ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদক, চুরি ও ডাকাতির পাঁচ মামলার আসামি আরাফাতকে কুপিয়ে হত্যা


মাদক, চুরি ও ডাকাতির পাঁচ মামলার আসামি আরাফাতকে কুপিয়ে হত্যা

নড়াইলের নড়াগাতী থানার জয়নগর ইউনিয়নের দেবদুন গ্রামে মাদক বেচাকেনার  দ্বন্দ্বে আরাফাত মোল্যাকে (৩৮) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে আরাফাতের বাড়ির পাশে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত আরাফাত দেবদুন গ্রামের মকিদুল মোল্যার ছেলে। তার নামে নড়াগাতী থানায় মাদক, চুরি ও ডাকাতির পাঁচটি মামলা রয়েছে।  

নিহতের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের দাবি, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন আরাফাতকে হত্যা করেছে। মাদকের বিষয়টি তারা এড়িয়ে যাওয়া চেষ্টা করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তারা প্রচার করছেন, পূর্বের বিরোধের জেরে আরাফাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
 
নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হোসেন আলী জানান, মাদক বেচাকেনার  দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের কবির হোসেন, জিসানসহ ৪-৫ মিলে আরাফাত মোল্যাকে হত্যা করেছে। বিষয়টি আরও তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য আরাফাতের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। #

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ এম


শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত শৈশব, নৈতিক, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষা, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত পুষ্টি এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সুদৃঢ় অঙ্গীকার।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার (৫ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্ণ হবে। এই উপলক্ষে আগামী ৬ থেকে ৮ অক্টোবর তিন দিনব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণভাবে শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ উদযাপিত হবে।

তিনি আরও বলেন, একটি সুসংগঠিত ও সমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণের জন্য শিশুদের সার্বিক বিকাশ অপরিহার্য। তবে শিশুশ্রম, সামাজিক সহিংসতা, বাল্যবিয়ে ও বৈষম্যের মতো চ্যালেঞ্জ এখনও বিদ্যমান। এসব সামাজিক ব্যাধি দূরীকরণে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিশু একেকটি ফুল এবং আগামী দিনের স্বপ্ন ও সম্ভাবনা। আজকের ছোট্ট শিশুর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে আগামী দিনের পথপ্রদর্শক, অভিভাবক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী কিংবা দেশের চালিকাশক্তি। তাই শিশুদের সঠিক যত্ন, স্নেহ ও শিক্ষার মাধ্যমে গড়ে তোলা সবার পবিত্র দায়িত্ব।

তিনি বলেন, নিষ্পাপ শিশুদের হাসিমাখা মুখই নতুন বাংলাদেশের আশা ও অসীম সম্ভাবনার প্রতীক। প্রতিটি শিশুর ভেতরে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভা ও সৃজনশীলতাকে প্রস্ফুটিত করার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ব।

শিশুদের কল্যাণ এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ১৯৭৮ সাল থেকে ‘জাতীয় শিশু পুরস্কার’ প্রতিযোগিতা প্রবর্তন করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শিশুদের নিরাপদে বেড়ে ওঠা এবং তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, শিশুশ্রম নিরসনে ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) আইপিইসি (আইপিইসি) প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষায় তার (বেগম খালেদা জিয়া) ভূমিকা অনন্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ক্রীড়া, শিল্প-সাহিত্যসহ নানা ক্ষেত্রে আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশকে বিশ্বদরবারে নতুন উচ্চতায় আসীন করবে।

তিনি বলেন, শিশু অধিকার দিবস উদযাপনের পাশাপাশি বাংলাদেশ শিশু একাডেমির গৌরবময় সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে। শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের প্রধান বাতিঘর শিশু একাডেমির অর্ধশতকের এই আনন্দঘন অভিযাত্রা লাখো শিশুর কণ্ঠে সুরের ঝরনা, তুলির আঁচড়ে রঙের মেলা এবং চোখে রঙিন ভবিষ্যতের দীপ্ত স্বপ্নের প্রতীক।

সরকার প্রধান আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী নতুন স্বপ্নে জাগ্রত হওয়ার এবং নতুন মানবিক অভিযাত্রার পথপ্রদর্শক হবে। শিশুর নির্মল হাসিতে, সুপ্ত স্বপ্নে ও সাফল্যে গড়ে উঠবে আগামী দিনের এক নিরাপদ, সুন্দর ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ।

শিশু অধিকার দিবস উপলক্ষে তিনি দেশের সব শিশু, অভিভাবক, শিক্ষক এবং শিশুকল্যাণে নিয়োজিত সব ব্যক্তি ও সংস্থাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

সবশেষে বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহানবীকে নিয়ে অবমাননাকর পোস্ট, শ্রীলঙ্কান যুবকের মৃত্যুদণ্ড সৌদির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৭ এম


মহানবীকে নিয়ে অবমাননাকর পোস্ট, শ্রীলঙ্কান যুবকের মৃত্যুদণ্ড সৌদির

ফেসবুকে ইসলাম এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে সৌদি আরবে ২৪ বছর বয়সী এক শ্রীলঙ্কান অভিবাসী শ্রমিককে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আনোজান শিবারাসা নামের ওই যুবকের পরিবারের সঙ্গে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কোনো যোগাযোগ নেই। তার জীবন রক্ষার জন্য সৌদি সরকারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আবেদন করেছে তার পরিবার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আনোজানের মা রাসামানিক্কাম যোগালক্ষ্মী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেছেন, "আমি আমার ছেলেকে ক্ষমা করে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।" শ্রীলঙ্কায় এই ঘটনার কারণে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশের রাজনৈতিক দল, সরকারি সংস্থা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন আনোজানের সাজা মওকুফের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি প্রকাশ করেনি। সাজা কার্যকর হওয়ার সময় সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা যায়নি। সৌদি আরবে অতীতে পরিবারের সদস্য বা বিদেশি দূতাবাসকে আগাম না জানিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জুন মাসের শেষের দিকে শ্রীলঙ্কায় একটি ধর্মীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক শুরু হয়। হিন্দু তীর্থযাত্রীদের নিয়ে একটি ঘটনার পর এক মুসলিম তরুণের একটি কুকুরকে লাথি দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনলাইনে ধর্মীয় বিতর্ক শুরু হয়।

বিতর্কের এক পর্যায়ে এক ব্যক্তি হিন্দু ধর্মের একটি দেবতাকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় আনোজান তামিল ভাষায় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন। পরে তিনি মন্তব্যটি মুছে দিয়ে ক্ষমা চেয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। কিন্তু ওই মন্তব্যের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ে এবং তা আনোজানের নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ও সৌদি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। জুলাই মাসে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর তার ব্যক্তিগত ডিভাইস জব্দ করা হয় এবং সৌদি কর্তৃপক্ষ তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো মুছে দেয়। আনোজানের ভাই হামসিদান শিবারাসা বিবিসিকে জানান, সৌদি আরবে প্রথমে কেউ বিষয়টি জানতেন না। শ্রীলঙ্কার কিছু ব্যক্তি তার ভাইয়ের কর্মস্থলে ই-মেইল পাঠানোর পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে প্রতিষ্ঠানটি সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানালে আনোজানের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

আনোজানকে প্রথমে আল-আহসা ক্রিমিনাল কোর্ট পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করে। তার সাজা কমানোর আবেদন করা হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয় বলে জানান শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিতা হেরাথ।

এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর মামলায় বড় পরিবর্তন আসে। সৌদি প্রসিকিউশন সাইবার অপরাধ আইনের পরিবর্তে শরিয়াহ আইনে আনোজানের বিচার চেয়ে আপিল করে। আপিল আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে এবং তার সাজা মৃত্যুদণ্ডে উন্নীত করে।

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আনোজানকে সহায়তার জন্য তারা সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। ২১ সেপ্টেম্বর তার পরিবার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকের সঙ্গে দেখা করে। প্রেসিডেন্ট তাদের আশ্বস্ত করেন যে, আনোজানের জন্য সাধারণ ক্ষমা আদায়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

সৌদি যাচ্ছে শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিদল

আনোজানের মামলার বিষয়ে তার সৌদি আরবের আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করতে শ্রীলঙ্কার চার সদস্যের একটি আইনি প্রতিনিধিদল দেশটিতে যাচ্ছে।

প্রতিনিধি দলের সদস্য প্রেসিডেন্টস কাউন্সেল উপুল কুমারাপ্পেরুমা বলেন, সৌদি আরবে দুটি আইন প্রতিষ্ঠান আনোজানের মামলা পরিচালনা করছে। তাদের আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করে মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

এদিকে আনোজানের পরিবারের সঙ্গে সর্বশেষ ২৮ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ হয়েছিল। তার ভাই জানান, এরপর থেকে তারা তার কোনো ফোন পাননি। বিষয়টি তারা দূতাবাসকে জানিয়েছেন এবং তার অবস্থার বিষয়ে তথ্য চেয়েছেন। তবে এখনো কোনো উত্তর পাননি।

সৌদি কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের সাধারণত ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ থাকে না। কারাগার কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাদের ফোনে কথা বলার ব্যবস্থা করা হয়।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো সৌদি আরবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতপ্রকাশের কারণে কঠোর সাজা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। ২০২৩ সালে সৌদি নাগরিক ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আল-গামদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্যের কারণে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই সাজা বাতিল করে তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে ১ কোটির বেশি বিদেশি শ্রমিক রয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা ও পর্যাপ্ত আইনি প্রতিনিধিত্বের অভাবে স্বল্প আয়ের অভিবাসী শ্রমিকরা দেশটির বিচারব্যবস্থায় বাড়তি ঝুঁকির মুখে পড়েন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর পরিবারকে ১ লাখ টাকা অনুদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৭ এম


সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর পরিবারকে ১ লাখ টাকা অনুদান

দিনাজপুর, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : হাবিপ্রবি’র পরিসংখ্যান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী অনন্যা চৌধুরী জিতুর মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার পরিবারকে ১ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করেছে।

গতকাল সোমবার রাতে দিনাজপুর হাবিপ্রবি’র জনসংযোগ বিভাগের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গতকাল সোমবার রাত ৯টায় হাবিপ্রবি’র মেধাবী শিক্ষার্থী অনন্যা চৌধুরী জিতুর বিরামপুর বাসভবনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. মাসুদুল হাসান খান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিসাব শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. এরফান আলী খোন্দকার, পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. সাইফুর রহমান, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর মো. জিয়াউল হাসান, সহকারী প্রক্টর কাজী মো. ইউসুফ এবং অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

হাবিপ্রবি’র ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. মাসুদুল হাসান খান বাসস’কে জানিয়েছেন, "মেধাবী শিক্ষার্থী জিতুর সড়ক দুর্ঘটনায় আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। মেধাবী, বিনয়ী ও সম্ভাবনাময় এই শিক্ষার্থী ছিল পরিবার ও হাবিপ্রবি’র গর্ব। তার এই চলে যাওয়া আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের গোয়েন্দা বিমান গোপনে পাকিস্তানে ঢুকে পড়েছিল, ২৯ বছর পর ফাঁস হলো তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৮ এম


ভারতের গোয়েন্দা বিমান গোপনে পাকিস্তানে ঢুকে পড়েছিল, ২৯ বছর পর ফাঁস হলো তথ্য

১৯৯৭ সালের ২৭ মে। সেদিন পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল ভারতের একটি মিগ-২৫ গোয়েন্দা বিমান। বিমানটি প্রায় ৬৫ হাজার ৬১৭ ফুট উচ্চতায় ঘণ্টায় ২ হাজার ৫৫০ কিলোমিটার গতিতে উড়ছিল। এতদিন এই ঘটনার বিষয়ে নানা গল্প প্রচলিত থাকলেও এবার সেই গোপন অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হলো।

ভারতীয় বিমানবাহিনীর তৎকালীন ট্রাইসনিকস স্কোয়াড্রনের সদস্য অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার প্রদীপ জস্বন্ত ঠাকুর জানিয়েছেন, ওই দিন একটি মিগ-২৫ সত্যিই পাকিস্তানের আকাশসীমা অতিক্রম করেছিল।

এনডিটিভির #CtrlAltDefence পডকাস্টে তিনি বলেন, বিমানটি প্রায় ২০ কিলোমিটার উচ্চতায় ২.৪ ম্যাক গতিতে উড়ছিল।

ঘটনার দিন পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের মতো বিকট শব্দ শোনা যায়। পাকিস্তান পরবর্তীতে ভারতীয় মিগ-২৫কে এই শব্দের জন্য দায়ী করে। আসলে শব্দগুলো ছিল ‘সনিক বুম’—শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে উড়ন্ত বিমানের কারণে সৃষ্ট শকওয়েভের শব্দ।

পরদিন ভারত দাবি করে, কোনো ভারতীয় সামরিক বিমান আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করেনি। তবে অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বাস্তবে একটি মিগ-২৫ পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল।

পাকিস্তান বিমানবাহিনীও বিমানটি শনাক্ত করেছিল। তাদের ধারণা ছিল, সেটি প্রায় ৬০ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ে যাওয়া একটি ভারতীয় মিগ-২৫। পরে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান আকাশে ওঠে বলে বিভিন্ন বর্ণনায় দাবি করা হয়। কিন্তু ফক্সব্যাট ততক্ষণে অনেক দূরে চলে গিয়েছিল।

ভারতের মিগ-২৫ ছিল মূলত গোয়েন্দা ও ছবি তোলার কাজে ব্যবহৃত বিমান। এর নাকে পাঁচটি ক্যামেরা ছিল। চারটি ক্যামেরা পাশের বিস্তীর্ণ এলাকার ছবি তুলত এবং একটি ক্যামেরা সরাসরি নিচের দিকে তাক করে সঠিক স্থানাঙ্ক ধারণ করত। এসব ছবি সামরিক পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য হামলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

এ ধরনের অভিযান ছিল অত্যন্ত গোপনীয়। স্কোয়াড্রনের সদস্যদের মধ্যে কেউ জানতেন না কখন বা কোথায় মিশন পরিচালিত হবে। ফোনে কোনো নির্দেশ দেওয়া হতো না। কমান্ডিং অফিসারকে সদর দপ্তরে ডেকে লক্ষ্যবস্তুর তথ্য জানানো হতো। পরে নির্দিষ্ট পাইলটকে দায়িত্ব দেওয়া হতো।

১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধের সময়ও মিগ-২৫কে ভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়। সেবার অনেক নিচু উচ্চতায় উড়িয়ে পাকিস্তানি অবস্থানের ছবি তোলা হয়। এসব ছবি ভারতীয় স্ট্রাইক পাইলটদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে সহায়তা করে।

তবে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে মিগ-২৫-এর প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। অবশেষে ২০০৬ সালের ১ মে প্রায় ২৫ বছর সেবায় থাকার পর ভারতীয় বিমানবাহিনী তাদের মিগ-২৫ বহর অবসর দেয়।

অর্থাৎ, পাকিস্তানের আকাশসীমায় সেই রহস্যময় উড্ডয়নের প্রায় তিন দশক পর অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় কর্মকর্তাদের বক্তব্যে পরিষ্কার হলো—ঘটনাটি নিছক গুজব ছিল না। ভারতীয় একটি মিগ-২৫ সত্যিই পাকিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকেছিল।

তবে এ দাবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার বা অস্বীকার করেনি পাকিস্তান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%