বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩৯ পি.এম
বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠানগুলোর ইআইআইএন নম্বরের বিপরীতে নিবন্ধিত সিম কার্ড সচল ও কার্যকর রাখতে হবে।
এ নির্দেশনা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে, যাতে বোর্ডের দাপ্তরিক যোগাযোগ এবং অনলাইন সেবা নির্বিঘ্নভাবে পরিচালিত হতে পারে।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বোর্ডের সকল দাপ্তরিক কার্যক্রম এবং অনলাইন যোগাযোগকে সহজ ও নিরাপদ করার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নির্দিষ্ট সিম কার্ড ব্যবহার করা আবশ্যক। যদি ইআইআইএন নম্বরের বিপরীতে নিবন্ধিত সিম কার্ড সচল না থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বোর্ডের প্রয়োজনীয় যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে না। একইভাবে, অনলাইন সেবার জন্য প্রয়োজনীয় ওটিপি (ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড) পাঠানোও অসম্ভব হবে।
এই কারণে, বোর্ডের অনলাইন সেবা এবং দাপ্তরিক যোগাযোগকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের জরুরি ভিত্তিতে ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সক্রিয় ও ব্যবহারযোগ্য রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। এর ফলে ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি এখন বন্ধ হয়ে গেছে।
গত ২২ সেপ্টেম্বর, মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়। এই সিদ্ধান্তের পর থেকে ভারত থেকে ইলিশ আমদানির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে।
আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন যে, বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের একটি চিঠি তাদের কাছে এসেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনেকগুলো অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে, যা আমদানিকারকদের জন্য বিপদের সৃষ্টি করেছে।
ইলিশ আমদানিকারক সৈয়েদ মহিদুল হক রুবাই বলেন, "হঠাৎ করে আমদানি বন্ধ করায় আমরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি।" তিনি আরও বলেন, "আমদানির উদ্দেশ্যে ওপারে তাদের ক্রয়কৃত ইলিশ রাখা হয়েছিল। এখন কম দামে তা ফেরত দিতে হবে। এ ছাড়া আমদানি খরচের লোকশান তো রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষি মন্ত্রণালয় কুড়িগ্রামে সার বিতর্কের প্রেক্ষিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে বদলি করে ঝিনাইদহ জেলার বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের আদেশ জারি করেছে।
এই সিদ্ধান্তটি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কামরুল ইসলাম খান কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি আদেশের মাধ্যমে জানানো হয়। পরবর্তী দিন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে বদলির আদেশের কপি কুড়িগ্রামে পৌঁছায়।
জেলায় সার বিতরণে চলমান বিশৃঙ্খলা ও কৃষকদের ভোগান্তির কারণে তাকে এই শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে স্ট্যান্ড রিলিজের আদেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের আগে নতুন কর্মস্থলে (ঝিনাইদহ) যোগদান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায়, ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরের আগে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে। তার স্থলে নতুন উপপরিচালক হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঢাকার প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের উপপরিচালক আবু ফাত্তাহ মো. রওশন কবীরকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।
বদলির আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিদায়ী উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমাকে ঝিনাইদহ বদলি করা হয়েছে। আমি দায়িত্ব হস্তান্তর করেছি।’
কুড়িগ্রাম কৃষি অধিদপ্তরের অফিস সূত্রে জানা গেছে, সদ্য বদলি হওয়া উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম ত্যাগ করে অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ) তানভীর আহমেদ সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশে নৈরাজ্য ও সন্ত্রাস সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে। তিনি মন্তব্য করেন, ‘ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখনই আসেন। টেক্কা দিতে চান। আমাদের মা-বোনদের বুক খালি করেছেন। আসেন, ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলার জন্য আসেন।’
আজ বুধবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহরের কালিবাড়ী মোড় সংলগ্ন চত্বরে জেলা বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইয়াসের খান চৌধুরী আরও বলেন, ‘আমরা রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছি। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি। আমরা মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে এনেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা মানুষকে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র নস্যাৎ করার জন্য ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। আমরা সেই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে তাদের ফ্যাসিবাদ ভেঙে দিয়েছি। তাদের কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।’
তথ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পরিবার সারা বাংলাদেশে ঐক্যবদ্ধ আছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা হবে।
বাসে আগুন দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘যারা মনে করছেন দুটি বাস পুড়িয়ে এবং একটি চক্রের মাধ্যমে জনগণকে ভয় দেখাতে পারবেন, তাদের সাবধান করে দিতে চাই। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সৈনিকেরা জনগণকে নিয়ে যেভাবে আপনাদের দেশ থেকে তাড়িয়েছে, প্রয়োজনে তাদেরও দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেওয়া হবে না।’
বিচারের প্রসঙ্গে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘আপনাদের আইনের আওতায় এনে জনগণ বিচার করবে। বিচারের জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাই না। এই মুহূর্তেই বিচারের আহ্বানে আপনারা আসবেন।’
এর আগে দুপুরে শহরের রথখলা এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালিবাড়ী মোড় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন বক্তব্য রাখেন।
বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ