ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

অতিরিক্ত দায়িত্বের অজুহাতে অফিস সর্বদা তালাবদ্ধ, কাঁঠালিয়ার পিআইও জোবায়েরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের


অতিরিক্ত দায়িত্বের অজুহাতে অফিস সর্বদা তালাবদ্ধ, কাঁঠালিয়ার পিআইও জোবায়েরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের

অতিরিক্ত দায়িত্বের অজুহাত দেখিয়ে মূল কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং কার্যালয় সর্বদা তালাবদ্ধ রেখে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (PIO) মোঃ জোবায়ের হোসেনের বিরুদ্ধে কর্মকর্তাবৃন্দ - উপজেলা ত্রাণ অফিস। একই সাথে গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে । এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে এলাকায় তীব্র জনক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং দোষী কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে কাঠালিয়া উপজেলায় প্রেসক্লাবে মানবন্ধনের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কাঁঠালিয়া উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়টি বছরের অধিকাংশ সময়ই তালাবদ্ধ থাকে। সাধারণ মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে ফাইলে স্বাক্ষর বা সরকারি বিভিন্ন সেবার জন্য এসে মাসের পর মাস ঘুরেও পিআইও বা তার অফিস সহকারীর দেখা পান না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অফিস থেকে জানানো হয়, তিনি অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা নলছিটি উপজেলায় আছেন। প্রশ্ন উঠেছে, একজন সরকারি কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্বের দোহাই দিয়ে মূল কর্মস্থল কাঁঠালিয়াকে কীভাবে প্রতিদিন ফাঁকি দিয়ে অফিস তালা মেরে রাখতে পারেন?
লুটপাটের আখড়া: অভিযোগের পাহাড় পিআইও জোবায়েরের বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পিআইও জোবায়ের হোসেন ও তার কার্যালয়ের কতিপয় অসাধু চক্র মিলে কাঁঠালিয়ায় দুর্নীতির এক বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।

আরও পড়ুন: বরগুনার বেতাগীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন

ঠিকাদারি আঁতাত ও কমিশন বাণিজ্য: গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (TR), কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) ও কাবিখা প্রকল্পে বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামমাত্র বরাদ্দ দিয়ে ঠিকাদারদের সাথে যোগসাজশে প্রতি টনের বিপরীতে মোটা অঙ্কের কমিশন হাতিয়ে নেওয়া এবং নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শেষ করা।

ভুয়া ভাউচারে অর্থ আত্মসাৎ: অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির (EGPP) আওতায় ভুয়া শ্রমিকের নাম ও ভুয়া হাজিরা খাতা ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

তথ্য অধিকার আইন লঙ্ঘন: বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেট ও ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে চাইলে তা সরবরাহ না করে তথ্য গোপনের চেষ্টা এবং প্রশ্ন উত্থাপনকারী সাংবাদিকদের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

উক্ত কর্মকর্তার লাগামহীন অনিয়ম, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি এবং জনগণের ভোগান্তির বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে পাবনা ও রাজবাড়ীর ৬৫ চরমপন্থির আত্মসমর্পণ

এ বিষয়ে কাঁঠালিয়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, "একজন সরকারি কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও মূল কর্মস্থলকে অবহেলা বা অফিস তালাবদ্ধ রাখার কোনো সুযোগ নেই। জনগণের সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার। উক্ত কর্মকর্তার অনিয়ম ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব এবং কঠোর বিভাগীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়ে জানিয়েছেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ পরিচালনায় কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসের কাজ জনগণের কল্যাণের জন্য। যদি কোনো কর্মকর্তা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে সরকারি সেবা ব্যাহত করেন কিংবা বরাদ্দের অপব্যবহার করেন, তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (ACC) ও বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

এই গুরুতর অনিয়ম ও সরকারি অফিস তালাবদ্ধ থাকার বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জোবায়ের হোসেনের দাপ্তরিক ইমেইলে ([email protected]) যোগাযোগ করা হলেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি কর্মকর্তাবৃন্দ - উপজেলা ত্রাণ অফিস। ভুক্তভোগীদের দাবি, অনতিবিলম্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপে তদন্তের মাধ্যমেই এই সিন্ডিকেটের মূল উপড়ে ফেলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: ‘মেম্বার-চেয়ারম্যান প্রার্থী দিবা, নালা ভেঙে ফেলব’: মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধে অভিযান, ধ্বংস ২০ বোমা মেশিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধে অভিযান, ধ্বংস ২০ বোমা মেশিন

সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের জুমপাড় ও তৎসংলগ্ন পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) থেকে অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ করার লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন দিনভর টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রতুন কুমার অধিকারী এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে অবৈধ উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত ২০টি লিস্টার (বোমা মেশিন) ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া, পাঁচটি অস্থায়ী তাঁবু গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং দুটি লিস্টার মেশিন জব্দ করা হয়।

অভিযান চলাকালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের প্রায় ২০ ফুট অংশ তাৎক্ষণিকভাবে মেরামত করা হয়। পাশাপাশি, স্থানীয় বাসিন্দাদের অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা হয়। প্রশাসন জানায়, সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন প্রতিরোধ এবং পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও গ্রাম পুলিশকে সার্বক্ষণিক টহল দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

টাস্কফোর্সের এই অভিযানে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ, ৪৮ বিজিবির সদস্য এবং ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রতন কুমার অধিকারী সাংবাদিকদের জানান, "জনস্বার্থ রক্ষা, পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংরক্ষণ এবং অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সারাদেশের ৪ হাজার ৫৯৯ ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণ করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


সারাদেশের ৪ হাজার ৫৯৯ ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণ করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরো গতিশীল ও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে সরকার সারাদেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, উপজেলা পর্যায়ে স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজও চলছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে রংপুর জেলা স্টেডিয়াম মাঠ পরিদর্শন শেষে ভলিবল ও হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সুস্থধারার ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর। খেলাধুলাকে সরকার শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এ লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়ামগুলোকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষভাবে রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্টেডিয়ামটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে এখানে নিয়মিত খেলাধুলা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিবেশ তৈরি করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানিয়ে দেন, আগামী জানুয়ারি থেকে ক্রিকেট, হকি, শুটিংসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনের জন্য একটি বছরব্যাপী ক্রীড়া ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হবে। পরিকল্পিতভাবে সারা বছর বিভিন্ন খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে, যাতে খেলোয়াড়দের নিয়মিত অনুশীলন ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে নতুন খেলোয়াড় তৈরির পথও সুগম হবে।

আমিনুল হক ক্রীড়াঙ্গনে অতীতে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান। তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গনকে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। খেলাধুলার উন্নয়নে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠানে ভলিবল ও হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে প্রতিমন্ত্রী কুড়িগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসিতে উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানালো ছাত্রদল, অকৃতকার্যদের প্রতি সহমর্মিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


এইচএসসিতে উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানালো ছাত্রদল, অকৃতকার্যদের প্রতি সহমর্মিতা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে। সংগঠনটি একই সঙ্গে যারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলমের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই শুভেচ্ছা জানানো হয়।

ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এবারের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। যারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের প্রতি সহমর্মিতা ও ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আজকের তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের প্রত্যাশা, আগামী দিনে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে। তরুণ প্রজন্ম রাজনীতিবিমুখতার পরিবর্তে রাজনীতি সচেতন হয়ে উঠবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

ছাত্রদল জানায়, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে দেশীয় ও আধিপত্যবাদী যেকোনো ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে। তরুণদের মেধা, যোগ্যতা ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদাপূর্ণ আসনে প্রতিষ্ঠিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নতুন প্রজন্মের সুন্দর, নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন ভবিষ্যৎ নির্মাণে সব সময় তাদের পাশে থাকার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ই-বর্জ্য দূষণ রোধে তরুণদের সচেতন হওয়ার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


ই-বর্জ্য দূষণ রোধে তরুণদের সচেতন হওয়ার আহ্বান

প্রযুক্তির ব্যবহারের বৃদ্ধি সঙ্গে দেশে ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বর্জ্যের অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতিতে, পরিবেশকর্মীরা তরুণ সমাজকে ই-বর্জ্য দূষণ প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স ও আশপাশের এলাকায় আয়োজিত একটি সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে বক্তারা এই আহ্বান জানান।

ভলান্টিয়ার ফর এনভায়রনমেন্ট (VFE) এবং ইউক্যানের (YOUCAN) যৌথ উদ্যোগে, ভাঙাড়িওয়ালার সহযোগিতায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে বক্তারা উল্লেখ করেন, পুরোনো মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, টেলিভিশন, নষ্ট ব্যাটারি ও চার্জারের মতো ইলেকট্রনিক পণ্যে সিসা, পারদ ও ক্যাডমিয়ামের মতো ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে। এসব বর্জ্য সাধারণ আবর্জনার সঙ্গে ফেলে দেওয়া কিংবা খোলা জায়গায় পোড়ানোর ফলে মাটি, পানি ও বায়ুদূষণ ঘটে। পাশাপাশি, মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।

ইউক্যানের প্রতিষ্ঠাতা যুধিষ্ঠির চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, “ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পরিবর্তন আনতে তরুণ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তুলতে হবে। শুধু সচেতনতা তৈরি নয়, দায়িত্বশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চর্চাও বাড়াতে হবে।”

ভলান্টিয়ার ফর এনভায়রনমেন্টের পরিচালক শেখ শাহরুখ ফারহান বলেন, “ই-বর্জ্য দূষণ রোধে তরুণদের শুধু নিজেদের সচেতন হতে হবে না, পরিবার ও কমিউনিটিতেও দায়িত্বশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চর্চা ছড়িয়ে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।”

ভাঙাড়িওয়ালার উদ্যোক্তা নাসিম নেক বলেন, “ই-বর্জ্যকে সাধারণ আবর্জনা হিসেবে বিবেচনা না করে সঠিকভাবে সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারের আওতায় আনতে হবে। এ জন্য ভাঙাড়ি সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা জরুরি।”

বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পেলেও, সে অনুযায়ী ই-বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ ও নিরাপদ পুনর্ব্যবহারের ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। এই কারণে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর উদ্যোগ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

তারা বলেন, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুধুমাত্র সরকারের একার দায়িত্ব নয়। নাগরিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী এবং তরুণ সমাজকে সম্মিলিতভাবে এই বিষয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় ব্যবহারের অনুপযোগী ইলেকট্রনিক পণ্য যত্রতত্র না ফেলে নির্ধারিত সংগ্রহকেন্দ্রে জমা দেওয়ার, মেরামতের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য পণ্য পুনরায় ব্যবহার এবং নিরাপদ পুনর্ব্যবহারে উৎসাহিত করার আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজকরা জানান, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক পর্যায়ে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে জনসম্পৃক্ততামূলক কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

ক্যাম্পেইনের মূল স্লোগান ছিল—‘Recycle, Rethink, Reform, Reuse’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%