ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘কিন সোর্ড ২৭’ নতুন নজির গড়তে যাচ্ছে


জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘কিন সোর্ড ২৭’ নতুন নজির গড়তে যাচ্ছে

তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীনের সামরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে নিজেদের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্র বৃহৎ পরিসরে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে। সোমবার শুরু হতে যাওয়া ‘কিন সোর্ড ২৭’ নামের এই মহড়ায় জাপানের দূরপাল্লার জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবারের মতো ঘাঁটির বাইরে মোতায়েন করা হবে।

এছাড়া, তাইওয়ানের নিকটবর্তী একটি দ্বীপে উন্নত জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুই বছর পরপর অনুষ্ঠিত হওয়া এই মহড়া এবার সবচেয়ে বড় আকারে আয়োজন করা হচ্ছে। এতে জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনীর প্রায় ৪৫ হাজার সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১২ হাজার সেনা অংশগ্রহণ করবে। মহড়াটি ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

জাপানের কুমামোতো প্রদেশের ঘাঁটি থেকে টাইপ-২৫ জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবারের মতো মহড়ার অংশ হিসেবে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত করা হবে। প্রায় এক হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র জাপানের পাল্টা হামলার সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য ২০০ ট্রলি প্রদান

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ওকিনাওয়া প্রদেশের ইয়োনাগুনি দ্বীপে নেভি-মেরিন এক্সপেডিশনারি শিপ ইন্টারডিকশন সিস্টেম (এনএমইএসআইএস) মোতায়েন করছে। এই দ্বীপটি তাইওয়ান থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সেখান থেকে তাইওয়ানের উত্তর ও পূর্ব দিকের সমুদ্র অঞ্চলের বড় অংশে আঘাত হানার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের এই ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার থাকবে। চীন যদি তাইওয়ান অবরোধের চেষ্টা করে, তবে ওই সমুদ্র অঞ্চলটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

জাপানের জয়েন্ট অপারেশনস কমান্ড প্রতিষ্ঠার পর এটি হবে প্রথম কিন সোর্ড মহড়া। এই মহড়ায় মহাকাশ, সাইবার এবং তড়িৎচৌম্বকীয় ক্ষেত্রে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির অনুশীলন করা হবে।

জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনীর জয়েন্ট স্টাফের প্রধান জেনারেল হিরোআকি উচিকুরা বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দ্বীপগুলোতে জাপানি ও মার্কিন বাহিনীর দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের সক্ষমতা যাচাই করা এই মহড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, মহড়াটি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে আয়োজন করা হয়নি। বরং যেকোনো পরিস্থিতিতে যথাযথভাবে সাড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও সক্ষমতা গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য।

আরও পড়ুন: ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি, তীব্র বিক্ষোভ ও সহিংসতার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

এমএমআর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা দিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা দিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা (ডিও লেটার) প্রদান করেছেন।

এ ডিও লেটার আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট এমপিদের কাছে প্রেরণ করা হয়। ৩৮টি জেলার সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য মন্ত্রী এই ডিও লেটার প্রদান করেছেন।

মন্ত্রী ডিও লেটারে উল্লেখ করেন, মা ইলিশ সংরক্ষণে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, "জাতীয় মৎস্যসম্পদ ও ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য ইলিশ বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, পুষ্টিনিরাপত্তা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।" ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ পরিচালিত হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, "অভিযান চলাকালে নির্ধারিত এলাকায় সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ।" ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় আইনত নিষিদ্ধ। তিনি জানান, ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং ভবিষ্যতে এ সম্পদের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এই অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সফলতা কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল নয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা এই ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডিও লেটারে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সামাজিকভাবে সুপরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে মা ইলিশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়ানো সম্ভব। এই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীদের অভিযান বাস্তবায়নে সহযোগিতা, জেলেদের আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা এবং অবৈধভাবে ইলিশ আহরণ নিরুৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে তাদের মধ্যে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের সময় বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে দীর্ঘকালীন বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করার বিষয়ে উভয় পক্ষের আগ্রহ প্রকাশ পায়।

আলোচনায় প্রতিরক্ষা খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি, সামরিক প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষা সামগ্রী সংগ্রহের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পায়। এ ছাড়া শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দুই দেশের প্রশংসনীয় ভূমিকা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ভবিষ্যৎ পারস্পরিক সহযোগিতা ও যৌথ প্রশিক্ষণের সুযোগ নিয়ে বিশদ মতবিনিময় হয়।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রতিরক্ষা শিল্প ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতালি সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অপরদিকে, ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ইতালির অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের সংলাপ ও যোগাযোগ দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক এবং সার্বিক দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাখি সাওয়ান্তের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


রাখি সাওয়ান্তের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত ফের আইনি জটিলতায় পড়েছেন। ২০১০ সালের একটি পুরোনো মামলায় জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসির একটি আদালত। আদালতে হাজির না হওয়ায় এবং বারবার নোটিশ পাঠানোর পরও তিনি উপস্থিত না হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঘটনার সূচনা ‘রাখি কা ইনসাফ’ নামের একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। লক্ষ্মণ, যিনি প্রেম নগরের বাসিন্দা, তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের কারণে ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন রাখি সাওয়ান্ত।

অভিযোগ রয়েছে, অনুষ্ঠানে লক্ষ্মণকে উদ্দেশ্য করে রাখি অবমাননাকর ও আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। এমনকি তাকে ‘নপুংসক’ বলেও কটাক্ষ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এর ফলে লক্ষ্মণ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং সামাজিকভাবে হেনস্থার শিকার হন বলে দাবি করা হয়েছে। ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে লক্ষ্মণের মৃত্যু ঘটে।

ছেলের মৃত্যুর পর তার মা সাবিত্রী প্রেম নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ২০১০ সালের অক্টোবরে প্রচারিত ‘রাখি কা ইনসাফ’-এর একটি পর্বে তার ছেলেকে নিয়ে অপমানজনক ও আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল।

এই ঘটনায় রাখি সাওয়ান্তসহ চারজনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করার অভিযোগে মামলা করা হয়।

মামলার পরবর্তী প্রক্রিয়ায় আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করতে বলা হয়েছিল রাখিকে। কিন্তু একাধিকবার নোটিশ পাঠানোর পরও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে জানা গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিচারক তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, ফুটবল উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


ঢাকায় ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, ফুটবল উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি ও চার সহ-সভাপতি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ফিফা) সভাপতি ভুটান সফরের পথে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেন। ঘণ্টাব্যাপী এই আলোচনায় বাফুফে কর্মকর্তারা বাংলাদেশের ফুটবলের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

বাফুফে সহসভাপতি ও গর্ভমেন্ট রিলেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরি হ্যাপি জানান, "সভাপতি ও আমরা সবাই বাংলাদেশের ফুটবলের নানা বিষয় তুলে ধরেছি। কক্সবাজারে ফিফার অর্থায়নে ট্যাকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণের বিষয়টি তাকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে ফিফার আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়ার ব্যাপারে প্রাথমিক আশ্বাসও দিয়েছেন।"

দুপুর ২টা পঞ্চাশ মিনিটে ইনফান্তিনো থিম্পুর উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি ভূটানে দুদিন থাকবেন। ২০ তারিখ ফেরার পথে বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঐ সময় বাফুফে কর্মকর্তারা জাপানে এএফসি বিশেষ কংগ্রেসে উপস্থিত থাকবেন।

এর আগে ২০১৭ সালে একদিনের সফরে ঢাকায় এসেছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%