেশে আছেন কি না। এটা আমার জানার কথা না।’
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের যে অভিযোগ উঠেছে, রাষ্ট্রপতি তা ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কারও যদি মাথা খারাপ হয়, সে এ ধরনের কথা বলতে পারে।’
নিজের শারীরিক অবস্থার সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি তখন মৃতপ্রায়, চিকিৎসাধীন ছিলাম। এটা একেবারে ভিত্তিহীন ও বানানো কথা, এটাই বলতে পারি।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে একাধিক সূত্রের ভিত্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রচারিত হয় যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। রিপোর্টগুলোতে বলা হয়েছে, চিকিৎসাজনিত কারণে লন্ডন সফরকালে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের বিষয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিকভাবে বা স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করতে চাইলে তার সেই সুযোগ রয়েছে।’
শেখ হাসিনার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির কথোপকথনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে কোনো আলাপ করেছেন কি না, আমার জানা নেই।’
সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে তাকে পদত্যাগের বিষয়ে কিছু বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকারের কাছেই পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া-মোনাজাত করেছেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ বলেছেন, "আমরা রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছি এবং তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছি।" তিনি যোগ করেছেন, "দেশ ও জাতির কল্যাণে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের সাফল্য কামনা করে দোয়া করা হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হয়ে উঠবে। এদিকে, পদবঞ্চিত নেতাদের মূল্যায়নের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে—এটাই প্রত্যাশা।
সংগঠনটির সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদ মন্তব্য করেছেন, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ, দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আত্মত্যাগ আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস।" তিনি আরো বলেন, "সেই আদর্শ ধারণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা ও শৃঙ্খলাভিত্তিক রাজনীতি এবং নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে, ইনশাআল্লাহ।"
নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মাসুদ রুমী মিথুন বলেন, "ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে গণতন্ত্রের অগ্রদূত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করেছি।" তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, "বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠুক—এটাই প্রত্যাশা।"
তিনি আরও জানান, "জাতীয়তাবাদী আদর্শ শক্তিশালী করতে আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সবসময় বদ্ধপরিকর।"
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নেতৃবৃন্দ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মাসুদ রুমী মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক নুর উদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. সাব্বির হোসাইন, রাকিব হাসান স্বাক্ষর, তৌহিদুল ইসলাম, মো. আল আমিন, রিফাত হোসাইন, আরিফুর ইসলাম জনি, মো. আসাদ তৌফিক, নয়ন হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ আলী ও সানভীর অনিক।
এছাড়া কমিটির সদস্য কে. এম আবিদুজ্জামান, সাহরিয়ার রশিদ নিলয়, রিয়াজ উদ্দিন, আশিক ইকবাল, মো. মেহমুদ হাসান উৎস, মো. সজিব হোসাইন, রেজাউল ইসলাম, ইসমাম হোসেন তন্দ্রা, মাহফুজা খাতুন, জয়নব ফেরদৌস জিনিয়া, নকিবুল ইসলাম অংকন, এনামুল হক পুলক, মো. সাইফুল্লাহ, আলীনুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল নোমান, শাহিনুর রহমান শুভ, রবিন মিয়া ও রুবায়েত আহমেদ লিমন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সদ্য বিদায়ী আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ