১২:১৬ পি.এম
গত মাসে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধ স্বীকার করার পর সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ড্যাশিং ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার শেষ পর্যন্ত বড় শাস্তির মুখোমুখি হয়েছেন। আদালত তার বিরুদ্ধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে নগদ জরিমানা করার পাশাপাশি কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে।
মধ্যম মাত্রার মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে সিডনির ওয়েভারলি লোকাল আদালত ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা ব্যাটারকে ১ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, জরিমানা করেছেন। একই সময়ে, আদালতের বিচারক নির্দেশনা দিয়েছেন, এখন থেকে গাড়ি চালানোর সময় ওয়ার্নারকে 'ইন্টারলক ডিভাইস' ব্যবহার করতে হবে।
তিনি ইন্টারলক লাইসেন্স পাওয়ার পর তার গাড়িতে এই বিশেষ ডিভাইসটি বসাতে বাধ্য। ড্রাইভিং সিটে বসে যখন তিনি এই ডিভাইসে শ্বাস দিয়ে পরীক্ষা করবেন, তখনই কেবল গাড়ি স্টার্ট হবে। যদি সিস্টেমে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ে, তাহলে গাড়িটি লক হয়ে যাবে এবং স্টার্ট হবে না।
আরও পড়ুন: নেসেটে ১৯ আসন পেয়েও সংশয়: নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে তো আরব দলগুলো?
এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল ৫ এপ্রিল। সিডনির পূর্বে একটি রোডসাইড চেকপোস্টে ওয়ার্নারের গাড়ি থামানো হলে, অ্যালকোহল পরীক্ষা করে ফলাফল পজিটিভ আসে। পরবর্তীতে মারৌব্রা পুলিশ স্টেশনে দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা করা হলে দেখা যায়, ওয়ার্নারের রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ছিল ০.১০৪, যা সেখানকার আইনসম্মত সীমার দ্বিগুণেরও বেশি।
আদালতে ওয়ার্নারের আইনজীবী আওয়াইজ আহমেদ যুক্তি তুলে ধরেন যে, গণমাধ্যমে অতিরিক্ত প্রচারের কারণে তার মক্কেল ইতিমধ্যে সামাজিকভাবে বড় ধরনের খেসারত দিয়েছেন।
ইএসপিএন, আল জাজিরা ও দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এই ঘটনাটি প্রচারিত হওয়া কারণে তার ভাবমূর্তি ও বাণিজ্যিক চুক্তিগুলো ঝুঁকির মুখে পড়েছে। আইপিএল ও বিপিএলের মতো টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে নিয়মিত খেলার জন্য এই অজি তারকার ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার জন্য আবেদন জানালেও আদালত অপরাধের দায়ে কঠোর সাজাই বহাল রেখেছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী চার দিনের জাপান সফর শেষে আজ দেশে ফিরছেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন