ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

সুইমিংপুলে ছেলের সঙ্গে জলকেলিতে মেতে উঠলেন পরীমনি


সুইমিংপুলে ছেলের সঙ্গে জলকেলিতে মেতে উঠলেন পরীমনি

ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি বর্তমানে সিনেমায় খুব একটা উপস্থিত না থাকলেও সামাজিক মাধ্যমে তিনি তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নিয়মিতভাবে সক্রিয় রয়েছেন। নিজের ভালো লাগা ও মন্দ লাগা সবকিছুই তিনি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। সম্প্রতি, সুইমিংপুলে ছেলেকে নিয়ে জলকেলিতে মেতে ওঠার একটি মুহূর্ত তিনি প্রকাশ করেছেন।

অভিনেতা শরীফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর, পরীমনি সন্তানদের নিয়ে নিজের জীবনকে নতুন করে সাজিয়েছেন। কাজের পাশাপাশি সন্তানদের জন্য সময় বের করা তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতে তিনি দক্ষতা অর্জন করেছেন। কাজের ব্যস্ততার মাঝে সন্তানদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো তিনি নিয়মিতভাবে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন।

এবার, ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পুণ্যকে নিয়ে সুইমিংপুলে জলকেলিতে মেতে ওঠার একগুচ্ছ ছবি পরীমনি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। সন্তানদের নিয়ে আনন্দঘন মুহূর্তগুলো ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতে তিনি কখনো দ্বিধাবোধ করেন না। মা-ছেলের ছবি প্রকাশের সুন্দর মুহূর্তগুলো নিয়ে নেটিজেনরা প্রশংসায় মেতে ওঠেন। উল্লেখ্য, পরীমনির বড় ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পুণ্য ছাড়াও তার পরিবারে দত্তক নেওয়া ছেলে ও কন্যাসন্তান সাফিয়া সুলতানা প্রিয়ম রয়েছে।

আরও পড়ুন: লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে মতবিনিময় করেন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসট্রেনসেন

পরীমনির সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, তিনি সুইমিংপুলে ছেলের সঙ্গে আনন্দে মেতে উঠেছেন। কখনো পানিতে ছেলের সঙ্গে খুনসুটি করছেন, আবার কখনো হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে ক্যামেরাবন্দি হচ্ছেন। ছবিগুলোতে মা-ছেলের স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দের মুহূর্তগুলো ধরা পড়েছে। সামাজিক মাধ্যমে পরীমনির এমন পোস্টে তার ভক্ত-অনুরাগীরা ভালোবাসা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত অভিযানের আলোচনা, সামনে ‘ক্লিন হার্ট–টু’ প্রসঙ্গ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাছুদুর রহমান আসলাম

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ এম


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত অভিযানের আলোচনা, সামনে ‘ক্লিন হার্ট–টু’ প্রসঙ্গ

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদক, কিশোর গ্যাং, এলাকাভিত্তিক অপরাধ এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহারসংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদারের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তবে ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর আদলে একই ধরনের কোনো অভিযান পরিচালনার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—এমন ঘোষণা তিনি দেননি।

এ কারণে বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় পরিসরের কোনো সমন্বিত অভিযান হবে কি না, হলে তার ধরন ও পরিধি কী হবে—তা এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় অবৈধ অস্ত্র, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোর বিষয়টিও উঠে আসছে।

কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা যাচাই করে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে অভিযানের সময় অবৈধ অস্ত্র পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী তা উদ্ধারের প্রক্রিয়াও পরিচালিত হতে পারে।


বিভিন্ন এলাকায় দলীয় নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন হাটবাজার ও বাস স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি,হাট বাজার, বাসস্ট্যান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চাঁদাবাজি এবং স্থানীয়ভাবে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। কোথাও কোথাও রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার করে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগও পাওয়া যায় বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।

এ ছাড়া স্থানীয় কিছু যুবককে ব্যবহার করে মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ত করার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। এসব অভিযোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে তথ্য যাচাই ও প্রমাণের বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।


কিছু এলাকায় রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও আলোচনায় রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বিভিন্ন মহল থেকে উঠছে।

তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় বা সাধারণ অভিযোগের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য, প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়াই প্রত্যাশিত।


২০০২ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময়ে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ নামে একটি যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। ওই অভিযানে বিভিন্ন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।

বর্তমান সময়ে সমন্বিত আইনশৃঙ্খলা অভিযান নিয়ে আলোচনা হওয়ায় ২০০২ সালের ওই অভিযানের প্রসঙ্গও নতুন করে সামনে এসেছে। এ থেকেই অনেকে সম্ভাব্য বড় ধরনের অভিযানকে অনানুষ্ঠানিকভাবে ‘ক্লিন হার্ট–টু’ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনিও এর আগে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট টু’ ধরনের অভিযানের প্রসঙ্গ প্রকাশ্যে তুলেছিলেন। তবে তার বক্তব্যকে সরকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।

কোনো আইনশৃঙ্খলা অভিযান পরিচালনার আগে এর সময়, স্থান, পরিধি কিংবা অংশগ্রহণকারী ইউনিটের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না করার বিষয়টি কৌশলগত কারণেও হতে পারে। কারণ আগাম তথ্য প্রকাশ হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সতর্ক হয়ে যেতে পারেন।

তবে কোনো সম্ভাব্য অভিযান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য বা সময়সূচি জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পর্যন্ত অপেক্ষা করাই যুক্তিসঙ্গত।

চাঁদাবাজি, মাদক, অবৈধ অস্ত্র, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহারের অভিযোগ—যে ক্ষেত্রেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক, তা যেন সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে হয়, এমনটাই প্রত্যাশা।

একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরপরাধ ব্যক্তির হয়রানি এড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ।

এখন দেখার বিষয়, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সমন্বিত কার্যক্রম কতটা জোরদার করা হয় এবং বাস্তবে কোনো বড় পরিসরের অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কি না।

ক্লিন হার্ট–টু’ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সরকারি অভিযানের নাম নয়; এটি মূলত আলোচনায় ব্যবহৃত একটি অভিহিতি। পরবর্তী সরকারি সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমই বিষয়টির প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের বরখাস্ত ঠেকাল আদালত, ফের দায়িত্বে রজার রোগফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


ট্রাম্পের বরখাস্ত ঠেকাল আদালত, ফের দায়িত্বে রজার রোগফ

যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে শীর্ষ ফেডারেল জজ রজার রোগফকে বরখাস্ত করার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ফেডারেল আদালত আটকে দিয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ওয়াশিংটনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলার যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মার্কিন জেলা বিচারক স্ট্যানলি বাস্টিয়ান এ আদেশ প্রদান করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জেলা আদালত যে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নিকে নিয়োগ দিয়েছে, প্রেসিডেন্ট একতরফাভাবে তাকে বরখাস্ত করার ক্ষমতা রাখেন না।

রজার রোগফকে গত ১৫ জুলাই ওয়াশিংটনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলার ফেডারেল বিচারকেরা যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি হিসেবে নিয়োগ দেন। দায়িত্ব গ্রহণের শপথ নেওয়ার এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ট্রাম্প তাকে বরখাস্ত করেন। পরবর্তীতে রোগফ এই বরখাস্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা করেন।

রায়ের সময় বিচারক বাস্টিয়ান বলেন, জেলা আদালতের নিয়োগ দেওয়া একজন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নিকে প্রেসিডেন্ট একতরফাভাবে বরখাস্ত করতে পারেন কি না—এটি মামলার মূল প্রশ্ন। তার সিদ্ধান্ত হলো, প্রেসিডেন্ট এমনটি করতে পারেন না।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, সিনেট অনুমোদিত কোনো নতুন প্রার্থী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত রোগফকে তার পদে বহাল রাখতে হবে। তাকে পদ থেকে সরানো, পদটির সুযোগ-সুবিধা বা প্রয়োজনীয় সরকারি সম্পদ থেকে বঞ্চিত করা কিংবা দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়াও প্রশাসনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন চার্লস নিল ফ্লয়েডকে সিয়াটলের দপ্তরের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছিল। তবে বিচারক বাস্টিয়ান বলেছেন, ফ্লয়েড ওয়াশিংটনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলার যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি নন এবং ওই পদের দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা তাকে যথাযথভাবে দেওয়া হয়নি।

বিচারক আরও বলেন, জেলা আদালতের নিয়োগ করা যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নিকে প্রেসিডেন্ট বরখাস্ত করতে পারলে সংবিধান ও আইনে প্রেসিডেন্টের নিয়োগের ক্ষমতা এবং সিনেটের অনুমোদনের ক্ষমতার মধ্যে যে ভারসাম্য রয়েছে, তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এদিকে বিচার বিভাগ আদালতের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি রায় কার্যকর স্থগিত রাখার জন্য দ্রুত আবেদন করার প্রস্তুতিও নিচ্ছে তারা।

রজার রোগফ আদালতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আইনের শাসন এবং সংবিধানে নির্ধারিত ক্ষমতার ভারসাম্য তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন। এখন পশ্চিম ওয়াশিংটনের মানুষের জন্য কাজ শুরু করার দিকে তিনি মনোযোগ দিচ্ছেন।

সিয়াটলের যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নির দপ্তরে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে সিনেট অনুমোদিত কোনো স্থায়ী প্রধান ছিলেন না। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করা টেসা গোরম্যানকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

এরপর চার্লস নিল ফ্লয়েড অস্থায়ীভাবে দপ্তরটির নেতৃত্ব দেন। তার অস্থায়ী নিয়োগের ১২০ দিনের মেয়াদ ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে যায়। পরে তিনি দপ্তরের প্রথম সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও কার্যত নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন।

ফেডারেল আইনে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নির পদ খালি থাকলে প্রথমে অ্যাটর্নি জেনারেল অস্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ দিতে পারেন। ওই নিয়োগের মেয়াদ শেষ হলে সংশ্লিষ্ট জেলা আদালত নতুন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি নিয়োগ করতে পারে, যতক্ষণ না সিনেট অনুমোদিত কোনো স্থায়ী প্রার্থী দায়িত্ব নেন। এই আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করেই ওয়াশিংটনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলার বিচারকেরা রোগফকে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে নেভাদা, নিউইয়র্ক, ভার্জিনিয়া ও নিউ জার্সিসহ আরও কয়েকটি এলাকায় পছন্দের প্রার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি পদে বসানোর চেষ্টা করেছে। এসব নিয়োগের কয়েকটি নিয়ে আদালতে আইনি চ্যালেঞ্জ হয়েছে। রোগফকে বরখাস্তের ঘটনায় আদালতে চ্যালেঞ্জ করা তিনিই প্রথম বরখাস্ত হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরাজগঞ্জে অবৈধ ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে জামায়াতের নায়েবে আমিরকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


সিরাজগঞ্জে অবৈধ ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে জামায়াতের নায়েবে আমিরকে জরিমানা

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের অভিযোগে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল ইসলাম (৪৫) উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির হিসেবে পরিচিত। তিনি ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের পুত্র।

স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় জামায়াত নেতা মনিরুলের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। সার ডিলার মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে এসব সার মজুদ করছিলেন। এই ঘটনায় সার ব্যবস্থাপনা আইনের আওতায় তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

অভিযানের সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন এবং কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনা ও ১৭ আসামির বিরুদ্ধে গুমের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ১৩ অক্টোবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


শেখ হাসিনা ও ১৭ আসামির বিরুদ্ধে গুমের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ১৩ অক্টোবর

টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম করে রাখার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বর্তমান ও সাবেক ১২ সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ১৩ অক্টোবর নির্ধারণ করেছে ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ এ সংক্রান্ত আদেশ প্রদান করা হয়।

এই দিন মামলার সাত নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। তবে সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় প্রসিকিউশনের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৩ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে র‍্যাবের টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মোট ১৭ আসামির বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই মামলার ১০ আসামি বর্তমানে ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে অবস্থান করছেন।

তাদের মধ্যে রয়েছেন—র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল কে এম আজাদ, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন এবং র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল, র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

এই মামলার আরো সাত আসামি পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।

তাদের মধ্যে আছেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ (সাবেক আইজিপি), র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক মো. হারুন অর রশিদ এবং র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%