আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
১০:০১ পি.এম
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, প্রতিপক্ষের বাঁধার কারণে তিনি নিজের ক্রয়কৃত জমিতে নিজেই যেতে পারছেন না।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মগধরা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সরকারী পাকা সড়কের উত্তর পার্শ্বস্থ এবং মগধরা মৌজার অন্তর্গত বিএস ৮৯৪৬ ও ৬৩৫৫ দাগের ৪৭ শতক জমি, যেটি বিগত ১৮/০২/২০১৪ এবং ১৪/০১/২০১৫ ইং তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে পূর্বতন মালিক মোহাম্মদ আজাহারুল ইসলামের কাছ থেকে দুটি আলাদা দলিল সৃজনে ক্রয় করা হয়েছে। দলিল দুটির নাম্বার হচ্ছে ৯৯ ও ২৯২৮।
সম্প্রতি, তিনি তার নিজ ক্রয়কৃত বৈধ জমিতে একটি বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করতে গেলে, তার দুর প্রতিবেশি পূর্বের সরু রাস্তা আরো সংকীর্ণ হওয়ার অজুহাত তুলে কাজের মধ্যে বাঁধার সৃষ্টি করে। তারা পেশিশক্তি প্রদর্শন করে তার উন্নয়ন কাজ জোরপূর্বক বন্ধ করে দেয়। এ কারণে, তার ৫ লক্ষাধিক টাকার ইট, বালি ও সিমেন্ট অরক্ষিত এবং অনিরাপদ অবস্থায় জমিতে পড়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হচ্ছে, বলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, "আমি আমার ক্রয়কৃত জমির বাইরে এক ইঞ্চিও যাইনি এবং আমার জমিতে আমি কাজ করছি, তা ছাড়া আমার জমির সাথে আমার প্রতিপক্ষের নুন্যতম সীমানাও নাই।" এর পরেও, তিনি অভিযোগ করেন যে, কিছু খারাপ লোকের কুপরামর্শ নিয়ে তার দুর প্রতিবেশি তার উন্নয়ন কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে এবং অযথা তাকে হয়রানি করছে। এর ফলে, তিনি আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
নুরুল ইসলাম এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি আকর্ষণ ও ন্যায্য সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির কাজে সিন্ডিকেটমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে না পারলে তিনি মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবেন। মঙ্গলবার (৩ জুন) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘সিন্ডিকেটমুক্ত করা আমার চ্যালেঞ্জ। এটা যদি না করতে পারি, চলে যাব। প্রথম দিন থেকে বলে আসছি, আমি যদি এখানে মন্ত্রী থাকি, এখানে কোনো ধরনের সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না, জিরো টলারেন্স।’ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘দেশের নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা এবং প্রতারণামূলকভাবে বিদেশে পাঠানোর মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনো চক্র, সংস্থা, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো এজেন্সির অসততার কারণে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া হবে না।’ তিনি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে আরো বলেন, ‘চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন। তবে ওই সফরে শ্রমবাজার-সংক্রান্ত কোনো নতুন সমঝোতা স্মারক সই হবে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য নেই।’ মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রবাসীদের জন্য একটি সমন্বিত কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রবাসী কার্ড চালু হলে আলাদা বিএমইটি কার্ড থাকবে না। একটি কার্ডের মাধ্যমেই প্রবাসীরা প্রয়োজনীয় সব সুবিধা পাবেন। এ লক্ষ্যে কাজ চলছে। তিনি আরো বলেন, রাশিয়ায় থাকা ৩০ বাংলাদেশিকে দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে মস্কোয় বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে ভুক্তভোগীদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যাত্রীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় দুই দিনের জন্য সব ফ্লাইট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইজিপ্টএয়ার। বুধবার (৩ জুন) কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার কারণে কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নেয়।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের হামলার ফলে আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং মিসরের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বলিষ্ঠ বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত এবং অন্তত ৬৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ৭ জনের জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করার খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের দখল বা নিয়ন্ত্রণের পাঁয়তারা জনগণ মেনে নেবে না, এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, সরকার ইসলামী ব্যাংককে সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
এই ব্যাংক উদ্ধারের জন্য বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা মাঠে নামতে প্রস্তুত রয়েছে। ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কাউকে টানাটানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না।
বুধবার (৩ জুন) রাতে রাজধানীর মিরপুরের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য শাহ আলম তুহিন এবং অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম।
ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩৪ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। আবারও ফ্যাসিবাদী কায়দায় ব্যাংক খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে।’
তিনি বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের কোনো ক্ষতি হলে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ তিনি সরকারকে ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ভূমিকার সমালোচনা করেন।
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, দেশ এভাবে চলতে পারে না।
বিগত সরকারের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একদল পালিয়ে গেছে পাশের দেশে, বাকি দল যাবে কোথায়? জনগণের স্বার্থে জামায়াত শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করবে এবং কখনো গৃহপালিত বিরোধী দল হবে না বলেও তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই, এরা বসন্তের কোকিল। দেশের ৩০০ জন সংসদ সদস্য যদি ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নেন, তবে দেশ থেকে চাঁদাবাজি দূর করা সম্ভব।
বিশ্ব পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে এবার ইরান, লেবানন ও গাজাসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেনি। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে এবং মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।
তিনি বলেন, দেশের বর্তমান সংকট যদি কৃত্রিম হয় তবে তা দ্রুত সমাধান করতে হবে। আর যদি প্রাকৃতিক বা বৈশ্বিক কারণে হয়, তবে বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হবে। জাতীয় সংসদ সঠিকভাবে কার্যকর করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, সরকারি ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব।
জ্বালানি খাতের সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি অভিযোগ করেন, দেশে গ্যাসের মজুদ কমে গেলেও নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও উত্তোলনে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। গ্যাসের দাম ৬০০-৭০০ টাকা বাড়িয়ে পরে মাত্র ৫০ টাকা কমানোকে তিনি জাতির সঙ্গে তামাশা বলে অভিহিত করেন।
সবশেষে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের জন্য বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে জনগণের স্বার্থে জামায়াতে ইসলামী শিগগিরই আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কারামুক্তি হতে যাচ্ছে। রাজকীয় ক্ষমার মাধ্যমে তার বাকি কারাদণ্ড মওকুফ করা হয়েছে।
এখন আনুষ্ঠানিকতা বাকি রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে তিনি পুরোপুরি মুক্তি পাবেন।
থাইল্যান্ডের বিচারমন্ত্রী রুত্থাফন নাওয়ারাত এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য হিন্দু জানাচ্ছে। তিনি বলেন, রাজকীয় ক্ষমাপ্রাপ্ত বন্দিদের তালিকায় থাকসিন সিনাওয়াত্রার নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে মুক্তির পূর্বে কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
রাজকীয় ক্ষমার আওতায়
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে থাইল্যান্ডের সরকারি রাজকীয় গেজেটে প্রকাশিত একটি ঘোষণায় বলা হয়েছিল, দেশটির রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন রানি সুথিদার ৩ জুনের জন্মদিন উপলক্ষে নির্বাচিত বন্দিদের রাজকীয় ক্ষমা প্রদান করেছেন।
তবে থাকসিনের আইনজীবী উইনইয়াত চার্টমনত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করতে পারেননি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি জানান, তার যোগ্যতা বিবেচনায় দেখা যাচ্ছে, তিনি রাজকীয় ক্ষমা ও মুক্তির সুবিধা পাওয়ার শর্ত পূরণ করেন।
নির্বাসন শেষ করে কারাবন্দি
৭৬ বছর বয়সী ধনকুবের রাজনীতিক থাকসিন সিনাওয়াত্রা ২০২৩ সালের আগস্টে ১৫ বছরের স্বেচ্ছানির্বাসন শেষে থাইল্যান্ডে ফিরে আসেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় স্বার্থের সংঘাত ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দেওয়া আট বছরের কারাদণ্ড ভোগের উদ্দেশ্যে দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার দিনই তার মিত্র রাজনৈতিক শক্তি পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করে।
দেশে ফেরার কিছু ঘণ্টার মধ্যেই থাকসিনকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সে সময় হৃদ্যন্ত্র ও বুকে জটিলতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল।
পরে রাজকীয় অনুকম্পায় তার আট বছরের সাজা কমিয়ে এক বছরের মধ্যে নামিয়ে আনা হয়।
প্যারোলে মুক্তি
তিনি ছয় মাস হাসপাতালের মধ্যে কাটানোর পর প্যারোলে মুক্তি পান। যদিও গত মাসে প্যারোলে মুক্তি পাওয়ার পরও তার এক বছরের সাজা আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকার কথা ছিল। সেই হিসেবে তার আরো তিন মাসের কিছু বেশি সময়ের সাজা বাকি ছিল।
আইনি জটিলতা
গত বছর থাইল্যান্ডের সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিলেন, থাকসিনের দীর্ঘ হাসপাতাল অবস্থান পুরোপুরি ন্যায্য ছিল না। আদালত নির্দেশ দেন, অবশিষ্ট সাজা তাকে কারা হেফাজতেই ভোগ করতে হবে। ফলে তার আইনি পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে ওঠে। তবে সর্বশেষ রাজকীয় ক্ষমার ফলে সেই অবশিষ্ট সাজাও কার্যত বাতিল হতে যাচ্ছে।
দুই দশক ধরে থাই রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এবং একই সঙ্গে সবচেয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা। তার নেতৃত্বে কিংবা তার পরিবারের সমর্থনে পরিচালিত একাধিক জনমুখী সরকার থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে।
বিশেষ করে সিনাওয়াত্রা পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে দেশটির ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ভূমিকা পালন করে আসছে। গত বছর ফেউ থাই পার্টি নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থাকসিনের রাজনৈতিক ও আইনি চাপ আরও বেড়ে যায়। এরপর তার সাবেক মিত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠা অনুতিন চানভিরাকুল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় আসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ