বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪০ পি.এম
লিওনেল মেসি ফুটবল মাঠে কিংবদন্তি হয়ে ওঠার পর, এবার তিনি মাঠের বাইরেও নিজের ফুটবল সাম্রাজ্য গড়ে তুলছেন। তবে, তাঁর সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি ক্লাবের মালিকানার ধরন ভিন্ন। কিছু ক্লাবে তিনি সরাসরি মালিক, কিছুতে যৌথ উদ্যোগের অংশীদার, আবার কিছুতে ভবিষ্যতে মালিকানা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই, মেসির বর্তমান ফুটবল-সম্পৃক্ততাকে মালিকানা ও অংশীদারত্ব—এই দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়।
যেসব ক্লাবের মালিক মেসি
স্পেনের পঞ্চম স্তরের ক্লাব ইউই কর্নেয়া মেসির সরাসরি মালিকানাধীন ক্লাব। এপ্রিল মাসে কাতালোনিয়ার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির পূর্ণ মালিকানা তিনি গ্রহণ করেন। ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত কর্নেয়া দীর্ঘকাল ধরে তরুণ খেলোয়াড় তৈরির জন্য পরিচিত। মেসির কাতালোনিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক থাকায়, ক্লাবটির মালিকানা তাঁর ফুটবল-ব্যবসায়িক পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব সিডি এলদেন্সও মেসির মালিকানাধীন। সেপ্টেম্বরের শুরুতে ক্লাবটি তাঁকে নতুন মালিক হিসেবে ঘোষণা করে। এলদেন্সের নতুন মালিকানা প্রকল্পে ক্লাবটির ক্রীড়া, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক উন্নয়নকে দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। দলটির ক্রীড়া প্রকল্প পরিচালনার দায়িত্ব সাবেক ভিয়ারিয়াল কোচ হাভি কায়েহাকে দেওয়া হয়েছে।
যেখানে মেসি অংশীদার
উরুগুয়ের দেপোর্তিভো এলএসএমের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। ক্লাবটি ২০২৫ সালে লুইস সুয়ারেজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মেসি পরে তাঁর সাবেক বার্সেলোনা ও বর্তমান ইন্টার মায়ামি সতীর্থের এই প্রকল্পে যৌথ উদ্যোগে যুক্ত হন। অর্থাৎ, এটিকে মেসির একক মালিকানাধীন ক্লাব হিসেবে দেখা সম্ভব নয়।
সিউদাদ দে লা কোস্তায় অবস্থিত দেপোর্তিভো এলএসএম বর্তমানে উরুগুয়ের তৃতীয় স্তরের ফুটবলে খেলছে। ক্লাবটির ভিত্তি হিসেবে রয়েছে প্রায় ২০ একরের একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্স এবং ১,৪০০ দর্শক ধারণক্ষমতার কৃত্রিম টার্ফের স্টেডিয়াম। সুয়ারেজের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পে মেসির অংশগ্রহণ মূলত যৌথ ফুটবল-ব্যবসায়িক উদ্যোগের অংশ।
ইন্টার মায়ামিতে এখনো মালিক নন
ইন্টার মায়ামির ক্ষেত্রে মেসিকে বর্তমান মালিক হিসেবে উল্লেখ করা যাবে না। তিনি এখনো ক্লাবটির খেলোয়াড় এবং তাঁর চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত। তবে, তাঁর চুক্তিতে খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করার পর ক্লাবটির সংখ্যালঘু মালিক হওয়ার একটি অপশন রয়েছে। অর্থাৎ, এটি বর্তমান মালিকানা নয়, ভবিষ্যৎ মালিকানায় যাওয়ার সম্ভাবনা।
ইন্টার মায়ামিতে মেসির প্রভাব অবশ্য শুধু মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর আগমনের পর ক্লাবটির ক্রীড়া ও বাণিজ্যিক পরিচিতি আন্তর্জাতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়েছে। তবে, বর্তমান সময়ে ক্লাবটির মালিকানা কাঠামোর অংশ হিসেবে মেসিকে দেখানো এবং ভবিষ্যতে সংখ্যালঘু মালিক হওয়ার সম্ভাবনাকে এক বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা তথ্যগতভাবে সঠিক হবে না।
সব মিলিয়ে, মেসির ফুটবল-ব্যবসায়িক অবস্থানকে তিনভাবে দেখা যায়—ইউই কর্নেয়া ও সিডি এলদেন্সে সরাসরি মালিকানা, দেপোর্তিভো এলএসএমে যৌথ অংশীদারত্ব এবং ইন্টার মায়ামিতে ভবিষ্যৎ সংখ্যালঘু মালিক হওয়ার সম্ভাবনা। ফলে, খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষ হলেও ফুটবলের সঙ্গে মেসির সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হওয়ার পথ ইতোমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের শ্রীপুরে এক গার্মেন্টসকর্মী (২০) কে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যেখানে তার স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। অভিযুক্তদের হুমকির কারণে দুই দিন ঘরবন্দি থাকার পর বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) স্বজনদের সহায়তায় থানায় গিয়ে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী।
মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর ছদ্মনাম লিলি। তিনি শেরপুর জেলার বাসিন্দা। শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের হানু মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে স্থানীয় একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শ্রমিকের কাজ করেন। তিনি স্বামীসহ সেখানে বসবাস করতেন।
লিলি জানিয়েছেন, গত ছয় মাস ধরে তারা হানু মার্কেট এলাকার হারুনের বাসায় ভাড়া রয়েছেন। সম্প্রতি এলাকায় চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় স্বামীর সঙ্গে আলোচনা করে গত সোমবার বাসা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। বাড়ির মালিক হারুন অর রশিদকে তিন মাসের অগ্রিম ভাড়া পরিশোধ করে মালামাল সরানোর কাজ শুরু করেন তারা।
এ সময় স্থানীয় দুই যুবক ফারুক ও নয়ন এসে তার স্বামীকে জোর করে ডেকে নিয়ে যান। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরও স্বামী ফিরে না আসায় তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। সন্ধ্যার পর স্বামী বাড়ি ফেরেন।
লিলির অভিযোগ, রাত সাড়ে ৮টার কিছুক্ষণ পর ফারুক ও নয়ন আরও দুজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে তাদের ঘরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর তাদের আচরণ বদলে যায়। তারা তার স্বামীকে মারধর করে পাশের একটি ঘরে আটকে রাখেন।
লিলি বলেন, ফারুক তাকে জানান, তার স্বামীর কাছে টাকা পাওনা থাকায় তাকে আটকে রাখা হয়েছে। এরপর তার কথামতো কাজ করলে দুজনকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন ফারুক। এতে রাজি না হওয়ায় ফারুক, নয়ন ও অপর এক ব্যক্তি তার হাত বেঁধে ফেলেন। গলায় ধারালো ছুরি ধরে এবং দুই পা দুই দিকে বেঁধে রেখে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগী জানান, তিনি বারবার তাদের কাছে বাবা ও ভাই বলে আকুতি-মিনতি করলেও তারা শোনেননি। চারজন মিলে তার ওপর নির্যাতন চালান। তাদের ভয়ে আশপাশের কেউ তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেননি।
লিলির অভিযোগ, ঘটনার পরও অভিযুক্তরা তাদের বাড়ির আশপাশে নজরদারি করছিলেন। তাদের ভয়ে তিনি থানায় যাওয়ার সাহস পাননি। পরে স্বজনদের খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাদের সহযোগিতায় থানায় এসে বিচার চাইতে পেরেছেন তিনি।
ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, তাকে পাশের ঘরে আটকে রেখে মারধর করা হয়। এ সময় তাকে বলা হয়, তার স্ত্রী টাকা আনতে গেছেন। অভিযুক্তরা পালাক্রমে তাকে নির্যাতন করেন। তবে তার স্ত্রীকে নির্যাতন করা হচ্ছে, তা তাকে জানানো হয়নি।
তিনি জানান, সবকিছু শেষ হওয়ার পর তাকে স্ত্রীর কাছে যেতে দেওয়া হয়। সেখানে গিয়ে স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের বিষয়টি বুঝতে পারেন। বিচার চাইতে বের হতে চাইলে অভিযুক্তরা তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। ভয়ে তারা বের হতে পারেননি। পরে কৌশলে বের হওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে আত্মীয়স্বজনকে খবর দিলে তাদের সহযোগিতায় থানায় আসেন।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই থানার পুলিশ পরিদর্শককে (তদন্ত) প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল। কারণ, রেফারির শেষ বাঁশির অপেক্ষা ছিল। কিন্তু ঠিক তখনই শেফিল্ড ইউনাইটেডের হৃদয় ভেঙে যায়। এর পেছনে ছিলেন ইবাউ অ্যাডামস।
৮৯ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে গোলটি করেন অ্যাডামস। ফলে পোর্টসমাউথ ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এই পরাজয়ে শেফিল্ড ইউনাইটেডের হতাশা স্বাভাবিক।
তবে শেফিল্ডের মধ্যে হতাশার পাশাপাশি ক্ষোভও রয়েছে। এই ক্ষোভের কারণ হামজা চৌধুরীকে প্রদত্ত বিতর্কিত লাল কার্ড। বাংলাদেশি মিডফিল্ডার ৪৪ মিনিটে দুটি হলুদ কার্ড না দেখালে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।
১০ জন নিয়ে অর্ধেকের বেশি সময় লড়াই করে শেফিল্ড, যা তাদের দৃঢ়তার প্রমাণ দেয়। ৫৮ মিনিট পর্যন্ত তারা ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। ম্যাচ শেষে কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার রেফারি অলিভার ল্যাংফোর্ডের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে হামজা প্রথম হলুদ কার্ড পান। ১১ মিনিট পরে পোর্টসমাউথের উইঙ্গার রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইনকে ফাউল করার কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে লাল কার্ড দেখানো হয়। হামজাকে নাটমেগ করার সময় রায়ান বাংলাদেশি মিডফিল্ডারের সাথে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়েন। এই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শেফিল্ডের কোচ।
ওয়াইল্ডার বলেন, ‘হামজা যাবে কোথায়? সে কি মিস্টার ক্লেপল (রেন্টাগোস্ট নাটকের চরিত্র) হুট করে অদৃশ্য হয়ে যাবে? মাঠজুড়ে এমন ঘটনা ঘটছে। স্যাম ম্যাককালামকে তিন-চারবার বাধা দেওয়া হয়েছে। হামজা আসলে কোথায় যাবে, সেটাই বুঝতে পারছি না। আমাকে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ হয়তো যা বলতে চাই, তা বলতে পারছি না। ম্যাচের শেষ মুহূর্তেও আমাদের দলের এক খেলোয়াড়কে বক্সে টেনে ধরা হয়, স্পষ্ট দেখা গেছে, জার্সি প্রায় খুলে আসার উপক্রম হয়েছিল।’
ওয়াইল্ডার দাবি করেন, হামজাকে লাল কার্ড দেখানোর কথা ছিল না। তিনি বলেন, ‘কথা হচ্ছিল রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখাবেন না। দেখলাম প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়েরা গিয়ে ভিড় করছে; সেটা গেমসম্যানশিপের অংশ হতে পারে। মনে হচ্ছে, আমাদের প্রতি কিছুটা অবিচার করা হয়েছে।’
হামজা লাল কার্ড দেখানোর আগে ৪১ মিনিটে জ্যাক সোয়ানসোনের গোলে পোর্টসমাউথ লিড নেয়। তার মাঠ ছাড়ার পর ৫৪ মিনিটে আদ্রিয়ান সেগেচিচ ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফেরে শেফিল্ড। ৫৯ মিনিটে দলের হয়ে প্রথম গোল করেন জাপেট তানগাঙ্গা। আর ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরানো গোলটি করেন থমাস ক্যানন। শেষ মুহূর্তে শেফিল্ডের হৃদয় ভাঙেন অ্যাডামস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমুদ্রকেন্দ্রিক শিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর প্রক্রিয়ায় পরিবেশের ঝুঁকি বৃদ্ধি করা উচিত নয়। নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সামুদ্রিক পরিবেশের সুরক্ষায় আরও সচেতন হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার এই খাতের সকল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে আগ্রহী।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘বিমক্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার জানিয়েছেন, বাংলাদেশে শুধু বাণিজ্য নয়, বরং বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
এছাড়া, বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি বিনিময় এবং টেকসই প্রবৃদ্ধিতে সহযোগিতা জোরদারের জন্য নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইওরিস ভ্যান বোমেল আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উহান ওপেনে একটি নাটকীয় ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান লি শীর্ষ বাছাই আরিনা সাবালেঙ্কাকে পরাজিত করে শেষ ষোলোতে প্রবেশ করেছেন। সাবালেঙ্কা, যিনি চারবারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ী, নয়টি ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচিয়েও তিন সেটের লড়াইয়ে ৩-৬, ৬-৪, ৭-৬ (৭-৫) ব্যবধানে হেরে যান।
দ্বিতীয় সেটে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা অবস্থায় সাবালেঙ্কা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। তৃতীয় সেটে তিনি একসময় ৪-১ ও পরে ৫-২ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন। এই সময় বেলারুশের এই তারকা তার ডান হাঁটুতে চিকিৎসা নেন, যা আগে থেকেই টেপ বাঁধা ছিল। তবে তিনি দুর্দান্তভাবে ফিরে এসে স্কোর ৫-৫ করেন এবং ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়।
টাইব্রেকারেও নাটকীয়তা ছিল। অ্যান লি নয়টি ম্যাচ পয়েন্ট নষ্ট করার পর তার ১০ম ম্যাচ পয়েন্টে জয় নিশ্চিত করেন। শেষ পয়েন্টে একটি অসাধারণ ফোরহ্যান্ড উইনার মেরে মার্কিন খেলোয়াড়টি ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় জয় অর্জন করেন।
এটি সাবালেঙ্কার টানা দ্বিতীয় পরাজয়। গত সপ্তাহে চায়না ওপেনের শেষ ৩২-এর ম্যাচে তিনি নিকোলা বারতুনকোভার কাছে হেরেছিলেন। ইউএস ওপেনের ফাইনালে এলেনা রিবাকিনার কাছে হারের পর এটি ছিল সাবালেঙ্কার প্রথম টুর্নামেন্ট।
এদিকে, দ্বিতীয় বাছাই জেসিকা পেগুলাও শেষ ৩২ থেকে বিদায় নিয়েছেন। তিনি এক মাসের বেশি সময় পর কোর্টে ফিরে তিনটি ম্যাচ পয়েন্ট পেয়েও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত তিনি জেলেনা ওস্তাপেঙ্কোর কাছে ২-৬, ৭-৬ (৯-৭), ৬-৩ ব্যবধানে পরাজিত হন।
দ্বিতীয় সেটে তিনবার ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচিয়ে অসাধারণ প্রত্যাবর্তন করেন ওস্তাপেঙ্কো। ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে সাবালেঙ্কার কাছে হারের পর পেগুলা আর কোনো ম্যাচ খেলেননি। ব্যস্ত গ্রীষ্মকালীন সূচির শারীরিক ধকলের কারণে সিঙ্গাপুর ও বেইজিংয়ের টুর্নামেন্টও তিনি মিস করেছিলেন। গত বছর উইহান ওপেনের রানার্সআপ ছিলেন এই মার্কিন খেলোয়াড়।
অন্যদিকে, ইগা শভিয়ন্তেক কোনো বিপদ ছাড়াই শেষ ষোলোতে উঠেছেন। পোল্যান্ডের ম্যাগদালেনা ফ্রেচকে ৬-২, ৬-১ গেমে পরাজিত করেছেন ষষ্ঠ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী এই তারকা। শুরুতে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়লেও তিনি টানা ছয় গেম জিতে প্রথম সেট নিজের করে নেন। দ্বিতীয় সেটেও টানা চার গেম জিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন।
দিনের অন্য ম্যাচে পঞ্চম বাছাই এলিনা সভিতোলিনা ৬-২, ৫-৭, ৬-২ ব্যবধানে লিউদমিলা সামসোনোভার বিপক্ষে জয় পান। ১৭০ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ের সোনে কার্তাল ৬-০, ৭-৫ ব্যবধানে নবম বাছাই বেলিন্ডা বেনচিচকে পরাজিত করে বড় অঘটন ঘটান। ষষ্ঠ বাছাই ক্যারোলিনা মুচোভা ক্যাটি ম্যাকনালিকে ৩-৬, ৭-৬ (৭-১), ৭-৬ (৭-৪) ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলোতে প্রবেশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ