ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন


জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

"করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করবো বারো মাস"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জয়পুরহাটে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এই মেলার উদ্বোধন করা হয়।

এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, জয়পুরহাটের আয়োজনে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ. কে. এম সাদিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাফসিয়া জাহান।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, জানাজায় সহপাঠী ও শিক্ষকরা

উদ্বোধনী আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসকসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন ফলের স্টল ঘুরে দেখেন। স্টলগুলোতে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদিত নানাবিধ পুষ্টিকর ও বিলুপ্তপ্রায় ফলের প্রদর্শনী করা হয়। মেলা পরিদর্শনের সময় অতিথিরা ফল চাষের আধুনিক প্রযুক্তি এবং বারো মাস ফল সংরক্ষণের বিভিন্ন উপায় নিয়ে কথা বলেন এবং সাধারণ মানুষকে বেশি করে ফলদ বৃক্ষ রোপণের আহ্বান জানান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তা, কৃষক প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মেলাটি স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে ফল চাষ ও পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতা পরিশোধে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতা পরিশোধে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ২০২২ সাল থেকে আটকে থাকা অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর ভাতা বিতরণ আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই শুরু হবে। মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে আগামী দুই বছরের মধ্যে শিক্ষকদের সব পাওনা পরিশোধ করে এই সমস্যার সমাধান করা হবে।

বুধবার সকালে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান। অনুষ্ঠানের আয়োজন রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে করা হয়েছিল। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ মো. আক্তারুজ্জামান সভার সভাপতিত্ব করেন এবং অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান।

শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সংকট ও সংস্কারের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরলেন। তিনি বলেন, ‘২০২২ সাল থেকে যারা অবসরে গিয়েছেন, তারা একজনও এখনও অবসর ভাতার টাকা পাননি। একজন শিক্ষক অবসর গ্রহণের পর ২৫ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পেয়ে থাকেন। বিগত সরকারের সময় এই ফান্ডের প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ফলে হাজার হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক তাদের শেষ জীবনে এসে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।’

শিক্ষকদের এই ন্যায়সঙ্গত অধিকার দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই এই মানবিক সংকট সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি। আসন্ন জুলাইয়ের বাজেটে এই খাতের জন্য অতিরিক্ত ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া এ খাতের জন্য একটি বিশেষ বন্ড পেয়েছি। আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এই ভাতা বিতরণ শুরু হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে শিক্ষকদের সমস্ত পাওনা পরিশোধ করে এই জট দূর করা হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘আদালতে শুধু একটি মামলার কারণে আমরা ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারিনি। এর মধ্যে আরও ১৭ হাজার শিক্ষক অবসরে গেছেন। ৬০ হাজারেরও বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। বিগত সরকারগুলো এই সমস্যা সমাধান কেন করেনি? মামলার জট দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আটকে রাখা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিআর-সেভেনের জীবনের অসাধারণ উত্থানের ৬টি ধাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


সিআর-সেভেনের জীবনের অসাধারণ উত্থানের ৬টি ধাপ

গতরাতে টেক্সাসের হিউস্টন স্টেডিয়ামে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে মোকাবেলায় সিআর-সেভেন নামে পরিচিত পর্তুগিজ তারকা দুই গোল করে নিন্দুকদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন।

বিশ্বকাপে শুরুতেই গোল পাননি বলে নিন্দুকেরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন, "রোনালদো কি এখন পর্তুগালের সবচেয়ে বড় সমস্যা?"

গোল করার পর মাঠে রোনালদোর দিকে তাক করা এক টিভি ক্যামেরায় চোখ রেখে তিনি বলতে থাকেন, "আই অ্যাম ব্যাক! আই অ্যাম ব্যাক!"

শুরুতেই জীবনের এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার, নিজের নামকে একটি ব্র্যান্ডে পরিণত করা বিলিয়নিয়ার খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোয়ের জীবনের সহজ ছিল না।

একসময় ম্যাকডোনাল্ডসের বাইরের বেঁচে যাওয়া বার্গারের জন্য অপেক্ষা করতেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিন্তু আজ তিনি একজন বিলিয়নিয়ার এবং এ গ্রহের সবচেয়ে পরিচিত ব্যক্তি।

বিবিসির গুড, ব্যাড, বিলিয়নিয়ার পডকাস্টে সম্প্রতি তার জীবনের অসাধারণ উত্থানের ছয়টি ধাপ নিয়ে আলোচনা হয়, সেটাই এই রিপোর্টে তুলে ধরা হলো-

অল্প দিয়েই শুরু করা

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দোস সান্তোস আভেইরো ১৯৮৫ সালে আটলান্টিক মহাসাগরের এক ছোট পর্তুগিজ দ্বীপ মাদেইরার এক শ্রমজীবী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা স্থানীয় এক ফুটবল ক্লাবের কিট ম্যানেজার এবং মালি হিসেবে কাজ করতেন। তার মায়ের পেশা ছিল রাধুনী এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী।

রোনালদোর শৈশব কেটেছে দুই রুমের এক ছোট্ট ফ্ল্যাটে, বাকি তিন ভাইবোনের সাথে একটি ঘরে তার থাকতে হয়েছে। তবে রোনালদো কখনোই একে কষ্ট বা দুর্দশা হিসেবে দেখেননি।

"আমরা (জীবনকে) এমনই জানতাম… এবং আমরা সুখেই ছিলাম।"

অল্প বয়সেই নিজের আগ্রহ বেছে নেওয়া

রোনালদো ছোটবেলাতেই স্কুলের চেয়ে ফুটবলকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলেন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি স্কুল থেকে বহিষ্কৃত হন, কারণ একটি শিক্ষকের দিকে তিনি চেয়ার ছুড়ে মারেন। রোনালদোর অভিযোগ ছিলো ওই শিক্ষক তাকে 'অসম্মান' করে কথা বলেছিলেন। তবে, ওই ঘটনার পর তিনি পুরোপুরি খেলায় মনোনিবেশ করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর ১৫ বছর বয়সে একটি হৃদযন্ত্রের সমস্যা তার সব পরিকল্পনা আর স্বপ্নকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়। তার একটি বড় অস্ত্রোপচার হয় এবং তার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি আবার অনুশীলনে ফিরে আসেন।

কেবল প্রতিভা নয়...বিরামহীন পরিশ্রম

ফুটবল মাঠে রোনালদোর প্রতিভা তাকে সবার নজরে এনেছিল। আর বিরামহীন পরিশ্রম তাকে কিংবদন্তিতে পরিণত করেছে। তিনি তার ক্যারিয়ার গড়েছেন কয়েকটি সাধারণ নীতির ওপর ভিত্তি করে - 'ফার্স্ট ইন, লাস্ট আউট'; মানে সোজা বাংলায় সবার আগে মাঠে আসা এবং সবার শেষে ফেরা - এবং দিনের পর দিন একই রুটিনের পুনরাবৃত্তি। এই নীতিতে তিনি তার শরীর ও মনকে অভ্যস্ত করে ফেলেছেন।

আর তার ফলাফল?

পাঁচটি ব্যালন ডি'অর, পাঁচটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা, শত শত গোল এবং অসংখ্য রেকর্ড।

সাফল্যকে টাকার অঙ্কে রূপান্তর করা

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং রিয়াল মাদ্রিদে খেলার সময় তিনি ক্রীড়াজগতের অন্যতম মূল্যবান সম্পদে পরিণত হন।

ক্রমে তার সঙ্গে এসেছে সেই সাফল্যকে টাকার অঙ্কে রূপান্তর করার সুযোগ, আস্তে আস্তে যা তার আয়ের চাকা ঘোরানোর মাধ্যম হয়ে ওঠে।

সাফল্যের সাথে একে একে আসে বৈশ্বিক ব্র্যান্ড অ্যান্ডোর্সমেন্ট।

নাইকি, কোকা-কোলা, এনার্জি ড্রিংকস, ঘড়ি... বিশ্বের তাবৎ বড় বড় ব্র্যান্ডের মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি আর ক্রমে দীর্ঘ হতে থাকে সেই তালিকা...

কেবল সফল প্রোফাইল নয়, নিজের ব্র্যান্ড তৈরি

আন্তর্জাতিক ব্রান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করার পর রোনালদো নিজের একটি ব্র্যান্ড তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন। নিজের নামের অক্ষর আর জার্সি নম্বর দিয়ে রোনালদোর সিআর-সেভেন ব্র্যান্ডের যাত্রা শুরু হয় অন্তর্বাস বাজারে আনার মধ্য দিয়ে। এখন এ ব্র্যান্ড ফ্যাশন, সুগন্ধি, হোটেল, জিম - এমনকি একটি জাদুঘর পর্যন্ত বিস্তৃত।

তার মূলমন্ত্র ছিল - শুধু স্পন্সরশিপ থেকে রোজগার নয়, বরং পণ্য ও সেবায় নিজের মালিকানা অর্জন ও লাইসেন্স নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা। সেই কৌশল যে কাজ করেছে - সেটা তো বলাই বাহুল্য।

ক্যারিয়ারের শেষ ভাগে সাফল্যের পুরো সুযোগ নেওয়া

বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের গতি তাদের বয়স ৩০ এর কোঠায় এলে কমে যায়। কিন্তু রোনালদো তার পরিধি আরও বাড়িয়েছেন, ৪১ বছর বয়সেও দারুণ ফর্মে চলতি বিশ্বকাপে খেলতে এসেছেন। তবে মাঠে এবং মাঠের বাইরে সিআর-সেভেনের হিসাব নিখুঁত, প্রায় অব্যর্থ।

৩৭ বছর বয়সে সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসরের সাথে চুক্তি তাকে বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার এনে দিয়েছিল। সাথে রয়েছে বাণিজ্যিক চুক্তি ও বোনাস, যা ওই চুক্তিকে বিশ্ব ক্রীড়াজগতের অন্যতম লাভজনক চুক্তিতে পরিণত করে।

এদিকে, ততদিনে রোনালদো তার ক্যারিয়ারের উপার্জনে ইতোমধ্যে এক বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক পার করে ফেলেছেন।

অন্যদিকে, সৌদি ক্লাবের সেই দলবদল রোনালদোর সম্পদে কেবল আরও নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুনের ২৩ তারিখে রেমিট্যান্স এসেছে ২২৪ কোটি ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


জুনের ২৩ তারিখে রেমিট্যান্স এসেছে ২২৪ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে ২২৩ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এ হিসাবে প্রতিদিন গড় হিসেবে দেশে ৯ কোটি ৭৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চলতি জুন মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২২৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বছরের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৪৯৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোন এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাস আয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাছ চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ও নিরাপদ উৎপাদনে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


মাছ চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ও নিরাপদ উৎপাদনে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, ‘দেশে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি এখন নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। মাছ চাষে আরও আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিরাপদ উৎপাদন ব্যবস্থা চালু করে রফতানি সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার।’

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বিএফআরআই উদ্ভাবিত উন্নত জাতের পোনা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের চাহিদা পূরণের পর কিছু উদ্বৃত্ত মাছ উৎপাদিত হচ্ছে, যা রপ্তানির সুযোগ তৈরি করেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের জন্য নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

তিনি বলেন, ‘মাছকে যে খাদ্য খাওয়ানো হচ্ছে, সেই খাদ্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে চূড়ান্ত পণ্য পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াকে আমাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। বিশ্ববাজারের মানদণ্ড অনুযায়ী খাদ্য উৎপাদন হচ্ছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি।’

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘বিশ্ববাজারে কোন ধরনের মাছের চাহিদা বেশি এবং কোন মাছ রফতানির সম্ভাবনা রয়েছে, তা নিয়ে গবেষণা চলছে।’

তিনি জানান, ‘মিঠা পানির মাছের আন্তর্জাতিক বাজার তুলনামূলক সীমিত হলেও নতুন বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এখন আমাদের লক্ষ্য স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ উপায়ে উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করা। এ লক্ষ্য অর্জন করা গেলে শিগগিরই আমরা মাছ রফতানি আরও বাড়াতে পারবো।’

ময়মনসিংহ অঞ্চলের মাছ চাষিদের রেয়াতি মূল্যে বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়ার দাবির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘দাবিটি যৌক্তিক। মাছ চাষ কৃষিরই একটি অংশ হওয়ায় কৃষি খাতের মতো বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। এ বিষয়ে তিনি বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।’

মাছের খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, মানসম্পন্ন উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য কাঁচামাল, মাছের খাদ্য এবং চূড়ান্ত পণ্য পুরো উৎপাদন শৃঙ্খলকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রয়োজন রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্বে খাদ্যের ঘাটতির চেয়ে নিরাপদ খাদ্যের চাহিদাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাই আমরা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী বিএফআরআইয়ের বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%