ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে ফিরলো ‘বিরোধী-শূন্য’ ভোটের কৌশল


পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে ফিরলো ‘বিরোধী-শূন্য’ ভোটের কৌশল

রেজিনগরে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ মুসলিম ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বাধা দিচ্ছে। নিজের গ্রেপ্তারের ঠিক আগে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি) প্রধান হুমায়ুন কবির অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী যখন কেন্দ্রের বাইরে অলস দাঁড়িয়ে ছিল এবং পর্যবেক্ষকদের ফোন বন্ধ ছিল, ঠিক তখন পোশাক পরা পুলিশ নিজেরাই ভোট লুটে অংশ নেয়।

নন্দীগ্রাম বিধানসভার সুভাষণী চকে গত ৬ অক্টোবর দেখা গেল এক ভিন্ন দৃশ্য। এক নারী সংবাদমাধ্যমকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বললেন, "আমার ভোটারের স্লিপ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টির লোকেরাই এটা করেছে, তাই আমি ভোট দিতে পারিনি।"

অন্যদিকে রেজিনগরে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর দাবি, ৩১৫টি বুথের মধ্যে মাত্র ২৫ থেকে ৩০টিতে তাদের এজেন্ট ঢুকতে দেওয়া হয়েছে। এ দিকে এজেইউপি প্রধান হুমায়ুন কবিরকে কার্যত টানাহেঁচড়া করে পুলিশ গাড়িতে তোলে। সন্ধ্যায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দপ্তরে গিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। শুভঙ্করবাবু বলেন, "নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর প্রমাণ করে দিল কীভাবে দিনদুপুরে ভোট চুরি হচ্ছে। এখানকার ভোট বাতিল করে নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।"

আরও পড়ুন: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা, পিটিআইর আইনি লড়াই শুরু

তবে অন্যরকম পরিবেশ দেখা গেল নন্দনায়ক বার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মডেল বুথে। গোলাপি ও সাদা বেলুনে সাজানো সেই বুথে ভোট দিতে আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঘরের ভেতরের সবকটি পোলিং এজেন্টের গলায় ছিল গেরুয়া উত্তরীয়। শুভেন্দুবাবু সাংবাদিকদের বলেন, "২০১৬ সালে আমি ৮২,০০০ ভোটে জিতেছিলাম। আশা করি এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে যাবে।"

তার দল বিজেপি অবশ্য লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়িয়ে এক লাখ ৯ হাজারের ফাল্টা উপনির্বাচনের ব্যবধান পার করার ইঙ্গিত দিয়েছে। ২,৬৬,৪১৫ জন ভোটারের মধ্যে এক লাখের ব্যবধান পেতে হলে বিজয়ী প্রার্থীকে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট পেতে হবে।

স্মৃতির পাতায় চোখ মেলা যাক ২০২১ সালের জানুয়ারিতে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর ঝাড়গ্রামের এক জনসভায় শুভেন্দু নিজেই ফাঁস করেছিলেন ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের নেপথ্য কাহিনী। তিনি বলেছিলেন, "বিডিও অফিসগুলো সশস্ত্র বাহিনী ঘিরে রাখত যাতে বিরোধীরা মনোনয়ন জমা দিতে না পারে। বিরোধী কর্মীদের ধরে নিয়ে যাওয়া হতো বা মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হতো। রাতের অন্ধকারে পুলিশের সাহায্যে ফল বদলে দেওয়া হতো।"

সেই সময় তিনি তৃণমূলের পরিবহন মন্ত্রী এবং মুর্শিদাবাদ, মালদা ও পূর্ব মেদিনীপুরের সংগঠনের পর্যবেক্ষক ছিলেন। তবে এই ঘটনাগুলোর কয়েক দিন আগেই মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামে এক সভায় দাঁড়িয়ে নিজের রাজনৈতিক অভিপ্সার কথা প্রকাশ করে তিনি বলেছিলেন, "আমাদের একমাত্র লক্ষ্য—বিরোধী শূন্য পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করা।"

আরও পড়ুন: স্পেনের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও লাটভিয়ায় ইসরাইলি অস্ত্র সরবরাহ

পুরোনো কৌশলের পুনরাবৃত্তি

পশ্চিমবঙ্গের ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন সত্যিই এক অদ্ভুত ইতিহাস তৈরি করেছিল। মোট ৫৮,৬৯২টি পঞ্চায়েত আসনের মধ্যে ২০,১৫৯টিতে (প্রায় ৩৪ শতাংশ) কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হয়নি এবং তার মধ্যে ২০,০৭৬টি আসনেই বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় জয়ী হয় তৃণমূল। এর আগে ২০১৩ সালে বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় জয়ের হার ছিল মাত্র ১০.৬৬ শতাংশ। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, বিরোধীদের ওপর বাধার কারণে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়াতে হয়েছিল। ভারতের সুপ্রিম কোর্টও একে তৃণমূল গণতন্ত্রের মারাত্মক বিপর্যয় বলে আখ্যা দিয়েছিল।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অপকর্মের কোনো প্রমাণ আদালতে মেলেনি। তবে তিনি যে রাজনৈতিক কৌশলের কথা মুখে প্রকাশ করেছিলেন এবং দায়িত্বে থাকাকালীন যা ঘটেছিল, তা ইতিহাসের পাতায় স্পষ্ট লেখা রয়েছে।

সাম্প্রতিক উপনির্বাচনের প্রচারের দিকে তাকালে সেই একই কৌশলের পুনরাবৃত্তি চোখে পড়ে। প্রথম দুটি ধাপ—মিথ্যা মামলা দায়ের করা এবং লড়াই শুরুর আগেই বিরোধীদের সরিয়ে দেওয়া। নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী প্রচারের ১৬ দিনের মধ্যে ১১ দিনই হাজতে কাটিয়েছেন, আর তা-ও আবার ২০০৭ সালের জমি আন্দোলনের পুরনো পরোয়ানার ভিত্তিতে। বাম মনোনীত সিপিআই প্রার্থীকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন।

আরও পড়ুন: হুথিরা সউদীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে সফল হামলা চালাচ্ছে

রেজিনগরে এজেইউপি সমর্থিত প্রার্থী গ্রেপ্তার হন এবং ভোটের দিন হুমায়ুন কবিরকে আটক করা হয়। নিজেদের প্রতীক না পাওয়ায় আরএসপি লড়াই থেকে সরে দাঁড়ায়। আবার ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) তাদের পূর্ববর্তী প্রতীক 'খাম' চাইলেও তাদের দেওয়া হয় 'আলমারি'। ফলাফল দাঁড়াল—দুজন গ্রেপ্তার, একজন নিগৃহীত, একজন নাম প্রত্যাহারকারী এবং দুজন দলীয় প্রতীকহীন!

তৃতীয় কৌশলটি হলো পুলিশের ব্যবহার। ৬ অক্টোবরের মূল অভিযোগ ছিল—নির্বাচনী নজরদারি ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। কংগ্রেস ও বাম নেতাদের দাবি, পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের প্রত্যক্ষ মদতে নন্দীগ্রামে মুসলিম ভোটারদের স্লিপ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। রেজিনগরে ভিডিওতে দেখা গেছে পুলিশ ভোটারদের আটকে দিচ্ছে।

চতুর্থ কৌশলটি হলো নির্বাচনের পর বিরোধী শূন্য করা। ২০১৬ সালে শুভেন্দু ঘোষণা করেছিলেন ২০১৭ সালের মধ্যে মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। ঘটেছিলও তাই; ২৫ জন জেলা পরিষদ সদস্য একে একে তৃণমূলে যোগ দেন। ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনের দিনেও একই নাটকের পুনরাবৃত্তি ঘটে। মালদা জেলা পরিষদে তৃণমূলের দলত্যাগীদের কাজে লাগিয়ে দখল নেয় বিজেপি।

এর পাশাপাশি এবার এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে—অনলাইন মাধ্যমের ওপর কোপ। প্রচার থেকে বঞ্চিত হয়ে যখন হুমায়ুন কবির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে হাতিয়ার করেছিলেন, ঠিক তখনই একাধিক ফেসবুক পেজ বন্ধ হয়ে যায়। অনুসন্ধানকারী সংস্থা 'অল্ট নিউজ' জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বিধিনিষেধের দোহাই দিয়ে মুর্শিদাবাদের অন্তত ২৫ থেকে ৩০টি স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের পেজ ভারতে ব্লক করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিমানবন্দরে স্যুটকেস খুলতেই আঁতকে উঠলেন কর্মকর্তা, ভেতরে ৩৭টি জীবিত বিষধর সাপ

রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির বর্তমান শক্ত অবস্থান এবং নন্দীগ্রামে তাদের বিগত ভোটের পরিসংখ্যান বিবেচনায় নিলে জয়ের বিষয়ে সংশয় ছিল না। আসল লড়াই ছিল—জয়ের মার্জিন বা ব্যবধান কত বড় হবে। শুভেন্দু অধিকারী লাখের বেশি ব্যবধানে জয়ের লক্ষ্য স্থির করেছিলেন।

শুভেন্দুবাবু প্রায়ই অভিযোগ করেন যে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক ব্যানার্জির ৬৮.৪৮ শতাংশ ভোট পাওয়া ছিল কারচুপির ফল। কিন্তু একই যুক্তি যদি পেছনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে দেখা যাবে যে সময় শুভেন্দুবাবু মেদিনীপুরে তৃণমূলের শক্ত কাণ্ডারি ছিলেন, তখন ২০১৪ সালের তামলুক লোকসভা আসনের নন্দীগ্রাম ব্লকে তিনি নিজেই পেয়েছিলেন ৬৮.৩৭ শতাংশ ভোট। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি পান ৬৬.৭৮ শতাংশ ভোট। দুটি পরিসংখ্যানে ডায়মন্ড হারবারের ফলাফলের খুবই কাছাকাছি।

তখনকার বুথভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৪ সালে নন্দীগ্রামের ২৪২ নম্বর বুথে ৭২১টি ভোটের মধ্যে ৭০৪টিই পেয়েছিলেন শুভেন্দু। একাধিক বুথে ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছিল তার পক্ষে। ২০১৮ সালে ময়না বিধানসভার ১০টি টানা বুথে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯০.৮ থেকে ৯৮.৯ শতাংশ।

আজ শুভেন্দু অধিকারী যখন ১ লাখ ভোটের ব্যবধানের কথা বলেন, তখন তিনি কার্যত নিজেরই পুরোনো রেকর্ডকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। যেমনটা ২০২৪ সালে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক ব্যানার্জি করেছিলেন নিজের রেকর্ড ভেঙে ৭ লাখ ব্যবধানের লক্ষ্য রেখে। রাজনৈতিক রঙের বদল হলেও পুরোনো অভ্যাস বদলানো যে সহজ নয়, রাজ্য উপনির্বাচন আবারও তা প্রমাণ করল।

আরও পড়ুন: গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে নিহত ১২, উদ্ধার অভিযান চলছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাম্প্রদায়িক উস্কানি প্রতিরোধ ও মানবাধিকার সুরক্ষার দাবিতে কাউখালীতে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


সাম্প্রদায়িক উস্কানি প্রতিরোধ ও মানবাধিকার সুরক্ষার দাবিতে কাউখালীতে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন

সাম্প্রদায়িক উস্কানি প্রতিরোধ ও দেশের সকল নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে পিরোজপুরের কাউখালীতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কাউখালী সাংগঠনিক জেলা শাখার উদ্যোগে মহিলা পরিষদের নিজস্ব কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। "সাম্প্রদায়িক উস্কানি প্রতিরোধ করি, সকল নাগরিকদের মানবাধিকার নিশ্চিত করি , এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
সংগঠনের সভাপতি সুনন্দা সমদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহসাধারণ সম্পাদক ও কাউখালী মহিলা কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক কুমকুম ভট্টাচার্য, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার, কাউখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সবুজ কুমার রবি, সিনিয়র সাংবাদিক নুরুল হুদা বাবু, নারী নেত্রী প্রভাতী মৃধা, মৌমিতা সাহা, ছায়া সমদ্দার প্রমুখ। বক্তারা সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং মানবাধিকার রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
সংগঠনের সভাপতি সুনন্দা সমাদ্দার বলেন, আমাদের দেশের মূল শক্তি হলো অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সর্বজনীন মানবাধিকার। কিন্তু ইদানীং কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন উপায়ে সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের আজকের মানববন্ধনের মূল বার্তা একটাই যেকোনো মূল্যে সাম্প্রদায়িক উস্কানি প্রতিরোধ করতে হবে এবং দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকার ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘দেশু ৭’-এর নেগেটিভ রিভিউতে ক্ষুব্ধ দেব, ২০ হাজারের প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


‘দেশু ৭’-এর নেগেটিভ রিভিউতে ক্ষুব্ধ দেব, ২০ হাজারের প্রস্তাব

আসন্ন দুর্গাপূজায় মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে ওপার বাংলার অভিনেতা দেবের বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দেশু ৭’। সিনেমাটির ট্রেলার আগামীকাল প্রকাশিত হবে। ট্রেলার প্রকাশের জন্য একটি জমকালো আয়োজনের পরিকল্পনা করেছেন দেব ও পরিচালক। অনুষ্ঠানে দেব ও শুভশ্রীর পাশাপাশি জিৎ-এরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে, ট্রেলার প্রকাশের পূর্বেই সিনেমাটির বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে নেতিবাচক প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন দেব।

সম্প্রতি, অভিনেতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ই-মেইলের ছবি প্রকাশ করেছেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, দেবের নতুন সিনেমার ট্রেলার নিয়ে নেতিবাচক পর্যালোচনা করলে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হবে। প্রতিটি পর্যালোচনার জন্য ২০ হাজার রুপি দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। যদি বেশি মানুষের কাছে সেই পর্যালোচনা পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।

এছাড়া, ওই ই-মেইলে উল্লেখ করা হয়েছে, পর্যালোচনাটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব মতামত হবে না; বরং নির্দিষ্ট করে দেওয়া একটি লেখা অনুযায়ী তা প্রকাশ করতে হবে। যাকে ই-মেইলটি পাঠানো হয়েছে, তিনি আগ্রহী হলে রাতের মধ্যেই যোগাযোগ করার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

ই-মেইলের ছবিটি প্রকাশ করে দেব লেখেন, ‘দেশু ৭ ট্রেলার মুক্তি পাওয়ার আগেই কিছু ইউটিউবার এবং রিভিউয়ারদের টাকার বিনিময়ে পরিকল্পিতভাবে নেগেটিভ রিভিউ দেওয়ার প্রস্তাব করা হচ্ছে। এমনকি নির্দিষ্ট স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী এই নেগেটিভ প্রচার ছড়ানোর কথা বলা হয়েছে।’

দেবের মতে, যেকোনো সিনেমার ক্ষেত্রে সমালোচনা স্বাভাবিক। একটি সিনেমা দর্শকের কাছে ভালো লাগতে পারে, আবার কারো কাছে সেটি ভালো নাও লাগতে পারে। দর্শকদের নিজেদের মতামত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তবে, যদি সেই মতামত অর্থের বিনিময়ে আগে থেকেই নির্ধারণ করে দেওয়া হয়, তাহলে সেটিকে আর স্বাভাবিক সমালোচনা বলা যায় না।

অভিনেতা জানান, দর্শকদের ওপর তার বিশ্বাস রয়েছে। ট্রেলার প্রকাশের পর দর্শকরা নিজেদের বিচার-বিবেচনা থেকেই সিনেমাটি সম্পর্কে মতামত দেবেন। সমালোচনা করতে হলে কারো কথায় প্রভাবিত না হয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত থেকেই তা করার অনুরোধ জানিয়েছেন দেব।

সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস আমাদের ছবির ওপর, আমাদের গোটা টিমের ওপর, আর সবথেকে বেশি আমাদের দর্শকের ওপর। আগামীকাল দেশু ৭-এর ট্রেলার দেখুন। ভালো লাগলে ভালো বলুন, খারাপ লাগলে সমালোচনা করুন—কিন্তু মতামতটা যেন আপনার নিজের হয়। কারণ শেষ কথা সবসময় দর্শকই বলে।','keywords':['দেব','দেশু ৭','নেতিবাচক প্রচার','ট্রেলার','সমালোচনা'],

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


৮৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড সারা দেশের ৮৬টি বেসরকারি ডিপ্লোমা পর্যায়ের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন ও স্বীকৃতি বাতিল করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হচ্ছে কারণ এসব প্রতিষ্ঠানে গত তিন বছর ধরে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল এবং ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন।

গত রোববার (৪ অক্টোবর) বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে। এই ব্যাখ্যা প্রদান করেন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিদর্শক প্রকৌশলী বি এম আমিনুল ইসলাম।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা না করায় ৮৬টি প্রতিষ্ঠানকে পাঠদান অনুমোদনের শর্তাবলির আওতায় বাতিল করা হবে। উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদনের শর্তাবলিতে বলা হয়েছে, পরপর তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অনুমোদন বাতিল হবে। এছাড়া, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নীতিমালা-২০২০ এর উপনীতি ৫.৪ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, লাইব্রেরী এবং অন্যান্য শর্তাবলি পূরণে ব্যর্থ হলে বোর্ড অনুমোদন বাতিল করতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর আগামী ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা হবে এবং পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

অনুমোদন বাতিল হতে যাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা:

১. মাইনাল প্রাইভেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, পঞ্চগড়

২. মাদারল্যান্ড অ্যান্ড পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ঠাকুরগাঁও

৩. টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, দিনাজপুর

৪. বেইলি ব্রিজ এগ্রিকালচার অ্যান্ড পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রংপুর

৫. মুসলিম এইড ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, রংপুর

৬. কেরামোতিয়া ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, রংপুর

৭. এস এফ আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রংপুর

৮. মেট্রোপলিটান প্রাইভেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রংপুর

৯. ইউনিক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, গাইবান্ধা

১০. সৃজনশীল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, জয়পুরহাট

১১. ইউনিভার্সাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, নওগাঁ

১২. মহাদেবপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, নওগাঁ

১৩. ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি, নওগাঁ, নওগাঁ

১৪. গ্লোবাল পলিটেকনিক অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, চাপাইনবাবগঞ্জ

১৫. নিউ ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, চাপাইনবাবগঞ্জ

১৬. প্রাইম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রাজশাহী

১৭. প্রকাউসল প্রগতি ইনস্টিটিউট, রাজশাহী

১৮. পপুলার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রাজশাহী

১৯. ক্যাম্পাস পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রাজশাহী

২০. রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, রাজশাহী

২১. ইউনাইটেড টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, রাজশাহী

২২. নর্থ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, নাটোর

২৩. যমুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সিরাজগঞ্জ

২৪. কাজীপুর পলিটেকনিক অ্যান্ড টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, সিরাজগঞ্জ

২৫. নর্দান টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, সিরাজগঞ্জ

২৬. ভেরামারা পলিটেকনিক অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, কুষ্টিয়া

২৭. গাংনী সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, মেহেরপুর

২৮. প্রেসিডেন্সি প্রাইভেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, মাগুরা

২৯. নড়াইল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, নড়াইল

৩০. লোহাগড়া সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, নড়াইল

৩১. মনিরামপুর মডেল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (এমএমপিআই), যশোর

৩২. অক্সফোর্ড প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, যশোর

৩৩. আহসানিয়া মিশন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, যশোর

৩৪. বুশরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরা

৩৫. কালিয়াগঞ্জ মডেল প্রাইভেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরা

৩৬. সুন্দরবন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, খুলনা

৩৭. স্কয়ার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, খুলনা

৩৮. পাবলিক সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, খুলনা

৩৯. ডিজিটাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, খুলনা

৪০. ইউনিক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, খুলনা

৪১. নর্দান পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, খুলনা

৪২. গোপালগঞ্জ সিটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, গোপালগঞ্জ

৪৩. বাংলাদেশ কম্পিউটার অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট, ফরিদপুর

৪৪. আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড এগ্রিকালচার, ফরিদপুর

৪৫. আদর্শ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ফরিদপুর

৪৬. বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ঢাকা

৪৭. মুসলিম এইড ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমএআইটি), ঢাকা

৪৮. সাভার ডিজিটাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ঢাকা

৪৯. মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তার ইনস্টিটিউট (এমএএসআই), নারায়ণগঞ্জ

৫০. মাধবদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, নরসিংদী

৫১. ধনবাড়ি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কলেজ, টাঙ্গাইল

৫২. এলেঙ্গা ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, টাঙ্গাইল

৫৩. শেরপুর ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি, শেরপুর

৫৪. আদর্শ কারিগরি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, শেরপুর

৫৫. ময়মনসিংহ ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ময়মনসিংহ

৫৬. কিশোরগঞ্জ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, কিশোরগঞ্জ

৫৭. ল্যান্ডমার্ক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা

৫৮. লাকসাম মডার্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা

৫৯. লুৎফুন্নেসা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা

৬০. পীরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ঠাকুরগাঁও

৬১. রংপুর ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, রংপুর

৬২. মিঠাপুকুর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, রংপুর

৬৩. প্যাসিফিক ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, রংপুর

৬৪. আরিফ রাব্বী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, গাইবান্ধা

৬৫. ইম্পেরিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

৬৬. দ্য নর্থ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রাজশাহী

৬৭. আদর্শ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কুষ্টিয়া

৬৮. কুইন্স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, চুয়াডাঙ্গা

৬৯. গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ

৭০. মডার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড এগ্রিকালচার, ফরিদপুর

৭১. রাজবাড়ী কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, রাজবাড়ী

৭২. রাজবাড়ী ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, রাজবাড়ী

৭৩. মাইক্রো ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, ঢাকা

৭৪. নর্দান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ঢাকা

৭৫. জামালপুর কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, জামালপুর

৭৬. জামালপুর মডেল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, জামালপুর

৭৭. নোয়াখালী আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, নোয়াখালী

৭৮. ড. জেড. আই. চৌধুরী এগ্রিকালচার ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, গাইবান্ধা

৭৯. আখতার মোরশেদ এগ্রিকালচার টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, বরগুনা

৮০. আল মদিনা কিরিশী প্রাযুক্তি ইনস্টিটিউট, ফেনী

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ৮৬টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের তালিকার মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্টার সিনেপ্লেক্সের ২২ বছরে এক টিকিটের সঙ্গে আরেকটি ফ্রি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ পি.এম


স্টার সিনেপ্লেক্সের ২২ বছরে এক টিকিটের সঙ্গে আরেকটি ফ্রি!

দেশের প্রথম মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হল স্টার সিনেপ্লেক্স আগামীকাল ৮ অক্টোবর ২২ বছরের পথচলা পূর্ণ করতে যাচ্ছে। এই বিশেষ দিনটি উদ্‌যাপন করার জন্য প্রতিষ্ঠানটি দর্শকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় অফার ঘোষণা করেছে। যে কোনো সিনেমার একটি টিকিট ক্রয়ের মাধ্যমে আরেকটি টিকিট বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।

স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ৮ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির যেকোনো শাখায় কাউন্টার থেকে যে কোনো সিনেমার একটি টিকিট কেনার পর সঙ্গে আরেকটি টিকিট বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। তবে, এই অফারটি শুধুমাত্র ওই এক দিনের জন্য প্রযোজ্য।

এছাড়া, দর্শকদের জন্য আরও একটি পুরস্কার জেতার সুযোগ রয়েছে। এজন্য স্টার সিনেপ্লেক্সের ফেসবুক পেজে যেতে হবে। সেখানে দর্শকদের স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখার সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি শেয়ার করে একটি বিনামূল্যের মুভি ভাউচার জেতার সুযোগ রয়েছে।

২২ বছর পূর্তি উপলক্ষে দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘এই পথচলা নিঃসন্দেহে আনন্দের। সময়ের সঙ্গে অনেক নতুনত্ব আসে। সেটি যখন মানুষ ভালোভাবে গ্রহণ করে তখনই তার সার্থকতা তৈরি হয়। স্টার সিনেপ্লেক্স আজ যে জায়গায় এসেছে তার পেছনে মূল শক্তি দর্শকদের ভালোবাসা। দর্শকরা সঙ্গে ছিলেন বলেই এই পথচলা সার্থক হয়েছে। এজন্য দর্শকদের প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভালো সিনেমার জন্য দর্শকরা সব সময় উদগ্রীব থাকেন। শুধু বিদেশি ছবির ওপর নির্ভরতা নয়, আমরা চাই আমাদের দেশে নিয়মিতভাবে ভালো ভালো ছবি নির্মিত হোক। বাংলাদেশের সিনেমা দেখার জন্য সব সময় হলে ভিড় লেগে থাকুক।’

২০০৪ সালের ৮ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে দেশের প্রথম মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হল স্টার সিনেপ্লেক্স। এর মাধ্যমে দেশের দর্শকদের সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতায় বড় পরিবর্তন আসে। সুপরিসর হল, নান্দনিক পরিবেশ ও আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন শব্দব্যবস্থাসহ নানা সুবিধা নিয়ে অল্প সময়েই দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে প্রতিষ্ঠানটি।

স্টার সিনেপ্লেক্সের হাত ধরে পরিবার নিয়ে সিনেমা হলে যাওয়ার সংস্কৃতিও নতুন করে জনপ্রিয়তা পায়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই হলিউডের সিনেমা দেখার সুযোগ তৈরি হয় বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য। অনেক সময় টিকিটের জন্য ভোর থেকেই দর্শকদের দীর্ঘ সারিতে দাঁড়ানোর দৃশ্য দেখা যায়। আবার কোনো কোনো সিনেমার টিকিট মুক্তির এক সপ্তাহ আগেই অনলাইনে বিক্রি শেষ হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

বর্তমানে ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, সীমান্ত সম্ভার ধানমণ্ডি, এসকেএস টাওয়ার মহাখালী, সামরিক জাদুঘর, সনি স্কয়ার মিরপুর, সেন্টার পয়েন্ট উত্তরা ও সীমান্ত টাওয়ার নারায়ণগঞ্জে স্টার সিনেপ্লেক্সের শাখা রয়েছে। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামের বালি আর্কেড ও ফিনলে স্কয়ারেও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শাখা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, চলতি বছর বগুড়া ও রাজশাহীতে নতুন শাখা চালুর প্রক্রিয়াও চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%