বুলবুল আহম্মেদ বুলু বদলগাছী নওগাঁ প্রতিনিধি
০৯:৪৮ পি.এম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। দূর্গা পূজা মানেই ঢাকের আওয়াজ, প্যান্ডেলের হৈহুল্লোড়, নতুন জামা-কাপড় ও বন্ধু-বান্ধবদের সাথে জমিয়ে আড্ডা এবং এরই সঙ্গে শুরু হয় একে-অপরকে শুভ কামনা ও ভালোবাসায় ভরা দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা। সমাজের অন্যায় অবিচার অশুভ ও অসুরশক্তির দমনের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পূজা হয়ে থাকে। আবহমানকাল ধরে হিন্দু সম্প্রদায় উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা ধর্মীয় মাঙ্গলিক আচার অনুষ্ঠান পালনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা করে আসছে। দুর্গা পূজা উপলক্ষে জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে বদলগাছী উপজেলা বাসীকে শারদীয় দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান।
এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, দূর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি এখন সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবাই যেন এ আনন্দ সমানভাগে ভাগাভাগি করে এই প্রত্যাশা আমার।
তিনি শুভেচ্ছা বার্তায় আরো বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এখানে সকল ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করে। কোথাও কোনো অপৃতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকে প্রশাসন সব সময় কঠোর অবস্থানে আছেন এবং সচেতন মহলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি সকলের সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন
বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুর রহমান।
বুলবুল আহম্মেদ ( বুলু)
বদলগাছী নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদে গোসলে নেমে নিখোঁজ হয়েছে আলমিনা (৮) নামের একটি মেয়েশিশু। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিশুটির জীবিত বা মৃত অবস্থায় খোঁজ পাওয়া যায়নি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়নের বোয়ালমারী ক্লিনিকের পাশে দুধকুমার নদীর ঘাটে এই ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ আলমিনা ওই গ্রামের আলী হোসেনের কন্যা।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুরে বাড়ির নিকটবর্তী বোয়ালমারী ক্লিনিকের পাশে দুধকুমার নদীর ঘাটে আলমিনা এবং আরও দুইজন গোসলে নামলে তারা স্রোতে ভেসে যায়। এ সময় বাকি দুইজন সাঁতার কেটে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও আলমিনা তলিয়ে যায়। পরে তীরে ওঠা দুইজন চিৎকার করলে স্থানীয়রা নদীতে নেমে তাকে খুঁজতে শুরু করেন। খোঁজাখুঁজি করে কিছু না পেয়ে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসকে বিষয়টি জানানো হয়, এরপর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল স্থানীয়দের সঙ্গে খোঁজাখুঁজি করতে যায় কিন্তু তারা ব্যর্থ হন। পরে রংপুর ফায়ার অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দলের কাছে খবর পাঠানো হয়।
ফায়ার সার্ভিস থেকে জানানো হয়েছে, রংপুরে জানানো হয়েছে। ডুবুরি দল আসার পর উদ্ধারকাজ শুরু হবে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত নাগেশ্বরী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক।
এই বৈঠক শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানী ঢাকার গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের অফিসে শুরু হয়। বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বৈঠকে উপস্থিত আছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আমান উল্লাহ আমান, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এবং মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র কোরআন ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ও দাবির মুখে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ইসিই বিভাগের শিল্প-উপদেষ্টা প্যানেল (আইএপি) থেকে সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে অনুষ্ঠিত বিভাগের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আজ বিকেল ৩টায় ইসিই বিভাগের প্রধানের সভাপতিত্বে আইএপি প্যানেল থেকে একজন সদস্য বাদ দেওয়ার প্রসঙ্গে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে উপস্থিত সদস্যরা সম্মতি জানান। তবে উক্ত সদস্যকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রুয়েট ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (আরডিএফ) নামের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কোরআন ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে বহিষ্কৃত ব্যক্তির কিছু মন্তব্যের কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। রুয়েটের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ইইই, ইসিই, ইটিই ও এমটিই বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে গ্রুপটি গঠিত হয়েছে।
সেখানে কুরআন কোর্স সংক্রান্ত একটি বার্তা নিয়ে সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদের বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য উঠে আসে। যা ধর্মপ্রাণ মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্ম চর্চা ও মৌলিক অনুভূতিতে আঘাত করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সাঈদ ইমতিয়াজ কোরআনকে ‘ইশারা গ্রন্থ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, রুয়েটের উচিত বিজ্ঞান বইয়ের পরিবর্তে ইশারা গ্রন্থ থেকে শিক্ষা দেওয়া। তিনি কোরআনকে বিজ্ঞানের বই নয়, বরং নিদর্শনের বই হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রকৌশলীদের পণ্য নকশা ও নির্মাণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কোরআনের জ্ঞান ব্যবহারের প্রসঙ্গও তোলেন।
তিনি মন্তব্য করেন, কোরআনে বিমান তৈরি, প্রযুক্তিগত বিপ্লব, বিদ্যুৎ উৎপাদন কিংবা যন্ত্র তৈরির পদ্ধতি নিয়ে কোনো আয়াত নেই। পাশাপাশি কোরআনে পণ্য নকশার কথা থাকলে গ্রন্থটির ঐশী গ্রন্থ হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হতো, এমন বক্তব্যও দেন।
এছাড়াও, কোরআনের বিভিন্ন আয়াত নিয়ে বিব্রতকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। তিনি বার্তায় লিখেছেন, বাবার হাতে মাকে মার খেতে দেখে সন্তানদের কাঁদা উচিত নয়। কুরআনের ৪ নং সূরার ৩৪ নং আয়াতে পুরুষদেরকে তাদের স্ত্রীদের মারধর করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কুরআনের ৬৪ নং সূরার ১৪ নং আয়াতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লিখেছেন, রুয়েটের স্নাতক ও শিক্ষার্থীদের সন্তানরা যখন এ আয়াত পড়বে, তখন তারা জানতে পারবে যে তারা এবং তাদের মায়েরা তাদের পিতার শত্রু। তাই, কুরআন পুরুষদেরকে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে উপদেশ দেয়।
এসব মন্তব্যকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থের প্রতি অবমাননা হিসেবে দেখছেন ইসিই বিভাগের মুসলিম শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাষ্য, ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থ নিয়ে এমন বক্তব্যের কারণে তারা ক্ষুব্ধ এবং সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদকে আইএপি সদস্য হিসেবে মানতে সম্মত নন।
তারা তার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে উপদেষ্টা প্যানেল থেকে তাকে অবিলম্বে বাদ দেওয়া এবং ভবিষ্যতে বিভাগের কোনো কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত না রাখার দাবি জানান।
অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা তার বিরুদ্ধে একাডেমিক ও পাঠ্যক্রম সংক্রান্ত বেশ কিছু অভিযোগ জানান। শিক্ষার্থীদের একাংশের দাবি, রুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বা বিভাগের শিক্ষক না হয়েও সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদ বিভাগের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করছিলেন। তার পরামর্শে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মৌলিক কোর্সের পরিবর্তে মাইক্রোকন্ট্রোলার ভিত্তিক কাজের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এমনকি ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কোর্স ‘ইলেকট্রনিক শপ প্র্যাকটিস’ এ এসটিএম৩২-সংক্রান্ত সেশন উপস্থিতির ওপর ২০ শতাংশ নম্বর রাখার বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, থিসিসের পরিবর্তে প্রকল্প ভিত্তিক কাজকে প্রাধান্য দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার পরামর্শে। এসব প্রভাবের কারণে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসিই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের কিছু যৌক্তিক দাবি-দাওয়া ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাডভাইজরি প্যানেলের একজন সদস্যের ধর্মীয় বিষয়ে বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানায় এবং তাকে প্যানেল থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তোলে। শিক্ষার্থীদের এই আবেগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে উক্ত প্যানেল থেকে অব্যাহতি দিয়েছি।
‘এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের অন্যান্য দাবির মধ্যে ল্যাব সংস্কার, প্রজেক্ট এবং ওয়ার্কশপের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ল্যাব বা ওয়ার্কশপ বাধ্যতামূলক না করে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে তা ঐচ্ছিক করার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। ডিপার্টমেন্টের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত অগ্রগতির জন্যই আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের যেকোনো যৌক্তিক ও ইতিবাচক দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসন সবসময় আন্তরিক।’
জানা যায়, সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ১৯৭৫ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী এবং কানাডাভিত্তিক সিগন্যাল স্ট্রিম ইনকরপোরেটেডের সভাপতি।
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার উদ্দেশ্যে গঠিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একজন বহিরাগত ব্যক্তির উপস্থিতি এবং বিভাগের পাঠ্যক্রমে তার হস্তক্ষেপ তাদের একাডেমিক স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।
সামগ্রিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজকের বিভাগীয় সভায় সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদকে আইএপি এর সদস্যপদ বাতিলের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের দাবির বাস্তবায়ন বলে মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌর এলাকার ঢোলভাঙ্গা নদীতে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কার করার কাজে নেমেছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। নদীর কচুরিপানার সমস্যা সমাধান এবং জনদুর্ভোগ কমাতে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এই উদ্যোগে সহায়তা করছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় পৌর এলাকার মেয়র ব্রিজ থেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও মানবতা রক্তদান সংঘের তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের একটি দল।
অভিযান চলাকালে পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানায় নদীটি ভরাট হয়ে থাকার কারণে এলাকায় কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। এর ফলে নৌ চলাচলেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে স্বেচ্ছাসেবীরা সহায়তা করছেন।
রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা শাখার সদস্য সবুজ বলেন, ঢোলভাঙ্গা নদী একসময় খরস্রোতা ছিল। দখল এবং দূষণের পাশাপাশি কচুরিপানা নদীটির জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষিকাজ এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। তাঁরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ চালিয়ে যেতে চান।
মানবতা রক্তদান সংঘের সমন্বয়ক মাহমুদউল্লাহ বলেন, নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পলি জমা এবং কচুরিপানার কারণে অনেক নদ-নদীতে নৌ যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। নদী ও খাল পরিষ্কারের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানে কাজ করছেন তাঁরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ