এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
১১:৫৪ পি.এম
মধুমতি নদীর ভাঙনের আতঙ্কে থাকা নদীপাড়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের শিকারপুর এলাকা পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সরেজমিনে নদীভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। এ সময় নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের দুর্ভোগ ও ভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতির কথা শোনেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মধুমতি নদীর ভাঙনে শিকারপুর এলাকার বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে রয়েছে। নদীর তীর রক্ষায় ইতোমধ্যে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও ভাঙন পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে জানান তাঁরা। দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
পরিদর্শনকালে এমপি ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা বলেন, নদীভাঙনের কারণে মানুষের বসতভিটা ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে। নদীপাড়ের মানুষের নিরাপত্তা ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে তিনি থাকবেন এবং ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে সহযোগিতা করবেন।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও নদীভাঙনের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। তাঁদের আশঙ্কা, দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভাঙনে বসতভিটা ও ফসলি জমিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. কামাল হুসাইন, উপজেলা সেক্রেটারি এস এম হাফিজুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ও নায়েবে আমির এস এম রিদওয়ানুন্নবী, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান, শ্রমিক বিভাগের সভাপতি এস এম জিয়াউল হাসান এবং ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল মো. জাবেদ হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী।
এমপি ইলিয়াস মোল্লার সরেজমিন পরিদর্শনে নদীভাঙনকবলিত শিকারপুরের স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ, বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা এবং নদীপাড়ের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে—এমন প্রত্যাশা তাঁদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের টঙ্গীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থী ইয়াসিন আলীর পরিবারকে ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি)।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ অনুদান দেওয়া হয়।
অনুদান দেওয়ার পর অনুষ্ঠানটির আয়োজকরা জানায়, শিক্ষার্থী ও পথচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির ভিত্তিতে টঙ্গীর গাজীপুরা এলাকায় ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জিসিসি। এই বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের গঠিত বিশেষ কমিটি ও সিটি প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ হেফজুর রহমান, তা’মীরুল মিল্লাত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (টাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মঈনুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মুর্তজা হাসান ফুয়াদসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, বৈঠকে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের সড়ক পারাপারে যে ঝুঁকি রয়েছে, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং প্রস্তাবিত ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের অগ্রগতি নিয়ে। সম্প্রতি, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যানের চাপায় ইয়াসিন আলী (১৭) নিহত হয়। সে তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়ক পারাপার এবং ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।
এই আন্দোলনের ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের দাবির পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
মঙ্গলবারের বৈঠকে নির্মাণকাজ শুরুর সময়সীমা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এসময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনাপ্রবণ ওই এলাকায় পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুরু হলে শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ঝুঁকিপূর্ণভাবে মহাসড়ক পারাপার অনেকটা কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ মারামারিতে একজন ব্যক্তি, যার নাম আব্দুল করিম (৩৫), মৃত্যুবরণ করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সন্ধ্যা বেলায় উপজেলার ভড়ুয়াপাড়ায়।
এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন এবং তাদেরকে উদ্ধারের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত আব্দুল করিমের মরদেহ বর্তমানে রামেক হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
বেলপুকুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল আজিজ মন্ডল বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই মারামারিতে একজনের মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়া, এই ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিজিটাল সাংবাদিকতায় দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং গুজব-অপতথ্য প্রতিরোধে ফ্যাক্ট চেকিংয়ের কৌশল শেখাতে ফেনীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
মঙ্গলবার প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর আয়োজনে এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়। এতে ফেনীতে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক প্রফেসর এম এ খালেক। উদ্বোধক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসক মনিরা হক।
সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সভাপতি সিদ্দিক আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, প্রশিক্ষণের সমন্বয়কারী ও পিআইবির প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন। বক্তব্য রাখেন- সাপ্তাহিক আনন্দ তারকা সম্পাদক মামুনুর রশীদ, ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম, চ্যানেল২৪ ও সমকাল ফেনী প্রতিনিধি দিলদার হোসেন স্বপন প্রমুখ।
প্রশিক্ষণে বর্তমান পরিবর্তনশীল ডিজিটাল গণমাধ্যমের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে সংবাদ সংগ্রহ, তথ্য যাচাই, মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
প্রশিক্ষণ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সাংবাদিকতার ধরনও পরিবর্তিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি তথ্য যাচাইয়ের সক্ষমতা অর্জন অত্যন্ত জরুরি বলে মনে হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এস আলম এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করেছেন ব্যাংকের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ইয়াসীন আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জহির হোসেন বলেন, ‘দুদকে ৩৮ জনের বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়নি; বরং সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে।’ তিনি উল্লেখ করেন যে, ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) অনুমতি ছাড়া ইয়াসীন আলী নিজ উদ্যোগে এই অভিযোগটি জমা দিয়েছিলেন। এই কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে, এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরেই এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইয়াসীন আলীকে বরখাস্তের বিষয়ে ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন জানান, ‘এ তথ্য সঠিক নয়।’ তবে, ব্যাংকের নথি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ২৬ জুলাইয়ের সিদ্ধান্তের পর ইয়াসীন আলীকে সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে ২৭ জুলাই জারি করা চিঠিতে শাখার ব্যবস্থাপনার পক্ষ থেকে তাকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া হয়।
এভাবে সাময়िक বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। উল্লেখ্য, গত সোমবার ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামের একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করার অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে এস আলম, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং ইসলামী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলাসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর ইয়াসীন আলী ব্যাংকের পক্ষ থেকে দুদকে এ অভিযোগ জমা দেন। এই মামলা অনুসন্ধান করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
চারটি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে একটি তদন্ত হয়েছে। সেই তদন্তে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে দুদকে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ এর ঋণ সীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা থেকে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। ঋণের অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে আত্মসাতের ঘটনাটি ঘটেছে বলে ব্যাংক অভিযোগ করেছে।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক ছিলেন। ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং গঠিত পরিচালনা পর্ষদে তিনি যুক্ত হন। এ সময়েই সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের ঋণ সীমা ১০০ কোটি টাকা থেকে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ