বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০২ এম
কক্সবাজারে তিন মাসব্যাপী ‘কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভাল’ আয়োজন করা হচ্ছে, যা সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটকদের বিনোদনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। এই আয়োজন শুরু হবে আগামী ১ নভেম্বর এবং চলবে ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে কক্সবাজার শহরের হোটেল শৈবালসংলগ্ন সমুদ্রসৈকত ও ঝাউবনের প্রায় ৩৫ একর জায়গায় অনুষ্ঠিত হবে এই কার্নিভাল।
আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুসারে, এই উৎসব ২৪ ঘণ্টা চলবে। এতে থাকবে প্রায় ১৬টি জোন, যেখানে খাবার, কুটিরশিল্প, যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন, শিশুদের বিনোদন, ক্যাম্পিং, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিভিন্ন রোমাঞ্চকর কার্যক্রমের ব্যবস্থা থাকবে।
আয়োজকরা আশা করছেন, এই কার্নিভালের মাধ্যমে কক্সবাজারে পর্যটকদের অবস্থানের সময় বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে দেশের প্রধান এই পর্যটন গন্তব্য নতুনভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। এতে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিও উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মালিকানাধীন হোটেল শৈবাল ও মোটেল লাবনীর ব্যবস্থাপক রায়হান উদ্দিন আহমেদ জানান, কক্সবাজারকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় করে তোলার লক্ষ্যে এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে ব্র্যান্ডিং করার জন্য এই কার্নিভালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই আয়োজন বাস্তবায়নে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্পেল বাউন্ড কমিউনিকেশনসের সঙ্গে কাজ করছে পর্যটন করপোরেশন।
রায়হান উদ্দিন আহমেদ আরও জানান, ইতিমধ্যে ঢাকায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব এম. শামীম উদ্দিন জামানের উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। পাশাপাশি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কার্নিভালে খাবারের জন্য থাকবে ফুড জোন, যেখানে দেশি-বিদেশি খাবার, লাইভ ফুড স্টল, বারবিকিউ, আইসক্রিম পারলার ও জুস কর্নার থাকবে। মার্কেট জোন ও ক্র্যাফট ভিলেজে পোশাক, অলংকার, মাটির পণ্য এবং স্থানীয় কারিগরদের তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা থাকবে।
ওয়েলনেস জোনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন করার সুযোগ পাবেন দর্শনার্থীরা। শিশুদের জন্য কিডস জোনে থাকবে আর্ট, বিভিন্ন রাইড ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম। ক্যাম্পিং জোনে রাত যাপনের ক্যাম্প, খোলা আকাশের নিচে পাঠাগার, নিজে বারবিকিউ তৈরি, হ্যামক, ক্যাম্পফায়ার এবং টেলিস্কোপ দিয়ে তারাভরা আকাশ দেখার ব্যবস্থা থাকবে।
এছাড়া থাকবে লাইভ আর্ট, ফটো গ্যালারি, খোলা আকাশের নিচে সিনেমা দেখার ব্যবস্থা, ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) জোন ও সার্কাস টেন্ট। সমুদ্রসৈকতে কায়াকিং, বাঞ্জি জাম্পিং, গো-কার্ট, বিচ ফুটবল, বিচ হ্যান্ডবল, বিচ ভলিবল, বিচ কাবাডি, ব্যাডমিন্টন ও বালু দিয়ে ভাস্কর্য তৈরির আয়োজনও থাকবে।
বিজয় দিবস, বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষেও বিশেষ আয়োজন থাকবে। পাশাপাশি বিচ ভিউ ওপেন থিয়েটারে সমুদ্রের সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগের সঙ্গে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার ব্যবস্থা থাকবে।
রায়হান উদ্দিন আহমেদ বলেন, স্থানীয় উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন অংশীজন তাদের পণ্য ও সেবা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেও আলোচনা চলছে।
কার্নিভালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন রায়হান উদ্দিন আহমেদ।
তিনি জানান, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আনসার সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ ও সাধারণ পুলিশের সমন্বিত সহযোগিতায় আয়োজনটির সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী।
বিদেশি পর্যটক বাড়ানোর লক্ষ্য
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান বলেন, বিশেষ করে বিদেশি পর্যটকদের কাছে কক্সবাজারকে নতুন ও ব্যতিক্রমীভাবে উপস্থাপন এবং তাঁদের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক মানের এই কার্নিভালের আয়োজন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য। বিগত বছরগুলোতে এখানে বছরজুড়ে পর্যটকদের আগমন বাড়লেও বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা তেমন বাড়েনি। তাই পর্যটন মৌসুমে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে এবং স্পেল বাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালনায় এই কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে।
কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুল শুক্কুর বলেন, থাইল্যান্ডের ফুকেট ও পাতায়া, মালয়েশিয়ার লংকাউই, ভারতের গোয়া, ইন্দোনেশিয়ার বালি, নেপাল ও ভুটানের মতো জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যগুলোতে রাতের বিনোদন ও সরাসরি সংগীত পরিবেশনার ব্যবস্থা রয়েছে। বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে কক্সবাজারেও রাত্রিকালীন বিনোদনের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না বলেন, কক্সবাজারের পর্যটনকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার প্রক্রিয়া নির্ধারণে সরকারের উচ্চপর্যায়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতীতে কী হয়েছে, তা নিয়ে পড়ে না থেকে সবার সমন্বিত পরামর্শ নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। এভাবে কক্সবাজারকে একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রতিবছর কক্সবাজারে ৩০ লাখের বেশি পর্যটকের সমাগম হয়। তবে বিদেশি পর্যটকের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, সমুদ্র উপভোগের বাইরে পর্যাপ্ত বিনোদনের সুযোগের অভাব পর্যটকদের দীর্ঘ সময় অবস্থান না করার অন্যতম কারণ। দীর্ঘমেয়াদি এই কার্নিভালের মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পে নতুন গতি সঞ্চারের প্রত্যাশা করছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি পর্তুগাল জাতীয় দলের ক্যাম্প ত্যাগ করার কারণে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার প্রাক্তন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সতীর্থ ওয়েইন রুনি। রুনির মতে, রোনালদোর এই আচরণ সব দিক দিয়েই অগ্রহণযোগ্য।
রোনালদো প্রধান কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে বিরোধের কারণে ক্যাম্প ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। এরপর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন। সেখানে সতীর্থদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেও, জেসুসের বিরুদ্ধে নিজের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন।
‘দ্য ইউনাইটেড স্ট্যান্ড’-এ রোনালদোর সমালোচনা করতে গিয়ে রুনি বলেন, ‘রোনালদোকে নিয়ে আমার মন্তব্য একটাই। একই দিনে মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে অবসরের ঘোষণা দিয়েছে। আর সেই সময় রোনালদোর এইভাবে পর্তুগাল দল ত্যাগ করা এবং এর পর এমন বিবৃতি দেওয়া... সব দিক থেকেই এটি ভুল।’
রুনি মনে করেন, রোনালদো এই আচরণের মাধ্যমে কোচ, সতীর্থ এবং পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনকে হেয় করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিজের কোচকে যেভাবে হেয় করেছে, সতীর্থদের যেভাবে ছোট করেছে, এটি একেবারেই ভুল। পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনকে হেয় করাও ভুল ছিল। পুরো বিষয়টিই ভুল ছিল। ফুটবলের দৃষ্টিকোণ থেকে, একজন সতীর্থ এবং একজন কোচ হিসেবে বিষয়টি দেখা মোটেও ভালো লাগেনি।’
রোনালদোর আচরণকে অস্বস্তিকর হিসেবে উল্লেখ করে রুনি বলেন, ‘প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জীবনে এমন সময় আসে। একসময় আপনাকে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাতে হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সে বিষয়টি ভালোভাবে সামলাতে পারছে না। এটা দেখা অস্বস্তিকর।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ১ হাজার ৭০২ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।
গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২২-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের পত্রের সুপারিশক্রমে ১ হাজার ৭০২ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুসারে ৯ম গ্রেডে (৪৪,০০০-১,০৫,৯০০/-) শর্তসাপেক্ষে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
নিয়োগের ক্ষেত্রে সুপারিশপ্রাপ্তদের বিভিন্ন ক্যাডার পদে কিছু শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২২-এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধিবিধান অনুযায়ী তাঁদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের মুক্তিযোদ্ধার সনদ পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাইকালে মিথ্যা বা জাল প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের নিয়োগ বাতিল হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে বলেও গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, গেজেটে নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং সেখানে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা বিদ্যমান। অন্যদিকে, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের দুটি পৃথক পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিন ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে—নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এইসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, আজ সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। পাশাপাশি হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। এ সময় উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।
আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮০ শতাংশ। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৩৩ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৫৭ মিনিটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার বাসিন্দাদের বিভিন্ন দোকানপাট ও মার্কেটে কেনাকাটার জন্য নিয়মিতভাবে যেতে হয়। কিন্তু যদি তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে দেখা যায় যে সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে মূল্যবান সময় নষ্ট হবে।
এজন্য বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জানিয়ে নেওয়া প্রয়োজন, আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা এলাকার দোকানপাট, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলি, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মাদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কো-অপারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বাইতুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট ও সাকুরা মার্কেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ