০৪:১৮ এম
পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় লাভ করেছে। রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিকরা সফরকারীদের ৪ উইকেটে পরাজিত করেছে। লাহিরু উদারার দুর্দান্ত ৯১ রানের ইনিংস সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কা পাকিস্তানের জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাতের ঝোড়ো অর্ধশতক পাকিস্তানকে ৭ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে।
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শ্রীলঙ্কা শুরুতেই ধাক্কা খায়। নাসিম শাহের প্রথম ওভারে অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস বিদায় নেন। এরপর মোহাম্মদ ইমরানের বলে কামিল মিশারাও ফিরে গেলে শ্রীলঙ্কা চাপে পড়ে যায়। তবে লাহিরু উদারা কামিন্দু মেন্ডিসকে সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
শ্রীলঙ্কা পাওয়ারপ্লেতে উদারার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যায়। প্রথম ছয় ওভারে তারা দুই উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান সংগ্রহ করে। কামিন্দু মেন্ডিস ১৮ বলে ২৩ রান করে ফিরে গেলে তাদের জুটি ভেঙে যায়। এরপর সাহান আরাচ্চি বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।
আরও পড়ুন: সরকার তিনটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনে সহায়তা করবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
উদারা দাসুন শানাকাকে নিয়ে পালটা আক্রমণে নামেন। তিনি মাত্র ৩২ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। শানাকার সঙ্গে তার ৩৭ বলে ৬০ রানের জুটি শ্রীলঙ্কাকে বড় সংগ্রহের পথে রাখে। তবে শেষ দিকে আর কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা।
শ্রীলঙ্কার হয়ে ৫৫ বলে ১১টি চার ও একটি ছক্কায় ৯১ রান করে অপরাজিত থাকেন উদারা। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে নাসিম শাহ ৩৬ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন। মোহাম্মদ ইমরান দুটি উইকেট শিকার করেন।
১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে। দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামান দ্রুত রান তুলতে থাকেন। তবে ফখর ১৩ বলে চারটি চারে ২১ রান করে ঈশান মালিঙ্গার বলে আউট হন।
এরপর ক্রিজে এসে পালটা আক্রমণ চালান মাজ সাদাকাত। তার সঙ্গে অধিনায়ক ফারহানের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে পাওয়ারপ্লের ছয় ওভারেই ৭০ রান তুলে নেয় পাকিস্তান। দুই ব্যাটারের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ৯.২ ওভারেই দলীয় সংগ্রহ ১০০ ছুঁয়ে ফেলে। ফারহান ৩৩ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন, আর সাদাকাত ২৮ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন।
আরও পড়ুন: জোডারের স্বপ্ন ভেঙে সাংহাই মাস্টার্সের শিরোপা জিতলেন ফকিনা
দুজনের ৯২ রানের জুটি ভাঙেন মহীশ থিকশানা। এরপর দুশমন্থ চামিরার শিকার হয়ে ফেরেন হাসান নওয়াজ। থিকশানার বলে সাইম আইয়ুবও বোল্ড হলে কিছুটা চাপে পড়ে পাকিস্তান। তবে ততক্ষণে জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন ফারহান ও সাদাকাত।
শেষ দিকে খাজা নাফেকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তান অধিনায়ক দলকে জয়ের আরও কাছে নিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ৫৩ বলে ১০টি চার ও চারটি ছক্কায় ৮৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ফারহান। তার দায়িত্বশীল ও আক্রমণাত্মক ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান ৭ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন